১ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে শনি-শুক্রের বিরল যোগ, এই ৪ রাশির জন্য আসছে সুসময়?
১ ফেব্রুয়ারি শনি ও শুক্র মিলিত হয়ে একটি বিরল সংযোগ তৈরি করবে। জ্যোতিষশাস্ত্র অনুসারে ১ ফেব্রুয়ারি শুক্র এবং শনি ৪০ ডিগ্রি কোণে অবস্থান করবে।
১ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে শনি-শুক্রের বিরল যোগ- কলকাতা,
- 26 Jan 2026,
- (Updated 26 Jan 2026, 9:08 PM IST)
হাইলাইটস
- ১ ফেব্রুয়ারি শনি ও শুক্র মিলিত হয়ে একটি বিরল সংযোগ তৈরি করবে।
- ১ ফেব্রুয়ারি শুক্র এবং শনি ৪০ ডিগ্রি কোণে অবস্থান করবে।
- এই ভাগ্যবান রাশিচক্রগুলি সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।
১ ফেব্রুয়ারি শনি ও শুক্র মিলিত হয়ে একটি বিরল সংযোগ তৈরি করবে। জ্যোতিষশাস্ত্র অনুসারে ১ ফেব্রুয়ারি শুক্র এবং শনি ৪০ ডিগ্রি কোণে অবস্থান করবে। যার ফলে চালিশা যোগ তৈরি হবে। বর্তমানে শনি মীন রাশিতে এবং শুক্র মকর রাশিতে অবস্থিত। এই সংযোগ চারটি রাশির জন্য অত্যন্ত শুভ বলে বিবেচিত হয়। জ্যোতিষীরা বলছেন, শনি এবং শুক্রের তৈরি চালিসা যোগ চারটি রাশির জন্য অত্যন্ত শুভ। এই ভাগ্যবান রাশিচক্রগুলি সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।
বৃষ রাশি:
- আর্থিক বিষয়গুলি উন্নতির লক্ষণ দেখা যাচ্ছে।
- আর্থিক বিষয়গুলি পক্ষে থাকবে।
- সম্পর্কের উন্নতি হবে। প্রেমের সম্পর্ক আরও মধুর হয়ে উঠবে।
- ধৈর্য এবং শৃঙ্খলার সঙ্গে কাজ করলে সাফল্যের সম্ভাবনা বেশি।
- কর্মক্ষেত্রে সৃজনশীলতা বৃদ্ধি পাবে।
- সৌন্দর্য সম্পর্কিত ক্ষেত্রেও ইতিবাচক ফলাফল দেখতে পাবেন।
কন্যা রাশি:
- ক্যারিয়ার এবং চাকরির বিষয়ে সুসংবাদ পাবেন।
- দীর্ঘদিনের সমস্যাগুলি ধীরে ধীরে সমাধান হবে।
- প্রেমের সম্পর্কের ক্ষেত্রে সমর্থন এবং বোঝাপড়া আরও শক্তিশালী হবে।
- চিন্তাশীল সিদ্ধান্তগুলি আর্থিকভাবে লাভজনক প্রমাণিত হবে।
- ভবিষ্যতের পরিকল্পনাগুলি আরও স্পষ্ট হবে।
- স্বাস্থ্যের উন্নতি হবে।
তুলা রাশি:
- ক্যারিয়ার এবং ব্যবসায় উন্নতির জন্য সুবর্ণ সুযোগ পেতে পারেন।
- দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা কাজগুলি গতি পাবে।
- পারিবারিক এবং ব্যক্তিগত সম্পর্কের মধ্যে সম্প্রীতির উন্নতি হবে।
- বাড়ির পরিবেশ ইতিবাচক থাকবে।
- আর্থিক বিষয়ে লাভের লক্ষণ দেখা যাচ্ছে।
- ধৈর্য, কঠোর পরিশ্রমের মধ্যে লক্ষ্য অর্জন করা যাবে।
কুম্ভ রাশি:
- চালিশা যোগ সুসংবাদ বয়ে আনতে পারে।
- কর্মক্ষেত্রে নতুন দায়িত্ব পেতে পারেন।
- কর্মক্ষেত্রে পদোন্নতি বা পদোন্নতির প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।
- আর্থিক বিষয়গুলি ভালো থাকবে।
- অপ্রয়োজনীয় ব্যয় নিয়ন্ত্রণে থাকবে।
- ব্যয় কমাতে পারলে ব্যাঙ্ক ব্যালেন্স বৃদ্ধি পাবে।