2026 El Nino: ১৫০ বছরে সবথেকে ভয়ঙ্কর হতে চলেছে ২০২৬ এল নিনো, সামনে কত বড় বিপদ?

ভয়ঙ্কর হচ্ছে ২০২৬ এল নিনো। এটি গত ১৫০ বছরের ইতিহাসে সবথেকে শক্তিশালী হতে পারে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এতে কত বড় বিপদের আশঙ্কা? জেনে নিন।

Advertisement
১৫০ বছরে সবথেকে ভয়ঙ্কর হতে চলেছে ২০২৬ এল নিনো, সামনে কত বড় বিপদ? ২০২৬ এল নিনো
হাইলাইটস
  • ভয়ঙ্কর হচ্ছে ২০২৬ এল নিনো
  • এটি গত ১৫০ বছরের ইতিহাসে সবথেকে শক্তিশালী হতে পারে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা
  • এতে কত বড় বিপদের আশঙ্কা?

ভয়ঙ্কর হচ্ছে ২০২৬-২৭ সালের এল নিনো। এটি এমন গতিতে শক্তিশালী হচ্ছে, যা আগে কখনও দেখা যায়নি। বিশ্বের প্রথম সারির জলবায়ু মডেলগুলির সাম্প্রতিক পূর্বাভাস অনুযায়ী, এটি গত ১৫০ বছরের ইতিহাসে সবচেয়ে শক্তিশালী এল নিনো হয়ে উঠতে পারে। এমনই চাঞ্চল্যকর দাবি করেছেন জলবায়ু বিজ্ঞানী জেক হাউসফাদার। ইনি স্ট্রাইপের ক্লাইমেট রিসার্চ লিড এবং বার্কলে আর্থের গবেষক।

প্রসঙ্গত, ১৪টি মৌসুমি জলবায়ু মডেলের মোট ৬৬৭টি এনসেম্বল পূর্বাভাস বিশ্লেষণ করেছেন হাউসফাদার। তারপর জানিয়েছেন, ২০২৬-২৭ সালের এল নিনো ১৯৯৭-৯৮ এবং ২০১৫-১৬ সালের ঐতিহাসিক এল নিনোকে ছাড়িয়ে যাবে। এবারের এল নিনো এতটা ব্যবধানে এগিয়ে যেতে পারে, যা আগে কখনও পর্যবেক্ষণ করা হয়নি।

হাউসফাদার তাঁর সাম্প্রতিক বিশ্লেষণে লিখেছেন, 'এই মডেলগুলি এমন একটি পরিস্থিতির পূর্বাভাস দিচ্ছে, যা আমরা আগে কখনও পর্যবেক্ষণ করিনি।'

বর্তমানে বিভিন্ন মডেলের পূর্বাভাস অনুযায়ী, প্রশান্ত মহাসাগরের নিও ৩.৪ অঞ্চলে সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রার অস্বাভাবিকতা সর্বোচ্চ ৩.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছতে পারে। এটি আগের সর্বোচ্চ রেকর্ড ২.৭৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের তুলনায় প্রায় ০.৮ ডিগ্রি বেশি। আর ২.৭৫ সেলসিয়াসের রেকর্ডটি করেছিল ২০১৫-১৬ সালের শক্তিশালী এল নিনো।

এল নিনো

দ্রুত শক্তি বাড়াচ্ছে এল নিনো
হু হু করে বাড়ছে ২০২৬ এল নিনো। আর এহেন গতিই বিজ্ঞানীদের বিস্মিত করছে। হাউসফাদারের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ২০২৬ সালের এল নিনো ১৯৯৭-৯৮ সালের এল নিনোর থেকেও দ্রুত শক্তিশালী হচ্ছে। এতদিন ওই ঘটনাকেই এল নিনোর শক্তিশালী হওয়ার বেঞ্চমার্ক হিসেবে ধরা হতো। তবে এবার সেই রেকর্ড ভেঙে যাচ্ছে বলে মনে করছেন তিনি।

আরও উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, ২০২৬ সালের এল নিনোর সূচনা হয়েছে বছরের শুরুতে লা নিনার মতো পরিস্থিতি থেকে। অথচ ২০১৫-১৬ সালের এল নিনো শুরু হওয়ার আগেই প্রশান্ত মহাসাগরের জল অস্বাভাবিকভাবে গরম হয়ে গিয়েছিল।

প্রায় সব জলবায়ু মডেলের পূর্বাভাস একই
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, বিভিন্ন জলবায়ু মডেল মোটমুটি একই ধরনের ধারণা দিচ্ছে। 

Advertisement

সব মিলিয়ে ৯১ শতাংশ এনসেম্বল পূর্বাভাস বলছে, ২০২৬ সালের এল নিনো নিও ৩.৪ অঞ্চলের সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রার নিরিখে ২০১৫-১৬ সালের রেকর্ড ভেঙে দেবে। আর এটাই ভয়ের বিষয়।


সারা বিশ্বেই পড়তে পারে প্রভাব
বিজ্ঞানীদের দাবি, শক্তিশালী এল নিনো বিশ্বজুড়ে আবহাওয়ার ধরন বদলে দেয়। এতে তাপপ্রবাহ, খরা, বন্যা, ফসলের ক্ষতি এবং সমুদ্রে তাপপ্রবাহের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

ভারতের ক্ষেত্রে সাধারণত শক্তিশালী এল নিনো দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুকে দুর্বল করে দেয়। যার ফলে কমতে পারে বৃষ্টি। পাশাপাশি চাষাবাদে সমস্যা হতে পারে। এমনকী আরও বিপদ হতে পারে।

 

POST A COMMENT
Advertisement