Lake town Messi Idol: মেসির মূর্তি কেন দুলছে? 'সুজিতদা তাড়া দিচ্ছিল, পা দুটো সরু হয়ে গিয়েছে,' স্বীকারোক্তি শিল্পীর

মেসির এই মূর্তিটি তৈরি করেছিলেন কুমোরটুলির শিল্পী মন্টি পাল। তিনি জানিয়েছেন, খুব অল্প সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে হওয়াতেই কিছু সীমাবদ্ধতা থেকে গিয়েছে। ‘বাংলা ডট আজতক ডট ইন’-কে মন্টি বলেন, 'মেসির পা দুটো খুব সরু হয়ে গিয়েছে। সেই কারণেই মূর্তিটা দুলছে। তবে এখন নয়, আগেও দুলত। কিন্তু এটা ভেঙে পড়ার আশঙ্কা নেই।'

Advertisement
মেসির মূর্তি কেন দুলছে? 'সুজিতদা তাড়া দিচ্ছিল, পা দুটো সরু হয়ে গিয়েছে,' স্বীকারোক্তি শিল্পীরগ্রাফিক্স
হাইলাইটস
  • লেকটাউনের ব্যস্ত মোড়ে স্থাপিত লিওনেল মেসির মূর্তি ঘিরে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে স্থানীয়দের মধ্যে।
  • হালকা হাওয়াতেই দুলতে দেখা যাচ্ছে ‘শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাব’-এর উদ্যোগে তৈরি ওই মূর্তিটিকে।

লেকটাউনের ব্যস্ত মোড়ে স্থাপিত লিওনেল মেসির মূর্তি ঘিরে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে স্থানীয়দের মধ্যে। হালকা হাওয়াতেই দুলতে দেখা যাচ্ছে ‘শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাব’-এর উদ্যোগে তৈরি ওই মূর্তিটিকে। ফলে ঝড়-বৃষ্টির সময়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী। বিশেষ করে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষের যাতায়াত থাকা গুরুত্বপূর্ণ এই মোড়ে মূর্তিটির নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

মেসির এই মূর্তিটি তৈরি করেছিলেন কুমোরটুলির শিল্পী মন্টি পাল। তিনি জানিয়েছেন, খুব অল্প সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে হওয়াতেই কিছু সীমাবদ্ধতা থেকে গিয়েছে। ‘বাংলা ডট আজতক ডট ইন’-কে মন্টি বলেন, 'মেসির পা দুটো খুব সরু হয়ে গিয়েছে। সেই কারণেই মূর্তিটা দুলছে। তবে এখন নয়, আগেও দুলত। কিন্তু এটা ভেঙে পড়ার আশঙ্কা নেই।'

শিল্পীর দাবি, সাধারণত এ ধরনের বড় মাপের মূর্তি তৈরি করতে অন্তত ছ’মাস সময় লাগে। কিন্তু এই কাজ শেষ করতে তাঁকে মাত্র ২৫ থেকে ৩০ দিন সময় দেওয়া হয়েছিল। মন্টি পালের কথায়, 'আরও সময় পেলে কাজটা আরও ভালো করা যেত। এটা একটা বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। সুজিতদা বলেছিলেন, তাই দ্রুত কাজ শেষ করতে হয়েছে।'

মূর্তিটি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া থেকে সাধারণ মানুষের মধ্যে নানা কটাক্ষও শুরু হয়েছে। এ প্রসঙ্গে শিল্পী বলেন, 'সব কাজ নিখুঁত হয় না। শিল্পকলায় প্রত্যেক শিল্পীর ভাবনা ও কাজের ধরন আলাদা।' সম্প্রতি যুবভারতীর সামনে থাকা বিতর্কিত একটি মূর্তি ভেঙে ফেলার ঘটনাও টেনে আনেন তিনি।

এদিকে, সোমবার সকালে পূর্ত দফতরের কয়েকজন আধিকারিক ঘটনাস্থলে গিয়ে মূর্তিটির অবস্থা খতিয়ে দেখেন। প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে, ফাইবার দিয়ে তৈরি হওয়ায় মূর্তির ভেতরের অংশ অনেকটাই ফাঁপা। পাশাপাশি যে বেদির উপর মূর্তিটি দাঁড়িয়ে রয়েছে, তার নির্মাণ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

স্থানীয়দের একাংশের আশঙ্কা, প্রবল ঝড় বা দমকা হাওয়ায় বড়সড় বিপদ ঘটতে পারে। যদিও এখনও পর্যন্ত মূর্তিটি সরানো বা ভাঙার বিষয়ে কোনও সরকারি সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি। তবে প্রশাসনের নজরে বিষয়টি এসেছে বলেই সূত্রের খবর।

Advertisement

 

POST A COMMENT
Advertisement