
ধেয়ে আসছে গ্রহাণু। প্রতীকী ছবিAsteroid Near Earth: মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা জানিয়েছে, ২৮ এপ্রিল বৃহস্পতিবার পৃথিবীর খুব কাছ দিয়ে যেতে চলেছে একটি বিশাল বিপজ্জনক গ্রহাণু। এই গ্রহাণুর নাম ৪১৮১৩৫ (2008 AG33)। বিজ্ঞানীরা অনুমান করেছেন যে এর ব্যাস ১,১৫০ থেকে ২,৫৬০ ফুট (৩৫০ থেকে ৭৮০ মিটার)। এই গ্রহাণুটি ২৩,৩০০ mph (৩৭,৪০০ km/h) বেগে পৃথিবীর কক্ষপথে প্রবেশ করবে। তবে বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, এই গ্রহাণু থেকে কোন বিপদ নেই, কারণ এটি শুধুমাত্র পৃথিবীর খুব কাছ দিয়ে যাবে। এই গ্রহাণুটি শব্দের গতির চেয়ে ৩০ গুণ বেশি গতিতে চলছে, যা পৃথিবী থেকে প্রায় ৩২ লাখ কিলোমিটার দূর থেকে বেরিয়ে আসবে। এটি পৃথিবী এবং চাঁদের মধ্যে গড় দূরত্বের প্রায় আট গুণ। এই দূরত্ব খুব বেশী হতে পারে. কিন্তু মহাজাগতিক মান অনুযায়ী, এই দূরত্ব আসলে খুবই কম।

NASA পৃথিবীর ১৯৩ মিলিয়ন কিলোমিটারের মধ্যে মহাকাশ থেকে আসা যেকোনো বস্তুকে 'নিয়ার-আর্থ অবজেক্ট' বলে। একই সময়ে, ৭৫ লক্ষ কিলোমিটারের মধ্যে, একটি বস্তুকে সম্ভাব্য বিপজ্জনক হিসাবে বর্ণনা করে। একবার এই বস্তুগুলি সনাক্ত করা হলে, জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা তাদের উপর ঘনিষ্ঠ নজর রাখে। এম্পায়ার স্টেট বিল্ডিংয়ের দ্বিগুণ আকারের 'সম্ভাব্য বিপজ্জনক' গ্রহাণু বৃহস্পতিবার পৃথিবীর পাশ দিয়ে যাবে। যদিও নাসার দাবি এই গ্রহাণু থেকে আপাতত বিপদের কোনওরকম সম্ভাবনা নেই। নাসার সেন্টার ফর নিয়ার আর্থ অবজেক্ট স্টাডিজ (সিএনইওএস) অনুসারে, এই গ্রহাণুটি প্রথম ১২ জানুয়ারী, ২০০৮-এ শনাক্ত করা হয়েছিল। এটি লেমন স্কাই সেন্টার অবজারভেটরির বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করেছেন। গ্রহাণুটি প্রতি সাত বছরে একবার পৃথিবীর কাছাকাছি যায়। পরের বার এটি পৃথিবীর কাছাকাছি আসবে বলা হচ্ছে ২৫মে, ২০২৯ তারিখে।
চিন্তায় বিজ্ঞানীরা
তবে মহাজাগতিক নিয়ম অনুসারে গ্রহাণুটি কিন্তু খুব বেশি দূরত্ব দিয়ে পৃথিবীর কাছ থেকে যাবে না। পৃথিবী থেকে দূর দিয়ে গেলেও অনেক আশঙ্কা থেকে যাচ্ছে। ফলে এই গ্রহাণুটির দিকে কড়া নজর রাখছেন বিজ্ঞানীরা।