scorecardresearch
 

Anwar Ali: ৫ বছর আগেই শেষ হয়ে যেত কেরিয়ার, এখন সেই আনোয়ারকে নিয়েই টানাটানি মোহনবাগান-ইস্টবেঙ্গলে

আনোয়ার আলিকে (Anwar Ali) নিয়ে চর্চার অন্ত নেই ময়দানে। শনিবার যে ডার্বি (Kolkata Derby) ম্যাচ তা যেন প্রায় ভুলেই মেরে দিয়েছেন সমর্থকরা। এখন আলোচনায় শুধুই এই স্টপার। মোহনবাগান সুপার জায়েন্টেই (Mohun Bagan Super Giant) থাকবেন তিনি? নাকি নতুন মরসুমে জার্সি বদল করে আসবেন ইস্টবেঙ্গলে (East Bengal)? তা নিয়ে জলঘোলা চলছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রোলিং, মিমের বন্যা বইছে এই পঞ্জাব তনয়কে নিয়ে। অনেকেই বলছেন, ৭০ বা ৮০-র দশকের দলবদলের কথা মনে করাচ্ছে আনোয়ার ট্রান্সফার সাগা (Anwar Ali Transfer Saga)। তবে আজ থেকে পাঁচ বছর আগেই থমকে যেতে বসেছিল আনোয়ারের স্বপ্ন। হৃদযন্ত্রে বিরল রোগ ধরা পড়ায় তাঁকে খেলতে নিষেধ করে দিয়েছিল ফেডারেশন।

Advertisement
আনোয়ার আলি আনোয়ার আলি

আনোয়ার আলিকে (Anwar Ali) নিয়ে চর্চার অন্ত নেই ময়দানে। শনিবার যে ডার্বি (Kolkata Derby) ম্যাচ তা যেন প্রায় ভুলেই মেরে দিয়েছেন সমর্থকরা। এখন আলোচনায় শুধুই এই স্টপার। মোহনবাগান সুপার জায়েন্টেই (Mohun Bagan Super Giant) থাকবেন তিনি? নাকি নতুন মরসুমে জার্সি বদল করে আসবেন ইস্টবেঙ্গলে (East Bengal)? তা নিয়ে জলঘোলা চলছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রোলিং, মিমের বন্যা বইছে এই পঞ্জাব তনয়কে নিয়ে। অনেকেই বলছেন, ৭০ বা ৮০-র দশকের দলবদলের কথা মনে করাচ্ছে আনোয়ার ট্রান্সফার সাগা (Anwar Ali Transfer Saga)। তবে আজ থেকে পাঁচ বছর আগেই থমকে যেতে বসেছিল আনোয়ারের স্বপ্ন। হৃদযন্ত্রে বিরল রোগ ধরা পড়ায় তাঁকে খেলতে নিষেধ করে দিয়েছিল ফেডারেশন।

তবে দমে যাননি ভারতের হয়ে অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপ খেলা এই ফুটবলার। ২০১৮ সালে তিনি মুম্বই সিটি (Mumbai City FC) দলে যোগ দিয়েছিলেন। কিন্তু, ওই একই বছরে মুম্বইয়ে একটি মেডিক্যাল পরীক্ষার সময় তাঁর হৃদযন্ত্রে বিরল রোগ ধরা পড়ে। চিকিরসার পরিভাষায় এটিকে বলা হয় হাইপারট্রফিক কার্ডিয়োমায়োপ্যাথি। এই রোগে বেড়ে যায় হৃদযন্ত্রের ওজন। ফেডারেশন তাঁকে খেলার অনুমতি না দেওয়ায় তিনি চলে যান আদালতে। পাশাপাশি চলতে থাকে চিকিৎসাও। ফ্রান্সের রেনে শহরে আনোয়ার আলিকে পাঠানো হয়েছিল। পাশাপাশি মুম্বইয়েও বেশ কিছুদিন ধরে চলে তাঁর চিকিৎসা। সুস্থ হওয়ার পাশাপাশি আইনি লড়াইয়েও জয় পান এই ডিফেন্ডার।

তবে দিল্লি হাইকোর্টের হলফনামায় তাঁকে এই কথা স্বীকার করতে হয়, খেলা চলাকালীন যদি কোনও দুর্ঘটনা ঘটে যায়, সেক্ষেত্রে তার দায় একান্তই আনোয়ারের। আর কেউ এক্ষেত্রে দায়বদ্ধ থাকবেন না। আসলে নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে উঠে আসা আনোয়ারই ছয় জনের পরিবারের একমাত্র রোজগেরে সদস্য। ফলে তাঁর পক্ষে খেলা চালিয়ে যাওয়া ছাড়া অন্য কোনও উপায় ছিল না। সেই সময় তিনি জানিয়েছিলেন, দরকার হলে খেপ খেলবেন। মরতে হলে মাঠেই মরবেন। সেই ভিডিও দেখে চোখে জল চলে এসেছিল ফুটবল প্রেমীদের। 

আরও পড়ুন

Advertisement

গোটা ঘটনায় যিনি পাশ থেকে সমস্ত সাহায্য করে গিয়েছেন তিনি রঞ্জিত বাজাজ (Ranjit Bajaj)। শুরু থেকেই এই ফুটবল কর্তা আইনি লড়াই লড়েছেন আনোয়ারের জন্য। আজও এই ট্রান্সফার জটিলতার মধ্যে আনোয়ারের ভরসা তিনিই। ফেডারেশনের প্লেয়ার স্টেটাস কমিটিতে ঘটনাটা যাওয়ার আগে অবধি আড়াল থেকে গোটা বিষয়টা রঞ্জিতই পরিচালনা করেছেন বলে শোনা যাচ্ছে। যদিও তিনি নিজে এ ব্যাপারে আর মুখ খুলতে নারাজ।

একটা সময় যে আনোয়ারের পা থেকে ফুটবলটাই কেড়ে নেওয়া হচ্ছিল, এখন সেই আনোয়ারকে নিয়েই চলছে দড়ি টানাটানি। সোশ্যাল মিডিয়ায় যা ট্রেন্ডিং। সময় বড় অদ্ভুত জিনিস।          

Advertisement