Bengal Footballers: সন্তোষ জিতে পুলিশের চাকরি পাওয়াই 'কাল' হল? পালাবদলে বেনজির সমস্যায় বাংলার ফুটবলাররা

সন্তোষ ট্রফি ২০২৪-২৫ মরসুমে কোচ সঞ্জয় সেনের  কোচিং-এ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল বাংলা। আনন্দ-উৎসব, একাধিক সংবর্ধনা, রবি হাঁসদাদের স্বপ্নের মতো কেটেছিল সেই সময়টা। চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর তৎকালীন রাজ্য সরকারের অধীনে ২১ জন ফুটবলারকে চাকরি দিয়েছিলেন। তবে সেই চাকরিই এখন প্রশ্নের মুখে। কারণ, পুলিশের চাকরি কোর্টে হলে, পেশাদার কোনও ক্লাবে খেলা যাবে না। এমনটাই জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

Advertisement
সন্তোষ জিতে পুলিশের চাকরি পাওয়াই 'কাল' হল? পালাবদলে বেনজির সমস্যায় বাংলার ফুটবলাররাসন্তোষ জেতা বাংলার ফুটবলাররা
হাইলাইটস
  • পুলিশ দলেই খেলতে হবে চাকরি পাওয়া ফুটবলারদের
  • কলকাতা লিগের আগে সমস্যায় তাঁরা

সন্তোষ ট্রফি ২০২৪-২৫ মরসুমে কোচ সঞ্জয় সেনের  কোচিং-এ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল বাংলা। আনন্দ-উৎসব, একাধিক সংবর্ধনা, রবি হাঁসদাদের স্বপ্নের মতো কেটেছিল সেই সময়টা। চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর তৎকালীন রাজ্য সরকারের অধীনে ২১ জন ফুটবলারকে চাকরি দিয়েছিলেন। তবে সেই চাকরিই এখন প্রশ্নের মুখে। কারণ, পুলিশের চাকরি কোর্টে হলে, পেশাদার কোনও ক্লাবে খেলা যাবে না। এমনটাই জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

কলকাতা পুলিশে অ্যাসিস্ট্যান্ট সাব-ইন্সপেক্টর পদে সরাসরি চাকরি দেওয়া হয়েছিল ইস্রাফিল-মনোতোষদের। চ্যাম্পিয়ন হওয়ার মাত্র আট দিনের মাথায় ধনধান্য প্রেক্ষাগৃহে এক বিশেষ অনুষ্ঠানে রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত থেকে ফুটবলাররা নিয়োগপত্র পেয়েছিলেন। সেই সময় অবশ্য ফুটবলারদের সরকারের তরফে আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল, খেলাটাই হোক তাদের মূল পরিচয়। চাকরির চাপে তারা যেন খেলা থেকে দূরে সরে না যান। নিজেদের পছন্দমতো ক্লাবে খেলার ছাড়পত্র পেয়েছিলেন তারা।

বর্তমানে রাজ্য-রাজনীতিতে বদল ঘটেছে। এরপরই কিছুটা ব্যাঘাত ঘটেছে সন্তোষজয়ী বাংলার ফুটবলারদের নিজেদের ইচ্ছামতো ক্লাব বেছে নেওয়ার স্বাধীনতায়। নতুন নির্দেশ অনুযায়ী, এই ফুটবলারদের খেলতে হবে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ ফুটবল দলে। 

কলকাতা লিগের প্রথম ডিভিশনের দল পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ। আপাতত এই দলের সঙ্গেই ব্যারাকপুর লাটবাগানের মাঠে অনুশীলন করছেন ফুটবলাররা। প্রিমিয়ার ডিভিশনের ক্লাবে চুক্তি থাকলেও তাদের খেলার অনুমতি নেই। সন্তোষজয়ী ফুটবলারদের মধ্যে প্রায় প্রত্যেকেরই চুক্তি রয়েছে আইএসএল-আইলিগ কিংবা কলকাতা লিগের প্রিমিয়ার ডিভিশনের ক্লাবগুলিতে। মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের হয়ে শেষ কয়েকটি আইএসএল ম্যাচে দেখা যায়নি ইস্রাফিল দেওয়ানকে। পুলিশের অনুশীলনে হাজির থাকতে হয়েছিল তাঁকে। ফলে আইএসএলে খেলার অনুমতি মেলেনি। ইস্টবেঙ্গল রিজার্ভ দলের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ মনোতোষ মাঝি। 

ডায়মন্ড হারবার এফসির ফুটবলার আইলিগ জয়ী রবিলাল মান্ডি, সুপ্রদীপ হাজরা, রুহুল পুরকাইতদেরও সুযোগ রয়েছে আইএসএলের স্কোয়াডে থাকার। এছাড়াও অন্যান্য ফুটবলারদেরও বিভিন্ন দলের সঙ্গে চুক্তি রয়েছে অথবা চুক্তির কথাবার্তা পাকা হয়ে গিয়েছিল। এই পরিস্থিতিতে বেজায় মুশকিলে পড়েছেন ফুটবলাররা। সূত্রের খবর, মঙ্গলবার নাগাদ ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেলকে (ডিআইজি) সম্মিলিত ভাবে চিঠি দিয়েছেন ফুটবলাররা। 

Advertisement

চিঠিতে অনুরোধ করে ফুটবলাররা জানিয়েছেন, তাদের চুক্তির মেয়াদ সম্পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত যেন সংশ্লিষ্ট ক্লাবে তারা খেলতে পারে। চুক্তি শেষ হলেই তারা আবার পুলিশ দলে যোগ দেবেন। এখনও পর্যন্ত, সেই চিঠির কোনও উত্তর পাননি ফুটবলাররা। এই বিষয়ে আইএফএ সচিব অনির্বাণ দত্তর বক্তব্য, 'সন্তোষজয়ীদের প্রথম ডিভিশনে খেলতে হলে খুবই হতাশাজনক। তারা কীভাবে আর আইএসএল পর্যায়ে যাবে তাহলে! ক্রীড়ামন্ত্রীর সঙ্গে আমার এখনও কথা হয়নি, দ্রুত বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করব।'

POST A COMMENT
Advertisement