ইস্টবেঙ্গল ক্লাব বিনিয়োগকারী সংস্থা ইমামির সঙ্গে এখনও চুক্তি হয়নি ইস্টবেঙ্গলের। ফলে ফুটবলারদের সঙ্গে কথা বলেও তাদের সই করাতে পারছেন না ইস্টবেঙ্গল ক্লাব কর্তারা। থমকে রয়েছে দল গঠনের কাজ। এখনও চুক্তি পত্র ক্লাবে পাঠায়নি ইমামি। ফলে ক্লাব কর্তারাও তা দেখেননি। চুক্তিপত্র পাঠানোর পর তা খতিয়ে দেখবেন ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। প্রয়োজনে আইনজ্ঞদের পরামর্শ নেবেন লাল-হলুদ কর্তারা। তারপর সই করবেন তাঁরা। যদিও শোনা যাচ্ছে, দুই পক্ষের আইনজীবীরা এক সঙ্গে বসে চুক্তির খসড়া তৈরি করেছেন। তবুই তা না দেখে সই করবেন না কর্তারা।
ইতিমধ্যেই দুই বার ইমামি কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। তবে সেই বৈঠকে চুক্তি বা শেয়ারের শতাংশ নিয়ে কথা হয়নি বলেই দাবি দুই পক্ষের। যদিও এটা ঠিক হয়েছে, জে শুধুই ফুটবল রাইটস পাবে ইমামি। এই মরশুমে সময় যেহেতু অনেকটাই কম তাই ক্লাব কর্তারাই দল তৈরি করবেন। তবে এখানেই সমস্যা হয়ে গিয়েছে। ফুটবলাররা আসতে চাইছেন না চুক্তি জটের কারণে। ফলে সমস্যা বাড়ছে।
মঙ্গলবারই শহরে এসেছেন ইমামির এক কর্তা। লাল-হলুদ কর্তাদের আশা তাঁর সঙ্গে কথা বলে দ্রুত চুক্তিপত্র পাঠিয়ে দেবেন ইমামি কর্তারা। তারপর সেই চুক্তি খতিয়ে দেখে সই করবেন ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। তবে এই প্রক্রিয়ায় কতটা সময় লাগবে তা এখনই বলা যাচ্ছে না।
আরও পড়ুন: কিংবদন্তি পুসকাসের গোল-রেকর্ডও ছুঁয়ে ফেললেন সুনীল
চুক্তি জটের কারণে ইতিমধ্যেই গোলরক্ষক বিশাল কাইত হাতছাড়া হয়েছেন। হয়ত এটিকে মোহনবাগানে যোগ দেবেন তিনি। একজন ভাল মানের গোলরক্ষক দরকার ইস্টবেঙ্গলের। আর তাই চেন্নাইয়েনের প্রাক্তন গোলকিপারকে নিতে চেয়েছিল লাল-হলুদ ক্লাব। একই ভাবে জেরি লালরিনজুয়ালার সঙ্গে কথাবার্তা হলেও চুক্তি জটে আটকে সেই প্রক্রিয়াও। এখন দেখার কবে ইস্টবেঙ্গলের সমস্যা মেটে এবং নতুন ফুটবলার সই করাতে পারে। সময় চলে যাচ্ছে, তাই দ্রুত কাজ সারতে হবে। নয়ত ভাল মানের ফুটবলার হাতছাড়া হবে। ফলে ফের ব্যর্থতাই সঙ্গী হতে পারে ক্লাবের।