
রোহিত শর্মার ক্যাচ মিস, অক্ষর প্যাটেলের হ্যাটট্রিক হতে দিল না। নয়ত বাংলাদেশের বিরুদ্ধে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির প্রথম ম্যাচেই রেকর্ড গড়া হয়ে যেত বাঁ হাতি স্পিনার। তবে ক্যাপ্টেনের ভুলেই তা হল না। এই ক্যাচের আগের বলেই ৫ উইকেট হারিয়ে ফেলে বাংলাদেশ। এই উইকেট পেলে টাইগারদের মাত্র ১০০ রানেই বেঁধে রাখার চেষ্টাটা সফল হতে পারত।
তাঁর যে এই সহজ ক্যাচটা নেওয়া উচিত ছিল তা সঙ্গে সঙ্গে উপলব্ধি করেছেন ক্যাপ্টেন। তিনবার মাটিতে হাত আছড়ে বুঝিয়ে দিয়েছেন নিজের উপরেই কতটা বিরক্ত রোহিত। হাত দেখিয়ে সতীর্থ অক্ষরের কাছে ক্ষমাও চেয়ে নেন তিনি। পরের ওভারেও রোহিতকে হতাশায় মাথা নাড়তে দেখা যায়। এদিন টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। মহম্মদ শামির প্রথম ওভার থেকেই নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট হারাতে থাকে বাংলাদেশ।
নবম ওভারে ঘটে এই ঘটনা। ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠা তানজিদ হাসান ২৫ রান করে আউট হন দ্বিতীয় বলে। আম্পায়ারও প্রথমে আউট দেননি। বুঝে উঠতে না পেরে আপিল করেননি স্বয়ং অক্ষরও। কেএল রাহুল ক্যাচ ধরেই চিল্লিয়ে ওঠেন উত্তেজনায়। সকলেই ভেবেছিলেন তানজিদ নিজেই বেরিয়ে যাবেন। তা না হওয়ায় আম্পায়ার আউট তুলে দেন। এরপরেও কিছু সময় অপেক্ষা করেন তিনি। শেষে বেরিয়ে যান।
পরের বলেই ফের মুশফিকুর রহিমের (০) উইকেট শিকার করে নেন। চতুর্থ বলটা ফেস করেছিলেন জাকের আলি। বলটা তাঁর ব্যাটের কানা লেগে স্লিপ অঞ্চলে চলে যায়। সেখানে দাঁড়িয়ে ছিলেন রোহিত শর্মা। একেবারে লোপ্পা ক্যাচ তাঁর জোড়া তালুর মধ্যে চলে আসে। কিন্তু, তাড়াহুড়ো করতে গিয়ে রোহিত শেষ পর্যন্ত বলটা হাতছাড়া করেন।
ম্যাচে ভারতের একাদশ: রোহিত শর্মা (অধিনায়ক), শুভমান গিল, বিরাট কোহলি, শ্রেয়স আইয়ার, কেএল রাহুল (উইকেটরক্ষক), হার্দিক পান্ডিয়া, অক্ষর প্যাটেল, রবীন্দ্র জাদেজা, কুলদীপ যাদব, মহম্মদ শামি, হর্ষিত রানা।
বাংলাদেশ একাদশ: তানজিদ হাসান, সৌম্য সরকার, নাজমুল হোসেন শান্ত (অধিনায়ক), তৌহিদ হৃদয়, মুশফিকুর রহিম (উইকেটরক্ষক), মেহেদী হাসান মিরাজ, জাকের আলী, রিশাদ হোসেন, তানজিম হাসান সাকিব, তাসকিন আহমেদ, মুস্তাফিজুর রহমান।