পাকিস্তানের সঙ্গে আগামী ৫ বছর কোনও ক্রিকেট সিরিজ নয়ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক ক্রিকেট সিরিজের (India vs Pakistan Bilateral Series) অপেক্ষায় থাকা ভক্তদের জন্য বড় ধাক্কা। গত দশ বছরে দুই দলের মধ্যে কোনও দ্বিপাক্ষিক সিরিজ হয়নি। কিন্তু এখন আগামী পাঁচ বছরও ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে সিরিজ হওয়াও সম্ভব নয়। ২০২৩-২০২৭ সাল পর্যন্ত ক্রীড়াসূচি সমস্ত রাজ্য অ্যাসোসিয়েশনগুলিতে পাঠিয়েছে বিসিসিআই (BCCI)। সেই ফিউচার ট্যুর প্রোগ্রামে (Future Tour Program) পাকিস্তান (Pakistan) কলামটি ফাঁকা রাখা হয়েছে। সেই অনুযায়ী অস্ট্রেলিয়া (Aus) ও ইংল্যান্ডের (Eng) বিরুদ্ধে আরও ম্যাচ খেলবে ভারতীয় দল। প্রতি বছর টেস্ট এবং সীমিত ওভারের সিরিজের সূচিও রয়েছে তালিকায়।
ভারতীয় দল আগামী পাঁচ বছরে ৩৮টি টেস্ট (২০টি হোম, ১৮টি বিদেশে), ৪২টি ওয়ানডে (২১টি হোম, ২১টি বিদেশে), ৬১টি টি-টোয়েন্টি (৩১টি হোম, ৩০টি বিদেশে) ম্যাচ খেলবে। ভারত সরকারের অনুমোদন না পাওয়া পর্যন্ত বিসিসিআই পাকিস্তানের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলার বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারবে না।
আরও পড়ুন:Bowbazar Houses Cracks: 'ভোররাতে দেখলাম বড় বড় চিড় দেওয়ালে,' কালীপুজোর মুখে ফিরল আতঙ্ক
শেষ ভারত-পাকিস্তান সিরিজ কবে অনুষ্ঠিত হয়েছিল?
প্রায় ১০ বছর ধরে ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে কোনও দ্বিপাক্ষিক সিরিজ হয়নি। পাকিস্তান দল শেষবার ভারত সফর করেছিল ২০১২-১৩ সালে। এরপর দুই দলের মধ্যে তিনটি ওয়ানডে ও দুটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচের সিরিজ ছিল। পাকিস্তান দল ওয়ানডে সিরিজ ২-১ ব্যবধানে জিতেছিল, টি-টোয়েন্টি সিরিজ ১-১ ব্যবধানে ড্র হয়। এরপর থেকে আইসিসি টুর্নামেন্টেই (ICC Tournaments) দুই দলকে একে অপরের বিরুদ্ধে ম্যাচ খেলতে দেখা যায়।
এবার কম ম্যাচ হবে: তবে এবার আগের তুলনায় দ্বিপাক্ষিক সিরিজে কম ম্যাচ খেলবে ভারতীয় দল। টিম ইন্ডিয়া গত পাঁচ বছরে দ্বিপাক্ষিক সিরিজের অধীনে ১৬৩টি ম্যাচ খেলেছে, আগামী পাঁচ বছরে ১৪১টি ম্যাচ খেলতে হবে। ম্যাচ কমে যাওয়ার মূল কারণ হল আইসিসি ইভেন্টগুলি (ICC Events) প্রতি বছর হচ্ছে এবং ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (IPL) চলার সময় বাড়ছে।
অস্ট্রেলিয়া-ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে বেশি ম্যাচ হবে: বিসিসিআই সেক্রেটারি জয় শাহ তাঁর সার্কুলারে জানিয়েছেন যে ম্যাচের সংখ্যা হয়ত কমানো হয়েছে, কিন্তু মান বাড়ানো হয়েছে। অর্থাৎ অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে আরও বেশি ম্যাচ খেলবে ভারতীয় দল। প্রতি দুই বছর পর পর উভয় দলের বিপক্ষে ৫ ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলা হবে। এর মধ্যে একটি হোম সিরিজ। অস্ট্রেলিয়া এবং ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রতি বছর অবশ্যই টেস্ট বা সীমিত ওভারের সিরিজ হবে।