বিরাট কোহলি ও রভম্যান পাওয়েলদলের ফিল্ডিং নিয়ে চিন্তায় কলকাতা নাইট রাইডার্স। রভম্যান পাওয়েল ও বৈভব আরোরা ক্যাচ মিস করেন। বিরাট কোহলির ক্যাচ মিস হওয়াই এর অন্যতম প্রধান কারণ বলে মনে করছেন কোচ অভিষেক নায়ার। ম্যাচ শেষ হওয়ার পরে এ কথা স্বীকার করে নেন নাইট কোচ।
রোভম্যান পাওয়েল ২১ রানের মাথায় বিরাট কোহলির ক্যাচ মিস করেন। তবে সেখানেই শেষ নয়, বৈভব অরোরা ২২ রান করে দেবদত্ত পাডিক্কলের ক্যাচ মিস করেছে। এবারের আইপিএল-এ এই ম্যাচের আগে সবচেয়ে কম ক্যাচ মিস করেছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। আইপিএল-এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে হতাশ অভিষেক। তিনি বলেন, 'বিরাট কোহলির ক্যাচ মিস করলে, বিশেষ করে রান তাড়া করার সময় তা হলে খুব সমস্যার হয়ে যায়।'
তবে শুধু বিরাটের ক্যাচ নয়, অভিষেকের দাবি, আরও কিছু ছোট ছোট মুহূর্ত রয়েছে, যা ম্যাচটা আরসিবি-র দিকে নিয়ে গিয়েছে। তবে দলের ব্যাটিং নিয়ে কোনও সমস্যা নেই বলে জানিয়েছেন অভিষেক। তিনি বলেন, 'আমি আগেই যেমনটা বলেছি, এই পিচে স্কোরটা ঠিকঠাকই ছিল। আরও অনেক কিছু ভালো হতে পারত। বিরাটের ক্যাচটা খুব কঠিন ছিল। আংকৃশের ক্যাচটা সে ধরবে, এটাই আশা করা যায়।'
বরুণের অনুপস্থিতি কেকেআরের বোলিং পরিকল্পনাকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। কেকেআর কোচ আরও উল্লেখ করেছেন যে, পায়ের আঙুলের চোটের কারণে ম্যাচে খেলতে না পারা বরুণ চক্রবর্তীর অনুপস্থিতিও দলের জন্য একটি বড় ধাক্কা। দিনশেষে ক্রিকেট এভাবেই চলে। যদি আমরা আরও ১০-১৫ রান করতে পারতাম, হয়তো খেলার মোড় ঘুরে যেত। যদি ওই ক্যাচগুলো ধরা পড়ত, হয়তো খেলার মোড় ঘুরে যেত। যদি বরুণ চক্রবর্তী খেলত, হয়তো খেলার মোড় ঘুরে যেত।
নায়ার স্বীকার করেছেন যে, কেকেআর চক্রবর্তী ও সুনীল নারিনের স্পিন জুটির ওপর কতটা নির্ভরশীল। এটা সর্বজনবিদিত যে সানি-বরুণ জুটিকে নিয়ে আমরা বেশ ভালো খেলেছি। দুর্ভাগ্যবশত, এই মরসুমে আমরা তাকে খুব মিস করেছি। এই নিয়ে দ্বিতীয়বার তার হাড় ভাঙল , যা তার জন্য দুর্ভাগ্যজনক। বরুণ চক্রবর্তীকে সবসময়ই মনে পড়বে। পরাজয় সত্ত্বেও নায়ার বলেন যে, কেকেআরের করা ১৯২/৪ রানের সংগ্রহটি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ছিল এবং শুরুর দিকের বিপদ থেকে দলকে ঘুরে দাঁড়াতে সাহায্য করার জন্য তিনি তরুণ অঙ্গকৃষ্ণ রঘুবংশীকে কৃতিত্ব দেন।
ইনিংসের মাঝপথে আমাদের মনে হয়েছিল, ১৮০ থেকে ২০০ রানের মধ্যে যেকোনো স্কোরই ভালো হবে। শিশিরও ছিল না, তাই সেটাও কোনো সমস্যা ছিল না। আরসিবি-র উচ্চমানের পেস আক্রমণের বিপক্ষে রঘুবংশীর স্থিরতায় নায়ার বিশেষভাবে মুগ্ধ হয়েছিলেন, এবং হতাশাজনক সেই রাতে কেকেআরের জন্য কয়েকটি ইতিবাচক দিকের মধ্যে অন্যতম ছিল এই তরুণের অপরাজিত ৭১ রানের ইনিংসটি।