মোহনবাগানকঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে মোহনবাগান সুপার জায়েন্ট। শেষ তিন ম্যাচে মোট ৭ পয়েন্ট হারিয়েছে তাঁরা। স্বাভাবিকভাবেই পঞ্জাব ম্যাচে নামার আগে খুব ফুরফুরে মেজাজে নেই সবুজ-মেরুন শিবির। দলের ভেতরে চাপ থাকলেও বাইরে তা প্রকাশ পেতে দিচ্ছেন না কোচ সার্ভিও লোবেরা।
বরং ঘুরে দাঁড়ানোর একমাত্র পথ হিসেবে তিনি বেছে নিয়েছেন আক্রমণত্মক ফুটবলকেই। ঘরের মাঠে সমর্থকদের সামনে জয় ফিরতে মরিয়া গোটা দল। ম্যাচের আসে সাংবাদিক সম্মেলনে লোবেরা স্পষ্ট করে দেন সমস্যার জায়গা কোথায়। 'গোল করতে না পারার জন্যই আমরা পয়েন্ট হারিয়েছি, বিশেষ করে বেঙ্গালুরু এবং জামশেদপুর ম্যাচে। দিমি যদি গোল করতে পারত, আমরা পুরো পয়েন্ট পেতাম,' বলছেন লোবেরা।
সেট পিস থেকেও আগের মতো ফল না পাওয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই কোচ বলেন, 'গোল করাটাই আসল বিষয়। আমাদের এই জায়গায় আরও উন্নতি করতে হবে। সেটপিসেও উন্নতি প্রয়োজন। মুম্বই ম্যাচে প্রচুর সেটপিস পেয়েও আমরা গোল করতে পারিনি, সেদিকে সময় দিতে হবে।
সাহালের দলে অন্তর্ভুক্তি নিয়ে মোহনবাগান কোচের বক্তব্য, 'সাহাল আমার খুব পছন্দের ফুটবলার। আমি যবে থেকে ভারতে কোটিং করিয়েছি, ওর কোচ হতে চেয়েছি। কিন্তু দুর্ভাগ্য, পদে বসেও ওকে খেলানোর জায়গা খুঁজে পাচ্ছি না। কার জাগায় খেলব, সেটা বড় প্রশ্ন। মোহনবাগানের মাঝামাদের অন্যতম নির্ভরযোগ্য ফুটবলার আপপুইয়া অনুশীলনে চোট পেয়েছেন। পস্তাব ম্যাচে তিনি খেলতে পারবেন না-এই বিষয়েও শিলমোহর দেন কোচ। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষ পঞ্জাব এএফসিও মানসিকভাণে প্রজত। তাদের কোচ স্বীকার করেছেন, মোহনবাগান শক্তিতে অনেকটাই এগিয়ে। তবে চালেঞ্জ নিতে পিছপা নন তিনি।
ফলে হাড্ডাহাড্ডি ল্রাইয়ের আশা করছেন সকলেই। রবিবার সন্ধ্যার ম্যাচ জিততে পারলে ১৭ নপ্যেন্ট পৌঁছে যাবে দল। যদিও ২ ন্মবর থেকে এক নম্বরে উঠে আসতে গেলে মুম্বইকে ফের পয়েন্ট নষ্ট করতে হবে। আর সেটাই চাইছেন ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগান ফ্যানরা। কারণ ইতিমধ্যেই চেন্নাইয়েন এফসি-কে ৩-১ গোলে হারিয়ে তিন নম্বরে উঠে এসেছে ইস্টবেঙ্গল। অন্যদিকে বেঙ্গালুরু এফসি হেরে যাওয়ায় আরও সুবিধা হয়েছে বাংলার দুই প্রধানের। এখন থেকে সব ম্যাচ জিততে পারলে ট্রফি নিশ্চিত। সেটা বুঝে গিয়েছেন দুই দলের ফুটবলাররাই। ইস্টবেঙ্গল লড়াইয়ে ফেরত এসেছে। আজ মোহনবাগানও সেই লড়াইয়ে ফেরত আসতে পারে কিনা সেটাই দেখার।