Sayan Banerjee, East Bengalইস্টবেঙ্গলের হয়ে দাপটের সঙ্গে খেলা সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রস্তাব দিল জামশেদপুর এফসি। তাঁর সঙ্গে ইস্টবেঙ্গলের ২০২৬ পর্যন্ত চুক্তি রয়েছে। জামশেদপুর এফসিকে যদি সায়নকে পেতে হয় তা হলে মোটা অঙ্কের ট্রান্সফার ফি দিতে হবে। তবে কার্লেস কুয়াদ্রাতও চাইবেন না এই তরুণ প্রতিভাবান ফুটবলারকে ছেড়ে দিতে। তাই জামশেদপুরকে ঠেকাতে টাকার অঙ্ক বাড়াতে পারে লাল-হলুদ। এমনটাই সূত্রের খবর।
২১ বছর বয়সী এই মিডফিল্ডার ইন্ডিয়ান সুপার লিগ ও সুপার কাপে দারুণ ফুটবল খেলে সকলের নজর কেড়েছেন। আট ম্যাচে তাঁর এক গোলও রয়েছে। কালিঘাট মিলন সংঘ থেকে উঠে এসেছেন আসানসোলের এই তারকা। সেখান থেকে যোগ দেন ইস্টবেঙ্গলের রিজার্ভ দলে। মূলত কলকাতা লিগে দারুণ ফুটবল খেলায় তাঁকে সই করায় লাল-হলুদ। আইএসএল শুধু নয়, লাল-হলুদের হয়ে ডেভলপমেন্ট লিগেও খেলেছেন সায়ন। তবে সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছেন সুপার কাপে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে ম্যাচে। তাঁর নাছোড় মনোভাব ও বাঁ দিক থেকে উঠে এসে মাপা ক্রস গোলের দরজা খুলে দিতে পারে। তা আন্দাজ করেই জামশেদপুর কর্তারা এই বাঙালি ফুটবলারকে অফার করেছেন।
এদিকে কেরলের প্রাক্তন স্ট্রাইকার দিমিত্রিয়াস ডিমানটাকোসকে সই করানোর দিক থেকে অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছে লাল-হলুদ। সেই লড়াইয়ে তারা আবার পেছনে ফেলে দিয়েছে মুম্বই সিটি এফসিকে। যদিও কিছুই এখনও চূড়ান্ত করে বলার মতো সময় আসেনি। সোশ্যাল মিডিয়াতে দীর্ঘ পোস্ট করে কেরালা ছাড়ার ঘোষণা করলেও, নিজের পরবর্তী ক্লাব নিয়ে একটাও শব্দ খরচ করেননি তিনি। গত কয়েক মরশুম ধরেই স্ট্রাইকারের সমস্যায় ভুগছে ইস্টবেঙ্গল। ক্লেটন সিলভার বয়স হয়েছে। তাই আরও একজন বিদেশি স্ট্রাইকারের খোঁজে ছিলেন লাল-হলুদের স্প্যানিশ কোচ কার্লেস কুয়াদ্রাত। হাতে একাধিক বিদেশি স্ট্রাইকারের জীবনপঞ্জি থাকলেও, কুয়াদ্রাত এমন একজনকে চাইছেন, যিনি ভারতীয় ফুটবলে ইতিমধ্যেই সাফল্য পেয়েছেন। ফলে দিয়ামান্তাকোস-ই কুয়াদ্রাতের প্রথম পছন্দ।
এদিকে জানা যাচ্ছে, ইতিমধ্যেই অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার মাদিহ তালালকে পাকা করে ফেলেছে ইস্টবেঙ্গল। ক্লেটন ছাড়াও ধরে রাখা হয়েছে সাউল ক্রেসপো এবং হিজাজি মাহেরকে। এবার দিয়ামান্তাকোসকে পেলে লাল-হলুদের শক্তি যে কয়েক গুণ বেড়ে যাবে, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই।