হঠাৎ মোহনবাগানের সহ সভাপতির পদ ছাড়লেন TMC-র কুণাল ঘোষ, কেন?

মোহনবাগান ক্লাবের সহসভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দিলেন তৃণমূল কংগ্রেস নেতা ও বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ। নিজের এক্স (X) হ্যান্ডেলে ইস্তফাপত্র পোস্ট করে তিনি এই সিদ্ধান্তের কথা জানান। ক্লাবের সভাপতি দেবাশিস দত্তকে পাঠানো সেই চিঠি সমাজমাধ্যমে প্রকাশ্যে আসতেই সবুজ-মেরুন শিবিরে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।

Advertisement
হঠাৎ মোহনবাগানের সহ সভাপতির পদ ছাড়লেন TMC-র কুণাল ঘোষ, কেন?কুণাল ঘোষ
হাইলাইটস
  • সোমবার বিকেলেই বাংলার রাজনৈতিক ও ক্রীড়া মহলে চমক ছড়াল এক বড় ঘটনা।
  • মোহনবাগান ক্লাবের সহসভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দিলেন তৃণমূল কংগ্রেস নেতা ও বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ।

সোমবার বিকেলেই বাংলার রাজনৈতিক ও ক্রীড়া মহলে চমক ছড়াল এক বড় ঘটনা। মোহনবাগান ক্লাবের সহসভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দিলেন তৃণমূল কংগ্রেস নেতা ও বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ। নিজের এক্স (X) হ্যান্ডেলে ইস্তফাপত্র পোস্ট করে তিনি এই সিদ্ধান্তের কথা জানান। ক্লাবের সভাপতি দেবাশিস দত্তকে পাঠানো সেই চিঠি সমাজমাধ্যমে প্রকাশ্যে আসতেই সবুজ-মেরুন শিবিরে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।

তবে কুণাল ঘোষ স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, এই সিদ্ধান্তের পিছনে কোনও রাজনৈতিক চাপ বা ক্লাবের অভ্যন্তরীণ বিরোধ নেই। সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত কারণেই তিনি পদত্যাগ করেছেন বলে দাবি তাঁর।

 

এক্স হ্যান্ডেলে আবেগঘন বার্তা
ইস্তফার কথা জানিয়ে কুণাল ঘোষ লেখেন, 'প্রিয় মোহনবাগান ক্লাবের সহসভাপতি পদ থেকে ইস্তফা দিলাম। ব্যক্তিগত কারণ। কেউ আমাকে এ বিষয়ে কিছু বলেননি। দু’দফায় এই ঐতিহ্যশালী ক্লাবের সহসভাপতি হতে পেরে আমি ধন্য।'

চিঠির সঙ্গে তিনি দুটি ছবিও শেয়ার করেন। একটি ১৯৮৫ সালের, যেখানে তরুণ বয়সে বন্ধুদের সঙ্গে মোহনবাগান মাঠে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যাচ্ছে তাঁকে। অন্যটি ২০২৫ সালের স্কটল্যান্ডে তোলা ছবি, যেখানে তাঁর পরনের পোশাকে মোহনবাগান সমর্থনের ছাপ স্পষ্ট। পাশাপাশি তিনি ক্লাব সভাপতির উদ্দেশে লেখা ইস্তফাপত্রও পোস্ট করেন।

‘জ্ঞান হওয়ার পর থেকেই মোহনবাগান’
ইস্তফাপত্রে ক্লাবের প্রতি নিজের গভীর আবেগের কথা তুলে ধরেন কুণাল ঘোষ। তিনি লেখেন, ছোটবেলা থেকে গ্যালারিতে বসে মোহনবাগানের খেলা দেখা তাঁর জীবনের অংশ। ক্লাব যখন একসময় সাসপেনশনের মুখে পড়েছিল, তখন সমর্থকদের সঙ্গে মিলে আন্দোলনে সক্রিয় থাকার কথাও স্মরণ করেন তিনি।

তিনি আরও জানান, দুই দফায় সহসভাপতির দায়িত্ব পালন করতে পারা তাঁর কাছে গর্বের বিষয়। তাঁর উদ্যোগে ক্লাবে ‘স্পোর্টস লাইব্রেরি’ চালু হওয়ায় সভাপতিকে ধন্যবাদও জানান তিনি। পদ ছাড়লেও আজীবন মোহনবাগানের সমর্থক ও সদস্য হিসেবে ক্লাবের পাশে থাকবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন কুণাল ঘোষ।

হোয়াটসঅ্যাপে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত
চিঠির শেষে তিনি উল্লেখ করেন, ২৫ মে, ২০২৬ তারিখে পাঠানো হোয়াটসঅ্যাপ বার্তাকেই তাঁর চূড়ান্ত ইস্তফা হিসেবে গ্রহণ করা হোক। সভাপতি দেবাশিস দত্ত এবং সচিব সৃঞ্জয় বসুর নেতৃত্বে ক্লাব আরও এগিয়ে যাক, এই কামনাও জানিয়েছেন তিনি।

Advertisement

এই আকস্মিক ইস্তফাকে ঘিরে ময়দানে নানা জল্পনা তৈরি হলেও কুণাল ঘোষ নিজেই সেসব জল্পনায় জল ঢেলেছেন। এখন দেখার, মোহনবাগান ক্লাব তাঁর ইস্তফা গ্রহণ করে নাকি তাঁকে পদে থাকার অনুরোধ জানায়।

 

POST A COMMENT
Advertisement