মোহনবাগানকেরল ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে জয় দিয়েই আইএসএল অভিযান শুরু করল মোহনবাগান সুপার জায়েন্ট। একেবারে চ্যাম্পিয়নদের মতই শুরু করল সের্জিও লোবেরার ছেলেরা। শুরু থেকেই বল নিজেদের পায়ে রেখে আক্রমণ করতে থাকে মোহনবাগান। প্রেসিং ফুটবলে নাজেহাল হয়ে যায় কেরল ডিফেন্স। ৩০ মিনিটের মধ্যেই ৪টে কর্নার আদায় করলেও গোল আসেনি। সবুজ-মেরুন এগিয়ে যায় ৩৬ মিনিটে গোল করেন জেমি ম্যাকলরেন। শেষ গোলটা আসে অতিরিক্ত সময়ে।
রবসন বাঁ দিক থেকে ঢুকে এসে দূর থেকে বারবার শট করতে থাকেন। মেহতাব সিং ও আলবার্তো রড্রিগেজ বেশিরভাগ সময় প্রায় মাঝমাঠে দাঁড়িয়ে একের পর এক আক্রমণ শুরু করতে থাকেন। দ্রুত কাউন্টার অ্যাটাক করে গোলের মুখ খোলার চেস্টা দুই একবার করলেও, সেটা মোহনবাগান ডিফেন্স ভাঙার ক্ষেত্রে যথেস্ট ছিল না। ফলে বারবার ত্রাতা হয়ে উঠতে হয় গোলকিপার সচিন সুরেশকে। নয়ত লজ্জা বাড়ত কেরলের।
ম্যাচের ৩৬ মিনিটে গোল করেন জেমি ম্যাকলরেন। অ্যাসিস্ট করেন দিমিত্রি পেত্রাতোস। বক্সের মধ্যে ঢুকে ছোট্ট টোকায় পাস দেন জেমিকে। ফাঁকায় দাঁড়িয়ে থাকা জেমি সরাসরি বল জালে জড়িয়ে দেন। কোনও সুযোগই ছিল না সচিনের সামনে সেই বল আটকানোর। ম্যাচের অতিরিক্ত সময় গোল সংখ্যা বাড়ান টম অলড্রেড। কর্নার থেকে হেডে গোল করে যান ম্যাচের একেবারে শেষ মিনিটে।
মাত্র ১৪ অনুশীলন করে খেলতে নামতে হয়েছে কেরলকে। ফলে দল যে তৈরি নয়, তা শুরু থেকেই বোঝা গিয়েছে। বল পা ছাড়া হলেই যেভাবে তাড়া করেছে মোহনবাগান সেভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারেনি কেরল।
দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের একেবারে শেষদিকে কিছু সুযোগ তৈরি করলেও, সমতা ফেরাতে পারেনি কেরল। সেভাবে গোল লক্ষ্য করে শটই নিতে পারেননি কেরল ফুটবলাররা। তবুও ১-এর বেশি গোল না খাওয়ায় কিছুটা হলেও স্বস্তিতে থাকবেন কেরল কোচ ডেভিড কাতালা। অন্যদিকে মোহনবাগানের সামনে আরও গোল তুলে নেওয়ার সুযোগ ছিল। সেটা হাতছাড়া করায় হতাশ হবে লোবেরা। যদিও দীর্ঘ বিরতির পর শুরু হয়েছে আইএসএল। ফলে খুব বেশি প্রশ্ন করার জায়গা নেই বললেই চলে।