দময়ন্তি সেনহাওড়ার প্রতিভাবান শুটার দময়ন্তী সেনের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। বৃহস্পতিবার সকালে দোকানে কেনাকাটা করতে বেরিয়েছিল দময়ন্তী। তারপর আর বাড়ি ফেরেনি। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাওয়া যায়নি।পারিবার, বন্ধু-বান্ধব সকলের সঙ্গেই যোগাযোগ করা হয়, তবে খোঁজ পাওয়া যায়নি দময়ন্তিকে।
কী ঘটেছে?
ছাত্রীকে দ্রুত বাড়ি ফিরে আসার আবেদন করেছেন প্রাকন অলিম্পিয়ান জয়দীপ কর্মকার। ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেছেন, 'দময়ন্তী তুমি ফিরে এসো'। মোবাইল ফোন ঘরে ফেলে যাওয়ায় দময়ন্তী ঠিক কোথায় আছেন, সেটাও বুঝতে সমস্যা হচ্ছে। হাওড়া স্টেশনে প্ল্যাটফর্মে থাকা সিসিটিভি ফুটেজে তাকে শেষবার দেখা গিয়েছে। বাড়ি থেকে সামনের দোকানে দুধ কিনতে গিয়েছিল দময়ন্তি। তার বাবা ধ্রুবজ্যোতি সেন জানিয়েছেন, তাঁর মেয়ে জাতীয় দলে ট্রায়ালের সুযোগ পেয়েছে। ভালো সাফল্য পেয়েছে। প্রতিদিন সকালে তাঁর মেয়ের অনুশীলন থাকে। বুধবার রাতে তাই তাড়াতাড়ি শুয়ে পড়েছিল দময়ন্তী। মেয়ের মোবাইলটিও তাঁর কাছেই ছিল।
বেলা সাড়ে এগারোটায় শ্রীরামপুরের বটতলার দেখা যায় দময়ন্তীকে। তাঁর খোঁজে শ্রীরামপুর থানায় যায় পরিবার। শ্রীরামপুরের সিসি ক্যামেরা খতিয়ে দেখছে পলিশ। রাজ্য পর্যায় গতকাল দময়ন্তীর শুটিং চ্যাম্পিয়নশিপের ম্যাচ ছিল। প্রাক্তন অলিম্পিয়ান শুটার জয়দীপ কর্মকারের ছাত্রী দময়ন্তী বুধবারও অনুশীলনও করেন।
কী কারনে ঘটল এমন ঘটনা?
পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পরিবারে কোনও অশান্তি হয়নি। তা হলে ঠিক কী হয়েছে? তা নিয়েই সংশয়ে পরিবারের সদস্যরা। তাঁরাও সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে দময়ন্তীকে খোঁজার চেষ্টা চালাচ্ছেন।
পুলিশ কী জানাচ্ছে?
ঘটনার তদন্তে নেমে হাওড়া থানার পুলিশ স্টেশন ও সংলগ্ন এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখছে। বিভিন্ন সূত্র ধরে দময়ন্তীর খোঁজে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি পরিবারের পক্ষ থেকে সামাজিক মাধ্যমে তাঁর ছবি ও নিখোঁজ হওয়ার তথ্য ছড়িয়ে দিয়ে সাধারণ মানুষের সাহায্য চাওয়া হয়েছে। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনার প্রতিটি দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দময়ন্তীর অবস্থান সম্পর্কে কোনও তথ্য থাকলে তা অবিলম্বে পুলিশ বা তাঁর পরিবারের কাছে জানানোর আবেদন করা হয়েছে।