State Table Tennis Association: রাজ্য TT সংস্থায় ডামাডোলে, বাবুনের চাপেই সরতে হল শর্মীকে?

রাজ্য টেবিল টেনিস সংস্থায় ফের ডামাডোল। সংস্থার নির্বাচনের আগেই পদত্যাগ করেছেন যুগ্ম সচিব শর্মি সেনগুপ্ত ৷ তাঁর আচমকা পদত্যাগে বেঙ্গল স্টেট টেবল টেনিস অ্যাসোসিয়েশনে প্রশাসনিক কাজকর্ম ধাক্কা খেল৷ দ্রুত পরিস্থিতি সামাল দিতে শনিবার জরুরি বৈঠক ডেকে দুই প্রাক্তন প্যাডলার সৌম্যদীপ রায় ও পৌলমি ঘটককে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তবুও প্রশ্ন থাকছে কেন হঠাৎ দায়িত্ব ছাড়লেন শর্মী? 

Advertisement
রাজ্য TT সংস্থায় ডামাডোলে, বাবুনের চাপেই সরতে হল শর্মীকে?টেবিল টেনিস
হাইলাইটস
  • রাজ্য টেবিল টেনিস সংস্থায় ব্যাপক ডামাডোল
  • পদত্যাগ করলেন সহ সচিব

রাজ্য টেবিল টেনিস সংস্থায় ফের ডামাডোল। সংস্থার নির্বাচনের আগেই পদত্যাগ করেছেন যুগ্ম সচিব শর্মি সেনগুপ্ত ৷ তাঁর আচমকা পদত্যাগে বেঙ্গল স্টেট টেবল টেনিস অ্যাসোসিয়েশনে প্রশাসনিক কাজকর্ম ধাক্কা খেল৷ দ্রুত পরিস্থিতি সামাল দিতে শনিবার জরুরি বৈঠক ডেকে দুই প্রাক্তন প্যাডলার সৌম্যদীপ রায় ও পৌলমি ঘটককে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তবুও প্রশ্ন থাকছে কেন হঠাৎ দায়িত্ব ছাড়লেন শর্মী? 

কেন পদ ছাড়লেন শর্মী?
প্রেসিডেন্ট স্বপন (বাবুন) বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকে অভিযোগের আঙ্গুল উঠলেও, পদত্যাগ পত্রে সদ্য প্রাক্তন হওয়া শর্মী সেনগুপ্ত জানিয়েছেন, ব্যক্তিগত সমস্যা এবং শারীরিক অসুস্থতার জন্যই দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি ৷ যদিও টেবল টেনিস ফেডারেশনের কমিটি মেম্বার হিসেবে দায়িত্ব পালন করে যাবেন তিনি ৷ এর আগেও দায়িত্ব ছাড়ার ইচ্ছে প্রকাশ করেছিলেন শর্মী সেনগুপ্ত ৷ কিন্তু সে যাত্রায় তাঁকে আটকানো গিয়েছিল ৷ শেষ পর্যন্ত ৩১ মার্চ চলতি আর্থিক বছর শেষ হওয়ার আগেই শর্মী সেনগুপ্ত পদ ছাড়লেন ৷

আপাতত ফাঁকাই থাকছে যুগ্ম সচিবের পদ
সূত্রের খবর, যুগ্ম সচিব হওয়ার লড়াইয়ে তিন জন। এদের মধ্যে কেউ দায়িত্ব নিতে পারেন।  শিলাদিত্য চট্টোপাধ্য়ায়, কোষাধ্যক্ষ শান্তনু সাহা এবং প্রেসিডেন্ট স্বপন বন্দ্যোপাধ্যায়-ঘনিষ্ঠ চিন্ময় রয়েছেন এই তালিকায়। তবে এখন যা পরিস্থিতি তাতে ভোট না হওয়া অবধি যুগ্ম সচিবের চেয়ার ফাঁকাই থাকছে। ভোটের পর, কে সেই চেয়ারে বসেন সেটাই এখন দেখার।  

টেবিল টেনিসে ডামাডোল নতুন নয়
পুরনো বেঙ্গল টেবল টেনিস সংস্থা ভেঙে গিয়েছিল পারস্পরিক ঝামেলার কারণেই৷ তারপর থেকে রাজ্য টেবল টেনিস সংস্থাকে একটা সুস্থিরতার মধ্যে নিয়ে এসেছিলেন শর্মী সেনগুপ্ত৷ অর্থের জোগান ঠিক রাখতে বিভিন্ন বহুজাতিক সংস্থাকে যুক্ত করিয়েছিলেন সংস্থায়৷ ফলে রাজ্যে টেবল টেনিস প্রতিযোগিতার সংখ্যা, প্রতিযোগীর সংখ্যা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি হয়েছিল৷ আয়োজিত হচ্ছিল জাতীয় স্তরের প্রতিযোগিতা৷ বাংলায় প্য়াডলাররা যখন প্রচুর সংখ্যায় উঠে আসছে, তখনই ফের প্রশাসনিক ডামাডোল৷

Advertisement

POST A COMMENT
Advertisement