বাংলায় কি এবার শুরু হবে সাইয়ের ২০০ কোটির প্রকল্প? দায়িত্ব নিয়েই কর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে ক্রীড়ামন্ত্রী ইন্দ্রনীল 

উল্লেখ্য, এই প্রকল্পের বিষয়টি প্রথম প্রকাশ্যে আনেন প্রাক্তন ভারতীয় পেসার ও বর্তমান কেন্দ্রীয় বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী অশোক দিন্দা। দিন্দার দাবি, তৃণমূল সরকারের আমলে বাংলায় একটি আধুনিক ক্রীড়া পরিকাঠামো গড়ে তুলতে চেয়েছিল সাই। প্রকল্পটির জন্য প্রায় ২৫ একর জমি প্রয়োজন ছিল। কিন্তু সেই জমি রাজ্য সরকারের তরফে বরাদ্দ করা হয়নি। তাঁর কথায়, তৎকালীন কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর তাঁকে জানিয়েছিলেন, জমি না পাওয়ার কারণেই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি।

Advertisement
বাংলায় কি এবার শুরু হবে সাইয়ের ২০০ কোটির প্রকল্প? দায়িত্ব নিয়েই কর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে ক্রীড়ামন্ত্রী ইন্দ্রনীল ক্রীড়ামন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ।-ফাইল ছবি
হাইলাইটস
  • দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা ভারতীয় ক্রীড়া কর্তৃপক্ষের প্রায় ২০০ কোটির টাকার একটি বৃহৎ ক্রীড়া প্রকল্প কি অবশেষে বাংলায় বাস্তবায়িত হতে চলেছে?
  • রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর সেই জল্পনাই জোরালো হয়েছে। ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পরই সাইয়ের শীর্ষ কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ইন্দ্রনীল খাঁ।

দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা ভারতীয় ক্রীড়া কর্তৃপক্ষের প্রায় ২০০ কোটির টাকার একটি বৃহৎ ক্রীড়া প্রকল্প কি অবশেষে বাংলায় বাস্তবায়িত হতে চলেছে? রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর সেই জল্পনাই জোরালো হয়েছে। ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পরই সাইয়ের শীর্ষ কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ইন্দ্রনীল খাঁ। বৈঠকের পর তিনি জানিয়েছেন, বাংলার ক্রীড়াক্ষেত্রের উন্নয়নে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, এই প্রকল্পের বিষয়টি প্রথম প্রকাশ্যে আনেন প্রাক্তন ভারতীয় পেসার ও বর্তমান কেন্দ্রীয় বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী অশোক দিন্দা।
দিন্দার দাবি, তৃণমূল সরকারের আমলে বাংলায় একটি আধুনিক ক্রীড়া পরিকাঠামো গড়ে তুলতে চেয়েছিল সাই। প্রকল্পটির জন্য প্রায় ২৫ একর জমি প্রয়োজন ছিল। কিন্তু সেই জমি রাজ্য সরকারের তরফে বরাদ্দ করা হয়নি। তাঁর কথায়, তৎকালীন কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর তাঁকে জানিয়েছিলেন, জমি না পাওয়ার কারণেই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি।

 

দিন্দা আরও জানান, ২০২১ সালে বিধায়ক হওয়ার পর তিনি এই আটকে থাকা প্রকল্পের বিষয়ে জানতে পারেন এবং ২০২২ সালে বিষয়টি নিয়ে বিধানসভায় সরব হন। তাঁর দাবি, সে সময় প্রকল্প সংক্রান্ত নথিপত্রও বিধানসভায় উপস্থাপন করেছিলেন তিনি। যদিও তৎকালীন রাজ্য সরকার জানিয়েছিল, ওই নথিতে ২০০ কোটি টাকার বাজেটের কোনও উল্লেখ নেই।

তবে রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর পরিস্থিতি বদলাবে বলেই আশাবাদী ছিলেন প্রাক্তন এই তারকা ক্রিকেটার। নতুন সরকার গঠনের পর ক্রীড়া দফতরের দায়িত্ব প্রথমে নীশীথ প্রামাণিকের হাতে থাকলেও বর্তমানে সেই দায়িত্ব পেয়েছেন ইন্দ্রনীল খাঁ।
দায়িত্ব নেওয়ার পরই সাই কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন ইন্দ্রনীল। পাশাপাশি তিনি জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় সরকারের ‘খেলো ইন্ডিয়া’ প্রকল্পও বাংলায় কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

নিজের সামাজিক মাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক বার্তায় ইন্দ্রনীল খাঁ অভিযোগ করেন, পূর্ববর্তী সরকার ক্রীড়াক্ষেত্রকে যথাযথ গুরুত্ব দেয়নি এবং কেন্দ্রীয় ক্রীড়া প্রকল্পগুলিও বাস্তবায়ন করেনি। তাঁর দাবি, নতুন সরকারের আমলে রাজ্যের যুবসমাজের জন্য আরও উন্নত ক্রীড়া পরিকাঠামো গড়ে তোলা হবে।

Advertisement

যদিও সাইয়ের ২০০ কোটির প্রকল্পের অবস্থান বা সময়সীমা নিয়ে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়নি। তবে সূত্রের খবর, কলকাতা, বর্ধমান অথবা পূর্ব মেদিনীপুর জেলার কোনও একটি জায়গায় এই আধুনিক ক্রীড়া কেন্দ্র গড়ে তোলা হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে আলোচনা চলছে।

 

POST A COMMENT
Advertisement