খেলার পরিবেশ পাল্টে দিতে চান ক্রীড়ামন্ত্রী ইন্দ্রনীল, ফুটবল নিয়ে বড় প্ল্যান

ইন্দ্রনীলের কথায়, 'আমরা গর্ব করে বলি সব খেলার সেরা বাঙালির তুমি ফুটবল, কিন্তু বাঙালি ফুটবলাররা পর্যাপ্ত সুযোগ পাচ্ছে কোথায়? ক্রীড়া ও যুবকল্যাণ দফতরকে যথাযথ গুরুত্ব না দেওয়ার ফলেই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। অতীতের নানা অনিয়ম ও বিতর্কেরও মূল্যায়ন হবে।'

Advertisement
খেলার পরিবেশ পাল্টে দিতে চান ক্রীড়ামন্ত্রী ইন্দ্রনীল, ফুটবল নিয়ে বড় প্ল্যানক্রীড়ামন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ।-ফাইল ছবি
হাইলাইটস
  • ইন্দ্রনীলের কথায়, 'আমরা গর্ব করে বলি সব খেলার সেরা বাঙালির তুমি ফুটবল, কিন্তু বাঙালি ফুটবলাররা পর্যাপ্ত সুযোগ পাচ্ছে কোথায়?
  • ক্রীড়া ও যুবকল্যাণ দফতরকে যথাযথ গুরুত্ব না দেওয়ার ফলেই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

বাংলায় বিজেপি সরকার গঠনের পর প্রথমে ক্রীড়া দফতরের দায়িত্ব পেয়েছিলেন মাথাভাঙার বিধায়ক নিশীথ প্রামাণিক। তবে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর মন্ত্রিসভার চূড়ান্ত দফতর বণ্টনে ক্রীড়া, যুবকল্যাণ ও ক্রেতা সুরক্ষা দপ্তরের স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী করা হয়েছে বেহালা পশ্চিমের বিধায়ক ইন্দ্রনীল খাঁকে। দায়িত্ব গ্রহণের পরই রাজ্যের ক্রীড়াক্ষেত্র নিয়ে নিজের রূপরেখা স্পষ্ট করেছেন তিনি।

নতুন ক্রীড়ামন্ত্রীর বক্তব্য, বাংলার প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের খুঁজে বের করে তাঁদের আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ, আধুনিক পরিকাঠামো এবং প্রয়োজনীয় সরকারি সহায়তা দেওয়াই এখন সরকারের প্রধান লক্ষ্য। অলিম্পিক, কমনওয়েলথ গেমস-সহ আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় বাংলার প্রতিনিধিত্ব আরও শক্তিশালী করতে চায় নতুন সরকার।

ইন্দ্রনীল বলেন, 'আমাদের লক্ষ্য এমন একটি পরিবেশ তৈরি করা, যেখানে বাংলার ছেলেমেয়েরা নিজেদের প্রতিভার পূর্ণ বিকাশ ঘটিয়ে আন্তর্জাতিক মঞ্চে দেশ ও রাজ্যের নাম উজ্জ্বল করতে পারে। সেই উদ্দেশ্যে প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা, প্রশিক্ষণ এবং সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করা হবে। ‘খেলো ইন্ডিয়া’ ও ‘ফিট ইন্ডিয়া’র মতো উদ্যোগও এই লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।'

ইন্দ্রনীলের কথায়, 'আমরা গর্ব করে বলি সব খেলার সেরা বাঙালির তুমি ফুটবল, কিন্তু বাঙালি ফুটবলাররা পর্যাপ্ত সুযোগ পাচ্ছে কোথায়? ক্রীড়া ও যুবকল্যাণ দফতরকে যথাযথ গুরুত্ব না দেওয়ার ফলেই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। অতীতের নানা অনিয়ম ও বিতর্কেরও মূল্যায়ন হবে।'

ক্রীড়াক্ষেত্রে রাজনীতির প্রভাব নিয়ে প্রশ্নের জবাবে ইন্দ্রনীল স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, 'খেলার মাঠে শুধু খেলাই হবে, রাজনীতি নয়। রাজনীতি হবে রাজনৈতিক ময়দানে। খেলাধুলার পরিবেশকে রাজনীতিমুক্ত, সিন্ডিকেটমুক্ত এবং স্বজনপোষণমুক্ত করাই আমাদের অঙ্গীকার।'

নতুন ক্রীড়ামন্ত্রীর এই অবস্থানকে ঘিরে ইতিমধ্যেই ক্রীড়ামহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। এখন দেখার, বাংলার ক্রীড়াক্ষেত্রে প্রতিভা বিকাশ, পরিকাঠামো উন্নয়ন এবং প্রশাসনিক সংস্কারের ক্ষেত্রে তাঁর ঘোষিত পরিকল্পনা কতটা বাস্তবায়িত হয়।

 

POST A COMMENT
Advertisement