সূর্যকুমার যাদবটি২০ বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার আগে একেবারেই ছন্দে ছিলেন না সূর্যকুমার যাদব। ঘরের মাঠে তাঁর ফর্ম না থাকা চিন্তায় ফেলেছিল সমর্থক থেকে শুরু করে ক্রিকেট বিশেষজ্ঞদের। তবে টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই নিজের চেনা ছন্দে ফেরত আসেন ক্যাপ্টেন। আমেরিকার বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচে তাঁর ইনিংসে ভর করেই জেতার মতো জায়গায় পৌছায় ভারত। গম্ভীরের একটা টিপসই বদলে দিল সূর্যকে।
সূর্যকুমার যাদব ৪৯ বলে অপরাজিত ৮৪ রান করেন, বিধ্বংসী এই ইনিংসে ১০টি চার এবং চারটি ছক্কা মারেন। তাঁর পারফর্মেন্সের ফলে ভারত ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১৬১ রান করে সম্মানজনক রান তোলে। ভারত ২৯ রানে ম্যাচ জিতে নেয় এবং সূর্যকুমার যাদবকে ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত করা হয়। সূর্য জয়ের রহস্য উন্মোচন করেন।
ম্যাচের পর, সূর্যকুমার জানান যে গৌতম গম্ভীর তাঁকে শেষ পর্যন্ত ব্যাট করার জন্য অনুরোধ করে ছিলেন। গম্ভীর বিশ্বাস করতেন যে সূর্যকুমারের হাতে এমন শট আছে যা তাঁর দলকে শেষ পর্যন্ত বড় রানের দিকে নিয়ে যেতে পারে। হয়েছেও ঠিক সেটাই। ভারতীয় দল শুরুটা খারাপ করলেও, ক্যাপ্টেন সূর্যকুমারের ব্যাটেই ভারত শক্ত ভিতের উপর দাড়াতে সক্ষম হয়।
সূর্যকুমার বললেন, 'আমি ভেবেছিলাম এটা ১৮০-১৯০ রানের উইকেট নয়, বরং ১৪০ রানের উইকেট। বিরতির সময় গৌতি ভাইও একই কথা বললেন: শেষ পর্যন্ত থাকো, রান পরে আসবে। আমি মুম্বাইয়ের মাঠে এবং একই রকম উইকেটে অনেক ক্রিকেট খেলেছি, তাই আমি আত্মবিশ্বাসী ছিলাম যে আমি এখানে ব্যাট করতে পারব।'
সূর্যকুমার ধীরে ধীরে ইনিংসের নিয়ন্ত্রণ নেন এবং ৩৬ বলে তার অর্ধশতক পূর্ণ করেন। শেষ ওভারে, তিনি সৌরভ নেত্রাভালকরকে ২১ রান নেন। নেত্রাভালকরের চার ওভারে ৬৫ রান খরচ হয়। কোনও উইকেট নিতে পারেননি তিনি। যা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসের সবচেয়ে ব্যয়বহুল স্পেলের মধ্যে একটা।
এই ইনিংসের মাধ্যমে সূর্যকুমার যাদব টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতীয় অধিনায়কের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান করেন। তাছাড়া, এটি অধিনায়কত্বের অভিষেকে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান, ২০০৯ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ক্রিস গেইলের ৮৮ রানের পরে।