Berhampore Student Death: পুলিশ ধরতেই নদীতে ঝাঁপ কলেজ ছাত্রের! হেফাজতে খুনের অভিযোগ বহরমপুরে

জানা গিয়েছে, বহরমপুর কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র ছিলেন অতনু ঘোষ। তাঁর বয়স ছিল ১৯ বছর। শনিবার সন্ধ্যায় বাড়ি থেকে বেরিয়ে স্থানীয় স্কুলের মাঠে গিয়েছিলেন অতনু। বন্ধুদের সঙ্গে বসে খেলছিলেন মোবাইল গেম। অভিযোগ, তখন তাঁকে আটক করে সৈদাবাদ ফাঁড়ির পুলিশ। পুলিশের হাত থেকে বাঁচতে ভাগীরথীতে ঝাঁপ দেন অতনু।

Advertisement
পুলিশ ধরতেই নদীতে ঝাঁপ কলেজ ছাত্রের! হেফাজতে খুনের অভিযোগ বহরমপুরেবহরমপুরে কলেজ ছাত্রের মৃত্যু।
হাইলাইটস
  • পুলিশি হেফাজতে খুনের অভিযোগ।
  • বহরমপুরে মৃত্যু ১৯ বছরের অতনু ঘোষের।

পুলিশের হেফাজতে মৃত্যু! এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াল মুর্শিদাবাদের নবগ্রামে। পুলিশের হাত থেকে বাঁচতে ভাগীরথী নদীতে ঝাঁপ দেন যুবক। রবিবার রাতে উদ্ধার হয়েছে তাঁর দেহ। পরিবারের দাবি, ছেলেকে আটক করেছিল পুলিশ। বাঁচার জন্য নদীতে ঝাঁপ দেন। মৃতের নাম অতনু ঘোষ। তবে সব অভিযোগ অস্বীকার করেছে পুলিশ। তাদের বক্তব্য, কাউকে আটক করা হয়নি।

জানা গিয়েছে, বহরমপুর কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র ছিলেন অতনু ঘোষ। তাঁর বয়স ছিল ১৯ বছর। শনিবার সন্ধ্যায় বাড়ি থেকে বেরিয়ে স্থানীয় স্কুলের মাঠে গিয়েছিলেন অতনু। বন্ধুদের সঙ্গে বসে খেলছিলেন মোবাইল গেম। অভিযোগ, তখন তাঁকে আটক করে সৈদাবাদ ফাঁড়ির পুলিশ। পুলিশের হাত থেকে বাঁচতে ভাগীরথীতে ঝাঁপ দেন অতনু। তাঁর বাবা নির্মল ঘোষের অভিযোগ,অতনুর বন্ধুদের থেকে  জানতে পেরেছেন, পুলিশের হাত থেকে বাঁচতেই ভাগীরথীতে ঝাঁপ দিয়েছেন তাঁর ছেলে। পুলিশ ভেবেছিল,সাঁতরে পালানোর চেষ্টা করছেন। তাঁকে চারদিক দিয়ে ঘিরে ধরা হয়। আরও ভয় পেয়ে নদীর মাঝ বরাবরে চলে যায়। জলের তোড়ে ভেসে যান অতনু।

আরও গুরুতর অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। অতনুর বাবার দাবি, তাঁর ছেলে যখন ভেসে যাচ্ছিলেন তখন বাঁচানোর চেষ্টা না করে এলাকা ছাড়েন অতনু। তিনি জানান,'রাতে ফিরে দেখি ছেলে নেই ঘরে। খোঁজখবর শুরু করি। পুলিশের খবর দিই। তার পর পুলিশ গোটা বিষয়টি জানায়। ৩০ ঘণ্টা তল্লাশি চালিয়ে ছেলের দেহ উদ্ধার হয়। আমার ছেলেকে খুন করা হয়েছে।'

নির্মল ঘোষের অভিযোগ অস্বীকার করেছে সৈদাবাদ ফাঁড়ির পুলিশ। তাদের বক্তব্য, পুলিশ এলাকায় টহল দিচ্ছিল। সেই ভ্যান এলাকায় পৌঁছলে অতনু ঝাঁপ দেন। বহরমপুর পুলিশ জেলার সুপার সুরিন্দর সিংহ বলেন,'যে কোনও মৃত্যু দুঃখজনক। পুলিশ অতনু ঘোষ নামে কাউকে গ্রেফতার বা আটক করেনি। পরিবারের তরফে থেকে মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে। টহলরত পুলিশভ্যান দেখে কেউ গঙ্গায় ঝাঁপ দিলে পুলিশ কী করবে!'

Advertisement

POST A COMMENT
Advertisement