scorecardresearch
 

উচ্চ মাধ্যমিকে পাশের দাবিতে আন্দোলন করছিলেন, আত্মঘাতী আরও ১ ছাত্রী

পরিবার সূত্রে দাবি, উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা দুটি বিষয়ে ফেল করেন ওই ছাত্রী। পাশের দাবিতে আন্দোলন করেছিলেন তিনি। কিন্তু তাতে কোনও সুরাহা মেলেনি। ক্রমশ মানসিক চাপে ছিলেন তিনি। বুধবার সকালে বই নিয়ে পড়তে বসেন। কিছুক্ষণ পরে সেই ঘরেই ওই ছাত্রীর ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা।

মৃত মৃত
হাইলাইটস
  • উচ্চ মাধ্যমিকে পাশের দাবিতে আন্দোলন করছিলেন
  • আত্মঘাতী আরও ১ ছাত্রী
  • জানুন বিস্তারিত তথ্য

মালদার পরে পূর্ব বর্ধমান। ফের আত্মঘাতী উচ্চ মাধ্যমিক অনুত্তীর্ণ এক ছাত্রী।  বুধবার সকালে পূর্ব বর্ধমানের বাসিন্দা ওই ছাত্রীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। পরিবার সূত্রে দাবি, উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা দুটি বিষয়ে ফেল করেন ওই ছাত্রী। পাশের দাবিতে আন্দোলন করেছিলেন তিনি। কিন্তু তাতে কোনও সুরাহা মেলেনি। ক্রমশ মানসিক চাপে ছিলেন তিনি। বুধবার সকালে বই নিয়ে পড়তে বসেন। কিছুক্ষণ পরে সেই ঘরেই ওই ছাত্রীর ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা। তড়িঘড়ি তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। 

কী কারণে আত্মহত্যা

মৃতার মায়ের দাবি, মেয়ে পাশ করতে না পারায় ভেঙে পড়েছিল। তেমন খাওয়াদাওয়াও করত না। কিন্তু তার জেরে এমন সিদ্ধান্ত নেমে কেউ তা টেরও পায়নি। সম্প্রতি রাস্তায় নেমে বাকিদের মতো আন্দোলনেও নেমেছিল। কিন্তু তাতে কোনও লাভও হয়নি। পরিবারের দাবি মানসিক চাপের জেরেই তাঁদের মেয়ে আত্মঘাতী হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সম্প্রতি উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়। পরীক্ষায় পাশ না করা পড়ুয়ারা রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় পথ অবরোধ করেন। দিন কয়েক আগেই মালদার এক ছাত্রী আত্মঘাতী হন। সম্প্রতি তিনিও উচ্চ মাধ্যমিকে ফেল করেন। তারপরে পাশের দাবিতে আন্দোলন করেছিলেন। কিন্তু তাতে কোনও সুরাহা মেলেনি।

মালদায় আত্মঘাতী ছাত্রী

ঘটনাটি ঘটেছে মালদহের হবিবপুরের ডুবাপাড়ায়। মৃতার নাম শম্পা হালদার। বয়স ১৭। ওই ছাত্রীর মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে অনুমান, আত্মহত্যাই করেছেন শম্পা। এ বছর উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়েছিলেন হবিবপুরের আরএন রায় গার্লস স্কুলের ছাত্রী শম্পা। ওই স্কুলের মোট ১৮০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৮০ জন পাশ করেছেন। বাকিরা অনুত্তীর্ণ। তার পর পাশ করানোর দাবিতে মালদহের বুলবুলচণ্ডী এলাকায় রাজ্য সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান অকৃতকার্য পরীক্ষার্থীরা। জেলা শিক্ষা দফতর ঘেরাও করেন তাঁরা। ওই বিক্ষোভ অংশ নিয়েছিলেন শম্পাও।