Bank of Baroda-র লক্ষ লক্ষ গ্রাহকের ডেটা লিকের অভিযোগ!দেশের সরকারি খাতের অন্যতম বৃহত্তম ব্যাঙ্ক Bank of Baroda নিয়ে বড় খবর। অভিযোগ, অনলাইনে ফাঁস হয়ে গিয়েছে Bob-এর সার্ভারের বিপুল পরিমাণে তথ্য। দাবি করা হচ্ছে, ব্যাঙ্কটির প্রায় ১ টেরাবাইট ডেটা ইন্টারনেট এবং ডার্ক ওয়েবে ফাঁস হয়ে গিয়েছে।
দাবি করা হয়েছে, ব্যাঙ্কের সার্ভারে ঢুকে বিপুল পরিমাণ ডেটা হাতিয়ে নিয়েছে হ্যাকাররা। যদিও বিষয়টি নিয়ে অফিসিয়ালি এখনও মুখ খোলেনি ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ। তবে যদি সত্যি এমন কাণ্ড ঘটে থাকে, তবে তা বড়সড় ত্রুটি বলে মানছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে আদৌ হ্যাকারদের কাছে যে ডেটা গিয়েছে, তা আসল কিনা, তা নিয়েও জল্পনা চলছে।
রিপোর্টে দাবি করা হচ্ছে, ফাঁস হওয়া ডেটার মধ্যে গ্রাহকদের নাম, মোবাইল নম্বর, ইমেল আইডি, আধার নম্বর, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের বিবরণ, নেট ব্যাঙ্কিংয়ের রেকর্ড, ঋণের নথি, কর্পোরেট ব্যাঙ্কিংয়ের তথ্য এবং কিছু অভ্যন্তরীণ ফাইল রয়েছে।
দাবি করা হচ্ছে, অভিযুক্ত হ্যাকার কিছু ডেটার নমুনা এবং ডাউনলোড লিঙ্ক শেয়ার করেছে। ডেটা ফাঁসের খবর ছড়িয়ে পড়তেই বহু গ্রাহক সোশ্যাল মিডিয়ায় রীতিমতো উদ্বেগ প্রকাশ করতে শুরু করেছেন।
এক এক্স ব্যবহারকারী দাবি করেছেন,তিনি ব্যাঙ্ক অফ বরোদার তথ্য ফাঁসের ঘটনা থেকে একটি ডেটা ডাম্প পেয়েছেন। বেশ কিছু স্ক্রিনশট শেয়ার করে আরবিআই সহ বেশ কয়েকজন সরকারি আধিকারিককে ট্যাগও করেছেন তিনি।
যদি সত্যিই ডেটা লিক হওয়ার মতো ঘটনা ঘটে, তবে সাইবার অপরাধীরা এটিকে ফিশিং, ফেক কল, কেওয়াইসি আপডেটের নামে প্রতারণা এবং পরিচয় চুরির মতো অপরাধের জন্য ব্যবহার করতে পারে।
গ্রাহকদের টাকা কি হাতিয়ে নেওয়া হতে পারে?
সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো গ্রাহকদের টাকা ঝুঁকির মধ্যে আছে কি না। এর উত্তর বর্তমানে হলো 'আপাতত না'। শুধু তথ্য ফাঁস হলেই যে গ্রাহকের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তুলে নেওয়া হবে, এমনটা নয়। তবে যদি কেউ আপনার ব্যক্তিগত তথ্য হাতে পায়, তাহলে তাঁরা ব্যাঙ্ক অফিসার সেজে আপনাকে ফোন করতে পারে, ভুয়া লিঙ্ক পাঠাতে পারে, অথবা OTP বা নেট ব্যাঙ্কিং তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করতে পারে। এই ধরনের পরিস্থিতিতে গ্রাহকদের অতিরিক্ত সতর্ক থাকতে হবে।