Blackmail safety tips: ব্যক্তিগত ছবি দিয়ে ব্ল্যাকমেইল? রুখতে জানুন সরকারি সুরক্ষা মন্ত্র 

ডিজিটাল দুনিয়ায় ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষা এখন বড় চ্যালেঞ্জ। তবে সঠিক পদক্ষেপ নিলে ব্ল্যাকমেইল বা অনলাইন হেনস্তা অনেকটাই ঠেকানো সম্ভব।

Advertisement
ব্যক্তিগত ছবি দিয়ে ব্ল্যাকমেইল? রুখতে জানুন সরকারি সুরক্ষা মন্ত্র 
হাইলাইটস
  • অনলাইনে ব্যক্তিগত ছবি বা ভিডিও ফাঁস করার ভয় দেখিয়ে ব্ল্যাকমেইলের ঘটনা দিন দিন বাড়ছে।
  • অনেক ক্ষেত্রে ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে টাকা আদায় করা হয়, এমনকি চরম মানসিক চাপে কেউ কেউ আত্মঘাতী পথও বেছে নেন।

অনলাইনে ব্যক্তিগত ছবি বা ভিডিও ফাঁস করার ভয় দেখিয়ে ব্ল্যাকমেইলের ঘটনা দিন দিন বাড়ছে। অনেক ক্ষেত্রে ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে টাকা আদায় করা হয়, এমনকি চরম মানসিক চাপে কেউ কেউ আত্মঘাতী পথও বেছে নেন। এই প্রেক্ষাপটে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন সাইবার নিরাপত্তা সংস্থা Indian Cyber Crime Coordination Centre–এর উদ্যোগ ‘Cyber Dost’ সাধারণ মানুষকে সুরক্ষিত থাকার উপায় জানিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিয়েছে।

কী বলেছে সাইবার দোস্ত?
এক্স প্ল্যাটফর্মে পোস্ট করে সাইবার দোস্ত জানিয়েছে, কেউ যদি ব্যক্তিগত ছবি বা ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়, তাহলে আতঙ্কিত না হয়ে নির্দিষ্ট পদ্ধতি মেনে ব্যবস্থা নিন। এতে আপনার কনটেন্ট নিরাপদ থাকবে এবং অপব্যবহার ঠেকানো সম্ভব।

কীভাবে কাজ করে এই সুরক্ষা পদ্ধতি?
সাইবার দোস্ত পরামর্শ দিয়েছে StopNCII.org ওয়েবসাইটে যাওয়ার। সেখানে আপনার ব্যক্তিগত ছবি বা ভিডিওর একটি ডিজিটাল ফিঙ্গারপ্রিন্ট বা ‘হ্যাশ’ (HASH) তৈরি করা যায়।

এই হ্যাশ মূল কনটেন্টের একটি কোড, যা ছবি বা ভিডিওকে প্রতিনিধিত্ব করে।

পুরো প্রক্রিয়াটি আপনার নিজের ডিভাইসেই সম্পন্ন হয়।

আসল ছবি বা ভিডিও কোথাও আপলোড হয় না, ফলে গোপনীয়তা অটুট থাকে।

StopNCII.org কী?
StopNCII.org একটি আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম, যা সম্মতি ছাড়া শেয়ার করা ব্যক্তিগত ছবি বা ভিডিওর অপব্যবহার রোধে কাজ করে। এটি কনটেন্টকে একটি বিশেষ কোডে রূপান্তর করে এবং সেই কোড অংশীদার সোশ্যাল মিডিয়া সংস্থাগুলোর সঙ্গে ভাগ করে নেয়।

ফলে কেউ যদি একই ছবি বা ভিডিও খারাপ উদ্দেশ্যে আপলোড করতে চায়, সংশ্লিষ্ট প্ল্যাটফর্ম সেটি শনাক্ত করে দ্রুত ব্লক বা সরিয়ে দিতে পারে।

কোন কোন প্ল্যাটফর্ম যুক্ত?
এই উদ্যোগে সহায়তা করছে একাধিক জনপ্রিয় সামাজিক মাধ্যম, যেমন-
Meta Platforms (ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম),
TikTok,
Reddit,
Snapchat সহ আরও অনেক সংস্থা।

কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ?
ডিজিটাল দুনিয়ায় ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষা এখন বড় চ্যালেঞ্জ। তবে সঠিক পদক্ষেপ নিলে ব্ল্যাকমেইল বা অনলাইন হেনস্তা অনেকটাই ঠেকানো সম্ভব। সচেতনতা ও প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহারই পারে এমন অপরাধের বিরুদ্ধে কার্যকর ঢাল হয়ে উঠতে।

Advertisement

 

POST A COMMENT
Advertisement