জ্যামের চিন্তা নেই, মিনিটেই যান অফিস, শুরু Air Taxi এর টেস্টিং

রাস্তায় গাড়ির জ্যাম। আর সেই কারণেই এবার আকাশের দিকে চোখ। এক সময়ের স্বপ্নকে এখন বাস্তবে পরিণত করার পরিকল্পনা। আর ইতিমধ্যেই আমেরিকার সংস্থা জবি এভিয়েশন এয়ার ট্যাক্সি প্রোডাকশন শুরু করে দিয়েছে। যার সহজ অর্থ হল, ভবিষ্যতে জ্যাম পেরিয়ে উড়ে চলে যাওয়া যাবে অফিস। নিমেষে পৌঁছে যাওয়া যাবে এয়ারপোর্ট, রেল স্টেশন। 

Advertisement
জ্যামের চিন্তা নেই, মিনিটেই যান অফিস, শুরু Air Taxi এর টেস্টিংএয়ার ট্যাক্সি
হাইলাইটস
  • আমেরিকার সংস্থা জবি এভিয়েশন এয়ার ট্যাক্সি প্রোডাকশন শুরু করে দিয়েছে
  • ভবিষ্যতে জ্যাম পেরিয়ে উড়ে চলে যাওয়া যাবে অফিস
  • নিমেষে পৌঁছে যাওয়া যাবে এয়ারপোর্ট, রেল স্টেশন

রাস্তায় গাড়ির জ্যাম। আর সেই কারণেই এবার আকাশের দিকে চোখ। এক সময়ের স্বপ্নকে এখন বাস্তবে পরিণত করার পরিকল্পনা। আর ইতিমধ্যেই আমেরিকার সংস্থা জবি এভিয়েশন এয়ার ট্যাক্সি প্রোডাকশন শুরু করে দিয়েছে। যার সহজ অর্থ হল, ভবিষ্যতে জ্যাম পেরিয়ে উড়ে চলে যাওয়া যাবে অফিস। নিমেষে পৌঁছে যাওয়া যাবে এয়ারপোর্ট, রেল স্টেশন। 

জবি এভিয়েশন জানিয়েছে যে তারা ইতিমধ্যেই এয়ার ট্যাক্সির টেস্টিং শুরু করে দিয়েছে। আর এটা যে স্বপ্ন সফল করার অন্যতম পদক্ষেপ, সেটাও দাবি করা হয়েছে সংস্থার থেকে। সবকিছু ঠিক ঠাক চললে, কয়েক বছরের মধ্যেই ইলেকট্রিক ট্যাক্সিকে উড়তে দেখা যাবে শহরের আকাশে। 

সংস্থার পক্ষ থেকে জানান হয়েছে যে ক্যালিফোর্নিয়ার প্ল্যান্টে এই এয়ার ট্যাক্সির পরীক্ষা চলছে। সংস্থার পক্ষ থেকে এই পরীক্ষা করা চলছে ফেডারেল অ্যাভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের সামনে এই ট্যাক্সিকে সামনে আনার জন্য। এই পরীক্ষার পরই আমেরিকার ফেডারেল অ্যাভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেটর এই এয়ারক্রাফ্টগুলির পরীক্ষা করবেন। তারপরই মিলবে ছাড়পত্র। আর তার আগেই পরীক্ষানীরিক্ষা করার কাজে লেগে পড়েছে সংস্থাটি। 

এটা কেমন এয়ার ট্যাক্সি?
জবি অ্যাভিয়েশন কয়েক বছর ধরে এই ট্যাক্সির উপর কাজ করছে। ইতিমধ্যেই এয়ারক্র্যাফ্টের ডিজাইন, কম্পোন্যান্ট এবং প্রোডাকশন প্ল্যান নিয়ামক সংস্থার থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে। তারপর তৈরি হয়ে গিয়েছে মডেল। এই ট্যাক্সি ইতিমধ্যেই ৫০,০০০ মাইল চলেছে পরীক্ষার সময়। যতদূর খবর, ওড়ার সময় এখনও কোনও সমস্যা হয়নি। 

এটি ভার্টিকাল টেক অফ এবং ল্যান্ডিং এয়ারক্র্যাফ্ট। এটির সবথেকে বেশি গতি হল ২০০ মাইল প্রতি ঘণ্টা। একবার চার্জে ১০০ মাইল পর্যন্ত এটি যেতে পারবে। এতে একাধিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা রয়েছে। 

প্যাসেঞ্জার সার্ভিস স্টার্ট হবে
সংস্থার পক্ষ থেকে জানান হয়েছে যে দুবাইতে এই বছরের শেষেই চালু হয়ে যাবে ট্যাক্সি। এই কারণে সেই শহরে দু'টি ল্যান্ডিং সাইট তৈরিও হচ্ছে বলে খবর। 

উবার কী জানাচ্ছে? 
জবি এভিয়েশনের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে উবার। তাদের পক্ষ থেকে জানান হয়েছে, সাধারণ ট্যাক্সির মতোই অ্যাপে মিলবে এই পরিষেবা। আপনি চাইলেই এই পরিষেবা বুক করে নিতে পারেন। তারপর দ্রুত গতিতে পৌঁছে যেতে পারেন গন্তব্যে। আপনাকে অপেক্ষা করতে হবে না। জ্যামে ফেঁসে যেতেও হবে না। আর সেই কারণেই এয়ার ট্যাক্সি নিয়ে মানুষের এত আগ্রহ।

Advertisement

 

POST A COMMENT
Advertisement