Mahindra Thar Roxx Star: ব্ল্যাক থিম, বোল্ড লুক, মাহিন্দ্রা থারের নয়া লুক যেমন আকর্ষণীয় তেমন দমদার

Mahindra Thar Roxx Star: গাড়ির ভিতরের অংশেও বদল আনা হয়েছে। সম্পূর্ণ কালো রঙের লেদারেট সিটের সঙ্গে সুয়েড ইনসার্ট ব্যবহার করা হয়েছে, যা কেবিনে আরও স্পোর্টি অনুভূতি দেয়। হালকা রঙের আপহোলস্ট্রির বদলে এই ডার্ক থিম মূলত তরুণ ক্রেতাদের কথা মাথায় রেখে তৈরি।

Advertisement
ব্ল্যাক থিম, বোল্ড লুক, মাহিন্দ্রা থারের নয়া লুক যেমন আকর্ষণীয় তেমন দমদার

Mahindra Thar Roxx Star: মাহিন্দ্রা তাদের জনপ্রিয় এসইউভি থার রক্সের নতুন বিশেষ সংস্করণ Thar Roxx Star Edition বাজারে আনল। সম্পূর্ণ ব্ল্যাক থিমে তৈরি এই সংস্করণটি শীর্ষস্তরের AX7L ট্রিমের উপর ভিত্তি করে তৈরি। সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, এই নতুন স্টার এডিশনের এক্স-শোরুম শুরু দাম রাখা হয়েছে ১৬.৮৫ লক্ষ টাকা।

দামের দিক থেকে থার রক্স স্টার এডিশন মোট তিনটি ভ্যারিয়েন্টে পাওয়া যাবে। ডিজেল ম্যানুয়াল সংস্করণের দাম ১৬.৮৫ লক্ষ টাকা, পেট্রোল অটোমেটিকের দাম ১৭.৮৫ লক্ষ টাকা এবং ডিজেল অটোমেটিক ভ্যারিয়েন্টের দাম ১৮.৩৫ লক্ষ টাকা। তবে এই তিনটি ভ্যারিয়েন্টেই শুধুমাত্র রিয়ার-হুইল ড্রাইভ দেওয়া হয়েছে। নিয়মিত থার রক্সের কিছু মডেলে যেখানে ৪x৪ অপশন থাকে, সেখানে স্টার এডিশনে সেই সুবিধা রাখা হয়নি।

গাড়ির বাইরের ডিজাইনে বেশ কিছু স্পষ্ট পরিবর্তন চোখে পড়বে। সামনের দিকে গ্লস-ব্ল্যাক ফিনিশের গ্রিল ব্যবহার করা হয়েছে, যা সাধারণ মডেলের বডি-কালার গ্রিলের বদলে আরও আক্রমণাত্মক লুক দিচ্ছে। সঙ্গে রয়েছে নতুন ১৯ ইঞ্চির গ্লস-ব্ল্যাক অ্যালয় হুইল, যা আগে থাকা সিলভার অ্যালয়ের জায়গা নিয়েছে। রঙের তালিকায় নতুন করে যোগ হয়েছে ‘সিট্রিন ইয়েলো’। এছাড়া ট্যাঙ্গো রেড, এভারেস্ট হোয়াইট এবং স্টেলথ ব্ল্যাক রঙেও এই সংস্করণ পাওয়া যাবে। সি-পিলারে দেওয়া হয়েছে আলাদা স্টার এডিশন ব্যাজিং।

গাড়ির ভিতরের অংশেও বদল আনা হয়েছে। সম্পূর্ণ কালো রঙের লেদারেট সিটের সঙ্গে সুয়েড ইনসার্ট ব্যবহার করা হয়েছে, যা কেবিনে আরও স্পোর্টি অনুভূতি দেয়। হালকা রঙের আপহোলস্ট্রির বদলে এই ডার্ক থিম মূলত তরুণ ক্রেতাদের কথা মাথায় রেখে তৈরি।

ফিচারের দিক থেকে থার রক্স স্টার এডিশন বেশ সমৃদ্ধ। এতে রয়েছে ডুয়াল ১০.২৫ ইঞ্চির স্ক্রিন, প্যানোরামিক সানরুফ, ভেন্টিলেটেড সামনের সিট, ৩৬০ ডিগ্রি ক্যামেরা, ৯ স্পিকারযুক্ত হারমান কার্ডন সাউন্ড সিস্টেম এবং ওয়্যারলেস অ্যাপল কারপ্লে ও অ্যান্ড্রয়েড অটো। পাশাপাশি বিভিন্ন টেরেন মোডও রাখা হয়েছে, যা শহর ও হাইওয়ে ড্রাইভিংকে আরও সহজ করে।

Advertisement

ইঞ্জিনের ক্ষেত্রে কোনও যান্ত্রিক পরিবর্তন করা হয়নি। পেট্রোল ভ্যারিয়েন্টে রয়েছে ২.০ লিটার ইঞ্জিন, যা ১৭৭ হর্সপাওয়ার শক্তি এবং ৩৮০ নিউটন মিটার টর্ক উৎপন্ন করে। এই ইঞ্জিনটি শুধুমাত্র অটোমেটিক গিয়ারবক্সের সঙ্গে পাওয়া যাবে। অন্যদিকে ২.২ লিটার ডিজেল ইঞ্জিন থেকে পাওয়া যায় ১৭৫ হর্সপাওয়ার শক্তি ও ৪০০ নিউটন মিটার টর্ক, যা ম্যানুয়াল এবং অটোমেটিক, দু’টি গিয়ারবক্সেই উপলব্ধ।

উল্লেখ্য, থার রক্স ২০২৪ সালে বাজারে আসার পর থেকেই ভালো বিক্রি হয়েছে। ক্রমবর্ধমান এসইউভি বাজারে প্রতিযোগিতা বাড়লেও, নতুন স্টার এডিশনের মাধ্যমে মাহিন্দ্রা থার রক্সের আকর্ষণ আরও বাড়াতে চাইছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

 

POST A COMMENT
Advertisement