সুজুকি হায়াবুসা (ছবি: সুজুকি ওয়েবসাইট)২০০৪। কেবিল টিভি। স্কুল ছুটি। ধুম। জন অ্যাব্রাহাম। লাল-কালো হায়াবুসায় একের পর এক রোমহর্ষক চুরি। কিছুতেই নাগাল পাচ্ছেন না পুলিশকর্মীরা। ভারতে একটা গোটা প্রজন্মের মননে, সুপারবাইক ক্রেজ তৈরি করার পিছনে যদি দু'টি নাম থাকে, তা নিঃসন্দেহে ধুম আর হায়াবুসা। সে সময় বিশ্বের দ্রুততম স্ট্রিট-লিগাল বাইক ছিল হায়াবুসা। আর বর্তমানে সুজুকি হায়াবুসার নতুন একটি সংস্করণ সামনে আনা হয়েছে। সেই সঙ্গে স্ট্যান্ডার্ড হায়াবুসার ভ্যারিয়েন্টকেও আপডেট করা হয়েছে। যার ফলে নতুন স্পোর্টসবাইকটি স্টাইলের দিক থেকে সেরার সেরা হয়ে উঠছে। তাই ঝটপট এই বাইকের ফিচার এবং দাম জেনে নেওয়া যাক।
দাম কত?
এই বাইকটা প্রায় ৩০০ কিমি (২৯৯ কিমি) প্রতি ঘণ্টায় ছুটতে পারে। তাই তো এই বাইক নিয়ে আগ্রহ রয়েছে তুঙ্গে।
বর্তমানে সুজিকি হায়াবুসা বাইকটি আপগ্রেড করা হয়েছে। নিউদিল্লিতে এর দাম ১৮.৯৯ লক্ষ টাকা। তবে এই দামটা এক্স শোরুম। এর উপর আবার ট্যাক্স বসবে।
আবার স্পেশাল এডিশনটির দাম স্ট্যান্ডার্ড ভ্যারিয়েন্টের তুলনায় ৯১,০০০ টাকা বেশি। নিউদিল্লিতে এর দাম ১৯.৯০ লক্ষ টাকা। এটাও এক্স শোরুম দাম। এই দুই বাইকই সুজুকি মটোরসাইকেল ইন্ডিয়ার ডিলারশিপ থেকে কেনা যাবে।
নতুন এই বাইকটি ৩টি রঙে বাজার আনা হয়েছে। আর হায়াবুসার স্পেশাল এডিশনটি এক্সক্লুসিভ পার্ল ভিগর ব্লু রঙে পাওয়া যাবে। সেই সঙ্গে থাকবে ডিকাল (প্রিমিয়াম স্টিকার) ও স্পেশাল ফিনিশের চাকা।
ও দিকে স্পেশাল সংস্করণের পাশাপাশি স্ট্যান্ডার্ড ভ্যারিয়েন্টও আপডেট করা হয়েছে। স্ট্যান্ডার্ড ভ্যারিয়েন্টটি নতুন তিনটি রঙে পাওয়া যাবে। ক্রেতারা নিজের মতো করে রং বেছে নিতে পারবেন। সুজিকি জানিয়েছে, তারা চাইছে ক্রেতাদের এক্সক্লুসিভ ওনারশিপ এক্সপিরিয়েন্স দিতে।
নতুন বাইকে কী রয়েছে?
শুধু রঙের ক্ষেত্রেই আপডেট হয়নি হায়াবুসার। সেই সঙ্গে বাইকটিতে নতুন লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারিও রয়েছে। সুজুকি জানিয়েছে, এটি এখন অনেক বেশি হালকা এবং কম্প্যাক্ট করা হয়েছে। এর মাধ্যমে স্টেবল ভোল্টেজ পাওয়া যাবে। সেই সঙ্গে এতে কন্ট্রোল সিস্টেম পয়েছে। আপগ্রেড রয়েছে মোড সিলেক্টরের।
এছাড়া স্মার্ট ক্রুজ কন্ট্রোল সিস্টেম আপডেট করা হয়েছে। এটি গিয়ার পরিবর্তন করার সময়েই সক্রিয় থাকে।
এই বাইকে ১৩৪০ সিসি, ফুয়েল ইঞ্জেক্টেড, লিকুইড কুলড, ইনলাইন ৪ সিলিন্ডার ডিওএইচসি ইঞ্জিন রয়েছে। বাইকটির কার্ব ওজন ২৬৬ কেজি। এতে ছ'টি রাইডিং মোড, কর্নারিং এবিএস, লঞ্চ কন্ট্রোল, ট্র্যাকশন কন্ট্রোল, ক্রুজ কন্ট্রোল ও হিল হোল সহ হিল ডিসেন্ট কন্ট্রোল রয়েছে।