বাড়ি থেকেই আপনার লাইফ সার্টিফিকেট জমা দিনআপনি যদি পেনশন পান অথবা আপনার পরিবারের কোনও সদস্যকে যদি লাইফ সার্টিফিকেট নেওয়ার জন্য বারবার ব্যাঙ্কে যেতে হয়, তবে আপনার জন্য রয়েছে বিরাট স্বস্তির খবর। এখন আপনি আপনার স্মার্টফোনে শুধু মুখ দেখিয়েই ডিজিটাল লাইফ সার্টিফিকেট পেতে পারেন। এর বিশেষত্ব হলো, এর জন্য কোনও ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যানার বা বায়োমেট্রিক ডিভাইসের প্রয়োজন নেই।
সরকার ১ নভেম্বর থেকে ২০২৬ সালের ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত দেশব্যাপী পঞ্চম ডিজিটাল লাইফ সার্টিফিকেট অভিযান চালু করেছে। এই অভিযানটি দেশের ২,০০০ শহর ও জেলায় পরিচালিত হচ্ছে। সরকার এই সময়কালে ২ কোটি ৩০ লক্ষ ডিজিটাল লাইফ সার্টিফিকেট তৈরির লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে, যার মধ্যে ১ কোটি ৫০ লক্ষ সার্টিফিকেট ফেস অথেন্টিকেশনের মাধ্যমে তৈরি করা হবে।
মোবাইলে মুখ দেখালেই সার্টিফিকেট তৈরি
এখন প্রশ্ন হলো, এটি কীভাবে কাজ করবে এরজন্য পেনশনভোগীদের তাদের স্মার্টফোনে জীবন প্রমাণ ফেস অ্যাপ (Jeevan Pramaan Face App) এবং আধারফেসআরডি অ্যাপ (AadhaarFaceRD) ডাউনলোড করতে হবে। এরপর তাদের আধার এবং মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে।
রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করার পর, পেনশনভোগীদের তাদের মোবাইল ফোনের ফ্রন্ট ক্যামেরার সামনে নিজেদের মুখ দেখাতে হবে। ফেস অথেন্টিকেশন সম্পন্ন হলে, ডিজিটাল লাইফ সার্টিফিকেট তৈরি হবে। এর মানে হলো, এই গুরুত্বপূর্ণ কাজটি এখন আপনি ঘরে বসেই স্বাচ্ছন্দ্যে সম্পন্ন করতে পারবেন।
সরকারি সাহায্য প্রবীণদের ঘরে ঘরে পৌঁছবে
সরকার এই প্রচারাভিযানে ১৯টি ব্যাঙ্ক, ৭৮৫টি পোস্ট অফিস এবং ৫৬টি পেনশনভোগী কল্যাণ সমিতিকে যুক্ত করেছে। এছাড়াও, EPFO, রেলওয়ে এবং রাজ্য সরকারগুলোও সহযোগিতা করবে। যেসব বয়স্ক পেনশনভোগী সশরীরে ব্যাঙ্ক বা ক্যাম্পে যেতে পারবেন না, তাঁদের প্রয়োজন অনুযায়ী বাড়িতে গিয়ে সেবা প্রদান করা হবে। এছাড়াও বিভিন্ন স্থানে বিশেষ ক্যাম্প খোলা হবে, যেখানে স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং আধার আপডেট ব্যবস্থা থাকবে।
পেনশনভোগীরা খেয়াল রাখুন, ৩০ নভেম্বর শেষ তারিখ
আপনি যদি পেনশন পেয়ে থাকেন এবং এখনও আপনার ডিজিটাল লাইফ সার্টিফিকেট জমা না দিয়ে থাকেন, তাহলে সময়মতো এই প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করুন। কোনও সমস্যা হলে, আপনি এই অভিযানের অধীনে নিযুক্ত অভিযোগ আধিকারিকের কাছ থেকেও সহায়তা চাইতে পারেন।