Royal Enfield Electric Bike: Royal Enfield-এর প্রথম ইলেকট্রিক বাইক, দাম ও ফিচারে বিরাট চমক

ইলেকট্রিক বাইকের সেগমেন্টে পা ফেলল রয়্যাল এনফিল্ড। এবার ইলেকট্রিক বাইক আনল তারা। এই বাইকটির নাম দেওয়া হয়েছে ফ্লি সি৬। এটিতে রয়েছে দারুণ সব ফিচার। আর এই বাইকের বুকিং এবং টেস্ট ড্রাইভ শুরু হয়ে গিয়েছে ১০ এপ্রিল থেকে। আর ডেলিভারি শুরু হবে মে মাস থেকে। তাই এনফিল্ড প্রেমীদের মধ্যে এই বাইক নিয়ে উৎসাহ রয়েছে তুঙ্গে। 

Advertisement
Royal Enfield-এর প্রথম ইলেকট্রিক বাইক, দাম ও ফিচারে বিরাট চমকরয়্যাল এনফিল্ডের ইলেকট্রিক বাইক
হাইলাইটস
  • এবার ইলেকট্রিক বাইকের সেগমেন্টে পা ফেলল রয়্যাল এনফিল্ড
  • এবার ইলেকট্রিক বাইক আনতে চলেছে তারা
  • এই বাইকটির নাম দেওয়া হয়েছে ফ্লি সি৬

ইলেকট্রিক বাইকের সেগমেন্টে পা ফেলল রয়্যাল এনফিল্ড। এবার ইলেকট্রিক বাইক আনল তারা। এই বাইকটির নাম দেওয়া হয়েছে ফ্লি সি৬। এটিতে রয়েছে দারুণ সব ফিচার। আর এই বাইকের বুকিং এবং টেস্ট ড্রাইভ শুরু হয়ে গিয়েছে ১০ এপ্রিল থেকে। আর ডেলিভারি শুরু হবে মে মাস থেকে। তাই এনফিল্ড প্রেমীদের মধ্যে এই বাইক নিয়ে উৎসাহ রয়েছে তুঙ্গে। 

এতদিন পর্যন্ত রয়্যাল এনফিল্ড মানেই ছিল 'ধুক ধুক' শব্দ। এই শব্দের প্রেমেই লাট খেয়ে এসেছে ভারতের যুব সমাজ। তবে এবার সংস্থা নতুন একটা সেগমেন্টে প্রবেশ করেছে। ব্যাটারি এজ সাবস্ক্রিপশনের অধীনে মিলবে এই বাইক। তাই ইচ্ছে থাকলে এই বাইকের দাম এবং ফিচার সম্পর্কে জেনে নিন। 

দাম কত? 
এই বাইকের এক্স শোরুম দাম ২.৭৯ লক্ষ টাকা। তবে আপনি চাইলে ব্যাটারি অ্যাজ আ সার্ভিস মডেলের অধীনেও এই বাইক কিনতে পারেন। তখন দামটা অনেকটাই কমে যাবে। এর এক্স শোরুম দাম দাঁড়াবে ১.৯৯ লক্ষ টাকা। এই বাইকের ডেলিভারি শুরু হবে মে মাসে। আর বুকিং শুরু হয়েছে ১০ এপ্রিল থেকে। ইতিমধ্যেই সংস্থার পক্ষ থেকে জামনগর, বেঙ্গালুরুতে ফ্লাইং ফ্লি শোরুমও করা হয়েছে। 

মাথায় রাখতে হবে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ফ্লাইং ফ্লি ছিল খুবই পরচিত নাম। আর সেই নামটাকেই আবার ফেরাচ্ছে এনফিল্ড। তাদের তরফ থেকে এই বাইকটা লঞ্চ করা হয়েছে। 

রেঞ্জ এবং ফিচার কী? 
ফ্লাইং ফ্লি সি৬ বাইকটিতে নিও ভিন্টেজ ডিজাইন থাকছে। এতে থাকছে সব ধরনের কানেক্টেড টেক। শুধু তাই নয়, এই বাইকে সব হাইটেক ফিচার পেয়ে যাবেন। 

এই বাইকে পাবেন ৩.৯১ কিলোওয়াটের ব্যাটারি। এতে এয়ার কুলড সেটআপও পাবেন। এই বাইকে রয়েছে ম্যানগেশিয়াম এলয় কেসিং। 

এই বাইকে রয়েছে ২০.৬ এইচপি পাওয়ার। পাশাপাশি এতে ৬০এনএম টর্ক রয়েছে। এই বাইকে টু স্টেজ বেল্ড ড্রাইভ সিস্টেমের মাধ্যমে পাওয়ার ডেলিভারি পাওয়া যাবে। এই বাইকের টপস্পিড ১১৫ কিমি প্রতি ঘণ্টা। এটা ৩.৭ সেকেন্ডেই ৬০ কিমি প্রতি ঘণ্টা স্পিডে পৌঁছে যেতে পারে। এর আইডিসি রেঞ্জ হল ১৫৪ কিমি। এর ওজন ১২৪ কেজি। 

Advertisement

তবে এই নিবন্ধটি পড়েই আবার বাইকটি কিনতে যাবেন না। বরং তার আগে নিজে রিসার্চ করুন। পারলে টেস্ট ড্রাইভ নিন। তারপরই কিনুন।  

 

POST A COMMENT
Advertisement