রয়্যাল এনফিল্ডের ইলেকট্রিক বাইকইলেকট্রিক বাইকের বাজারে ইতিমধ্যেই পা রেখেছে রয়্যাল এনফিল্ড। এবার সংস্থাটি আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের প্রথম ইলেকট্রিক মোটরসাইকেল ফ্লাইং ফ্লি সি৬-এর ডেলিভারি বেঙ্গালুরুতে শুরু করেছে। এটি শুধু একটি নতুন মডেল নয়, বরং রয়্যাল এনফিল্ডের মতো নামী সংস্থার ইলেকট্রিক দুনিয়ায় পা রাখার সূচনা।
বেঙ্গালুরুতে বিশেষ সার্ভিস নেটওয়ার্ক
গ্রাহকদের জন্য নতুন ব্যবস্থা গড়ে তুলেছে ফ্লাইং ফ্লি। সংস্থাটি হাব-অ্যান্ড-স্পোক সার্ভিস মডেল চালু করেছে। বিটিএম লেআউটে একটি কেন্দ্রীয় সার্ভিস হাব থাকবে। সেখানে বাইকের বিশেষ প্রযুক্তিগত সহায়তা দেওয়া হবে। এছাড়া শহরের বিভিন্ন অংশে স্পোক সেন্টারগুলিতে নিয়মিত সার্ভিস ও রক্ষণাবেক্ষণের কাজ চলবে বলে জানা যাচ্ছে।
রয়্যাল এনফিল্ডের ডিলারশিপ নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে শপ-ইন-শপ মডেলেও ফ্লাইং ফ্লি-এর বিক্রি ও পরিষেবা দেওয়া হবে। পাশাপাশি প্রতিটি ফ্লাইং ফ্লি সি৬-এর সঙ্গে ২৪x৭ রোডসাইড অ্যাসিস্ট্যান্স সুবিধা থাকবে।
দাম ও ভ্যারিয়েন্ট
ফ্লাইং ফ্লি সি৬ ধাপে ধাপে বিভিন্ন শহরে বাজারে আনা হবে।
দু'টি রঙে পাওয়া যাবে: স্টর্ম ব্ল্যাক ও ফ্লি গ্রিন।
এই বাইকের এক্স-শোরুম দাম ২.৭৯ লক্ষ টাকা।
এছাড়া ব্যাটারি অ্যাজ আ সার্ভিস মডেলও রয়েছে। এক্ষেত্রে আলাদা সাবস্ক্রিপশনের মাধ্যমে ব্যাটারি ব্যবহার করা যাবে। এতে মোটরসাইকেলের দাম কমে ১.৯৯ লক্ষ টাকা হয়ে যাবে।
ঐতিহ্য ও আধুনিক প্রযুক্তির মেলবন্ধন
১৯৪০-এর দশকে সামরিক বাহিনীতে ব্যবহৃত ঐতিহাসিক ফ্লাইং ফ্লি মোটরসাইকেল থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে তৈরি হয়েছে নতুন মডেলটি। রেট্রো ডিজাইনের সঙ্গে আধুনিক ইভি প্রযুক্তির সমন্বয় ঘটানো হয়েছে এতে।
ব্যাটারি ও পারফরম্যান্স
মোটরসাইকেলটিতে রয়েছে-
তবে সবথেকে বড় কথা, এই বাইকের ওজন মাত্র ১২৪ কেজি। এর সর্বোচ্চ গতি ১১৫ কিমি/ঘণ্টা।
চার্জিং সুবিধা
ব়্যাপিড, স্ট্যান্ডার্ড ও ট্রিকল– এই তিন ধরনের চার্জিং মোড রয়েছে।
সাধারণ ১৬এ সকেট ব্যবহার করেই চার্জ করা যাবে বাইকটি। সংস্থার দাবি, ব্যাটারি ২০% থেকে ৮০% চার্জ হতে প্রায় এক ঘণ্টার কিছু বেশি সময় লাগবে।
এই বাইকে রয়েছে সব অত্যাধুনিক ফিচার
অনন্য ডিজাইন
এই মোটরসাইকেলের অন্যতম আকর্ষণ হল ফর্জড অ্যালুমিনিয়াম গির্ডার ফর্ক সাসপেনশন। এই সাসপেনশন বর্তমানে খুব কম মোটরসাইকেলেই দেখা যায়। এটাই এই বাইককে অন্যদের থেকে আলাদা করে তোলে। তাই আপনিও চাইলে এই বাইকটি কিনে নিতে পারেন।