WhatsApp সেফটি টিপসWhatsApp এখন আর শুধু সামান্য একটা মেসেজিং টুল নয়। এটি সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ব্যবহারের একটি জরুরি অ্যাপ। এই অ্যাপেই চলতে থাকে অফিসের মেসেজ। পাশাপাশি বন্ধুদের আড্ডা, প্রেম-ভালোবাসা ও পরিবারের গসিপও এখন এই অ্যাপেই হয়। তাই এই অ্যাপের সুরক্ষার দিকে নজর রাখা জরুরি। নইলে বিপদে পড়তে সময় লাগবে না। ফাঁস হয়ে যেতে পারে সব ধরনের তথ্য।
তবে মুশকিল হল, এই হোয়াটস অ্যাস মেসেজও খুব একটা নিরাপদ কিছু নয়। ছোট ছোট কিছু ভুলেই হোয়াটস অ্যাপ অ্যাকাউন্ট পুরো জালিয়াতদের হাতে চলে যেতে পারে। তারা পড়ে নিতে পারে সব চ্যাট। লিক হয়ে যেতে পারে তথ্য। সেগুলি তারা নানাভাবে ব্যবহার করতে পারে। তাই সাবধান হতে হবে।
এই প্রসঙ্গে বলে রাখি, হ্যাকিংয়ের ভয় দূর করতে পারে এন্ড টু এন্ড এনক্রিপশন। এই অপশনটা অন করা থাকলে কোনও থার্ড পার্টি দুই জনের চ্যাট পড়তে পারে না।
কিন্তু এন্ড টু এন্ড এনক্রিপশন অন রাখলেই যে সব সমস্যার সহজ সমাধান করে ফেলতে পারবেন, এমনটা নয়। এরপরও বিপদ হতে পারে। আর সেটা হতে পারে হোয়াটস অ্যাপ ওয়েব বা ডেস্কটপ ব্যবহার করার পর লগ আউট না করার জন্য। এই ভুলটা করলে হ্যাকারের ফাঁদে পড়তে পারেন।
এমন পরিস্থিতি আপনি বুঝতেও পারবেন না, কিন্তু আপনার চ্যাট হ্যাক হয়ে যেতে পারে। তারা সব মেসেজ পড়ে নিতে পারে।
ক্লাউড ব্যাক আপেও রয়েছে সমস্যা
আসলে আমাদের মধ্যে অনেকেই হোয়াটস অ্যাপ চ্যাট ক্লাউডে ব্যাকআপ করে রাখেন। এমন পরিস্থিতিতে আপনার ইমেল অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়ে গেলেই খেলা শেষ। এমনটা হলেই চ্যাট চলে যেতে পারে অন্যের হাতে।
তাই এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে চাইলে এন্ড টু এন্ড ক্লাউড ব্যাকআপ নিতে হবে। তাহলে বিপদের আশঙ্কা কিছুটা হলেও কমবে।
স্পাইওয়ার থেকেও বিপদ
মাথায় রাখবেন, অনেক ফোনের অন্দরেই লুকিয়ে বসে থাকে স্পাইওয়ার। আর সেগুলি বিপদের কারণ হতে পারে। এই সব স্পাইওয়ারের সাহায্যে আপনার সব তথ্য পড়ে নিতে পারে হ্যাকাররা।
তাই ফোন হুট করে গরম হয়ে গেলে বা চার্জ তাড়াতাড়ি শেষ হয়ে গেলে সাবধান হন। বোঝার চেষ্টা করুন সমস্যাটা হচ্ছে ঠিক কোথায়। কিছু না বুঝলে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। নইলে সমস্যার শেষ থাকবে না।