Debit Card Fraud: পাশে দাঁড়িয়েই পকেটে থাকা ডেবিট, ক্রেডিট কার্ড থেকে খালি করে দেবে টাকা, কীভাবে?

সারা দেশে বাড়ছে সাইবার স্ক্যাম। জালিয়াতরা নানা অছিলায় সাধারণ মানুষের পকেট খালি করে দিচ্ছে। আর জানলে অবাক হয়ে যাবেন, কোনও ওটিপি বা পিন ছাড়াই আপনার ক্রেডিট বা ডেবিট কার্ড থেকে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খালি করে দিতে পারে স্ক্যামাররা।

Advertisement
পাশে দাঁড়িয়েই পকেটে থাকা ডেবিট, ক্রেডিট কার্ড থেকে খালি করে দেবে টাকা, কীভাবে?ডেবিট কার্ড জালিয়াতি
হাইলাইটস
  • সারা দেশে বাড়ছে সাইবার স্ক্যাম
  • জালিয়াতরা নানা অছিলায় সাধারণ মানুষের পকেট খালি করে দিচ্ছে
  • ক্রেডিট বা ডেবিট কার্ড থেকে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খালি করে দিতে পারে স্ক্যামাররা

সারা দেশে বাড়ছে সাইবার স্ক্যাম। জালিয়াতরা নানা অছিলায় সাধারণ মানুষের পকেট খালি করে দিচ্ছে। আর জানলে অবাক হয়ে যাবেন, কোনও ওটিপি বা পিন ছাড়াই আপনার ক্রেডিট বা ডেবিট কার্ড থেকে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খালি করে দিতে পারে স্ক্যামাররা।

এই স্ক্যামটাকে ট্যাপ অ্যাপ পে স্ক্যাম বলে নাম দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁরা জানাচ্ছেন, অধিকাংশ ডেবিট এবং ক্রেডিট কার্ডে রয়েছে ট্যাপ অ্যান্ড পে ফিচার। আর এই ফিচারকেই নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করছে জালিয়াতরা। কেটে ফেলছে সাধারণ মানুষের পকেট।

কীভাবে হচ্ছে স্ক্যাম?

এক্ষেত্রে স্ক্যামরার POS মেশিন ব্যবহার করছে। এই জালিয়াতির জন্য সাইবার স্ক্যামররা পয়েন্ট অব স্কেল মেশিন (POS) ব্যবহার করছেন। তারা এই মেশিনে একটা মিনিমাম অ্যামাউন্ট এন্টার করে ভিড়ে ঠাসা মল ও শপিং কংপ্লেক্সে ঘুরে বেড়াচ্ছে। তারা ওই POS মেশিন সাধারণ মানুষের পকেটে ঠেকাচ্ছে। যাদের কার্ডে এই ট্যাপ অ্যান্ড পে ফিচার অন রয়েছে, তাদের অ্যাকাউন্ট থেকে তখনই কেটে যাচ্ছে টাকা। আর মানুষ কিছুই বুঝতে পারছে না। কারণ, মাত্র ২ থেকে ৩ সেকেন্ডের মধ্যে হয়ে যাচ্ছে গোটা স্ক্যাম। যতক্ষণে বোঝা যাচ্ছে জালিয়াতি হয়ে গিয়েছে, ততক্ষণে খেলা শেষ।

কী করতে পারেন এই সমস্যা সমাধানে?

  • এই সমস্যা সমাধানের একাধিক পথ রয়েছে। তাই দ্রুত সেই সব পথ সম্পর্কে জেনে নিন।
  • একটা লিমিট সেট করে দিন। মাত্র ১০০০ টাকা রাখুন ট্যাপ অ্যান্ড পে লিমিট।
  • আপনার প্রয়োজন না হলে এই সার্ভিসটা বন্ধ করে দিতে পারেন। তাতেও জালিয়াতির ফাঁদে পড়ার আশঙ্কা কমবে।
  • এই সমস্যা থেকে বাঁচতে আপনি RFID ব্লকলিস্ট ওয়ালেট ব্যবহার করতে পারেন। তাতে সমস্যা হবে না।

ফ্রড হলে কী করবেন?

এমনটা হতেই পারে যে আপনি এই জালিয়াতির ফাঁদে পড়লেন। এমন পরিস্থিতিতে নিজের ব্যাঙ্কের সঙ্গে দ্রুত কথা বলুন। তারপর দ্রুত কার্ড বন্ধ করার পরামর্শ দিন। এমনকী আর কোনও ট্রানজাকশন যাতে না হয় সেটাও দেখতে বলুন ব্যাঙ্ককে। এছাড়া আপনি সাইবার অপরাধ শাখাতে এই ঘটনার অভিযোগ করতে পারেন। তাহলেই টাকা ফেরত পেতে পারেন।

POST A COMMENT
Advertisement