প্রতি মাসে নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা পেতে চান? সে ক্ষেত্রে ফিক্সড ডিপোজিট বা FD ভাল অপশন। FD Interest Rate: চাকরি থেকে অবসর নিয়েছেন? বা হাতে থাকা সঞ্চয় থেকে প্রতি মাসে নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা পেতে চান? সে ক্ষেত্রে ফিক্সড ডিপোজিট বা FD ভাল অপশন। অনেকেই জানতে চান, ব্যাঙ্কে কত টাকা জমা রাখলে প্রতি মাসে ১৫ হাজার টাকা সুদ পাওয়া সম্ভব? উত্তর নির্ভর করছে ব্যাঙ্কের সুদের হার, জমার মেয়াদ এবং গ্রাহকের বয়সের উপর। তবে হিসাবটি বুঝে নিলে বিনিয়োগের পরিকল্পনা করা সহজ।
সাধারণ গ্রাহকদের কত টাকা জমাতে হবে?
ধরা যাক, কোনও ব্যাঙ্কে FD-তে বার্ষিক সুদের হার ৬.৫ শতাংশ। সে ক্ষেত্রে বছরে ১ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা সুদ পেতে প্রয়োজন হবে প্রায় ২৭ লক্ষ ৬৯ হাজার টাকার মূলধন। অর্থাৎ, মাসে গড়ে ১৫ হাজার টাকা সুদের লক্ষ্যে এই পরিমাণ জমা রাখতে হবে। সুদের হার ৭ শতাংশ হলে প্রয়োজনীয় জমা কমে দাঁড়াবে প্রায় ২৫ লক্ষ ৭১ হাজার টাকা।
প্রবীণ নাগরিকদের সুবিধা কোথায়?
অনেক ব্যাঙ্ক প্রবীণ নাগরিকদের FD-তে সাধারণ গ্রাহকদের তুলনায় বেশি সুদ দেয়। উদাহরণ হিসাবে, সুদের হার ৭.৫ শতাংশ হলে মাসে ১৫ হাজার টাকা সুদের জন্য প্রয়োজন প্রায় ২৪ লক্ষ টাকা। ফলে একই আয় পেতে তাঁদের তুলনায় কম টাকা জমা রাখতে হতে পারে। তবে প্রত্যেক ব্যাঙ্কের নিয়ম আলাদা।
FD করার আগে কোন বিষয়গুলি দেখবেন?
মনে রাখতে হবে, এই হিসাব বার্ষিক সুদকে ১২ দিয়ে ভাগ করে করা আনুমানিক হিসাব। মাসিক সুদ দেওয়ার ক্ষেত্রে ব্যাঙ্কের পদ্ধতিতে অঙ্ক কিছুটা কমবেশি হতে পারে। FD খোলার সময় মাসিক সুদ পাওয়ার বিকল্প বেছে নিতে হবে। শুধু সুদের হার দেখলেই চলবে না। মেয়াদ, আগাম টাকা তোলার জরিমানা এবং করের বিষয়টিও যাচাই করুন।
FD-র সুদ আয়করযোগ্য। তাই কর কাটার পরে হাতে পাওয়া টাকা ১৫ হাজারের কম হতে পারে। বিনিয়োগের আগে ব্যাঙ্কের FD ক্যালকুলেটরে হিসাব মিলিয়ে নিন।