হোম লোনের ভুলশহর এবং শহরতলিতে বাড়ছে বাড়ি এবং ফ্ল্যাটের দাম। তাই সাধারণ মধ্যবিত্তের পক্ষে আর নগদ টাকায় ঘর-বাড়ি কেনা সম্ভব হচ্ছে না। এমন পরিস্থিতিতে তাঁরা হোম লোন নিয়েই নিজের মাথার উপর ছাদ নিশ্চিত করছেন। এটাই এখনকার ট্রেন্ড।
যদিও হোম লোন নেওয়ার সময় অনেকেই বেশ কিছু ভুল করে ফেলেন। আর এই ভুলের জন্যই তাঁদের পকেট থেকে বেশি টাকা বেরিয়ে যায়। এছাড়া অন্যান্য জটিলতা নেয় পিছু। তাই চেষ্টা করুন যেভাবেই হোক ৫ ভুল এড়িয়ে চলার।
ক্রেডিট স্কোর এড়িয়ে যান
সবার প্রথমে ক্রেডিট স্কোর চেক করতে হবে। এই স্কোর চেক না করে কোনওভাবেই লোন অ্যাপ্লাই করা যাবে না। এই ভুলটা করলে আদতে পরে সমস্যায় পড়বেন। এমনকী বেশি সুদে ঋণ নিতে হতে পারে। তাই সবার প্রথমে এই স্কোর চেক করুন। ৭৫০-এর উপরে ক্রেডিট স্কোর থাকলে ভাল হয়। এর থেকে কম হলে সমস্যায় পড়তে পারেন। তাই এই বিষয়টা মাথায় রাখুন।
একাধিক ব্যাঙ্কে না যাওয়া
অনেকেই শুধু একটি ব্যাঙ্কেই লোনের জন্য যান। আর এটাই বিরাট ভুল। এই ভুলটা করেন বলেই সমস্যায় পড়েন তাঁরা। তাঁদের বেশি সুদে লোন নিতে হয়। তাই লোন নেওয়ার জন্য একাধিক ব্যাঙ্কে যান। দেখুন কোন ব্যাঙ্কের সুদ কম। সেই ব্যাঙ্ক থেকেই লোন নিন।
ইএমআই ক্যাপাসিটি না বোঝা
মাথায় রাখতে হবে, হোম লোন নিতে হবে নিজের আয়ের মোটামুটি ৩০ শতাংশ পর্যন্ত। অর্থাৎ মাসে ১০০ টাকা আয় হলে আপনার ইএমআই যেন ৩০ টাকা পর্যন্ত হয়। তার বেশি নয়। তাহলেই সংসার ঠিক ঠাক ম্যানেজ করতে পারবেন। তবে এর থেকে বেশি ইএমআই নিলেই আপনার উপর চাপবে বোঝা। তাই ভুলটা এড়িয়ে যান।
প্রসেসিং ফি না জানা
হোম লোন নিচ্ছেন ঠিক আছে। কিন্তু তার আগে একবার ব্যাঙ্কে যান। জিজ্ঞেস করুন ঠিক কত টাকা লাগবে প্রসেসিং ফি। এই টাকাটা কিন্তু অনেকটা। আর এই টাকা লোনে পাবেন না। তাই প্রসেসিং ফি আগেভাগে জেনে নেওয়া খুবই জরুরি। এই টাকাটা জোগার করে রাখুন। তাহলেই সমস্যার সহজ সমাধান করা যাবে।
লোননের ইনস্যুরেন্স না করা
অনেকেই হোম লোনের ইনস্যুরেন্স নেন না। আর সেটাই বিরাট বিপদ। এই ভুলের জন্য পরিবার পরবর্তী সময় সমস্যায় পড়তে পারে। আপনার কিছু হয়ে গেলে তাঁদের জীবন ঝুঁকির মধ্যে পড়ে যাবে। তাই হোম লোনের পাশাপাশি লোনের ইনস্যুরেন্সটা জানতে হবে। তাহলেই মিটে যাবে সমস্যা।