আমুলের দাম বৃদ্ধিদীপাবলি ও কালীপুজোর আগে খারাপ খবর দিল আমুল। ঘি ও মাখনের দাম অনেকটাই বাড়াল তারা। আর তাদের এহেন দামবৃদ্ধিতে কপালে চিন্তার ভাঁজ সাধারণ মানুষের। এর ফলে যে উৎসবের মরসুমে খরচ অনেকটাই বাড়বে, এটা একপ্রকার নিশ্চিত।
আমুলের ১ কেজির ঘিয়ের কার্টনে এক ধাক্কায় ৫০ টাকা দাম বাড়ানো হয়েছে। অন্যদিকে, ৫০০ গ্রামের মাখনের প্যাকেটের দাম বেড়েছে ১৫ টাকা।
আমুলের ঘি ও মাখনের নতুন দাম কত?
১ কেজি ঘি-এর দাম ৫০ টাকা এবং ৫০০ গ্রাম ঘি-এর দাম ২০ টাকা বেড়েছে। ১০০ গ্রাম মাখনের দাম বেড়েছে ৩ টাকা এবং ৫০০ গ্রাম মাখনের দাম ১৫ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে।
কেন বাড়ল আমুলের ঘি ও মাখনের দাম?
গুজরাত এবং রাজস্থানে ব্র্যান্ডেড ঘি-এর চাহিদা বেড়ে গিয়েছে। তার মধ্যেই এই দাম বৃদ্ধির খবর সামনে এসেছে। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, ভেজাল দুগ্ধজাত পণ্যের বিরুদ্ধে প্রশাসনের অভিযান শুরু করেছে। তারপর অনেক ক্রেতাই পরিচিত ও প্রতিষ্ঠিত ব্র্যান্ডের ঘি কেনার দিকে ঝুঁকছেন। এর ফলেই দাম বাড়ছে।
আমুলের সঙ্গে যুক্ত এক সমবায় সংস্থার নেতার বক্তব্য উদ্ধৃত করে প্রকাশিত রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, গত ছ'মাসে গুজরাত ও রাজস্থান মিলিয়ে প্রায় ২ লক্ষ কেজি সন্দেহজনক নকল ঘি বাজেয়াপ্ত করেছে কর্তৃপক্ষ। এর জেরে ব্র্যান্ডেড ঘি-এর চাহিদা বেড়েছে বলে খবর। চাহিদা বৃদ্ধির ফলে সরবরাহের উপরেও চাপ তৈরি হয়েছে।
গুজরাতে আমুলের ঘি-এর ঘাটতি
আহমেদাবাদ এবং ভদোদরার বিভিন্ন দোকানে আমুলের কিছু পণ্যের সরবরাহ কমে যাওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছে। বিশেষ করে গরুর দুধের ঘি সহজে পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন খুচরো বিক্রেতারা।
এমন সময় এই ঘাটতির খবর সামনে এসেছে, যখন সাধারণত বাড়িতে মিষ্টি তৈরি, রান্না এবং উৎসবের প্রস্তুতির জন্য ঘি ও মাখনের চাহিদা বেড়ে যায়।
পুনে এবং কলকাতার বাজারেও সরবরাহের সমস্যার খবর পাওয়া গিয়েছে। তবে বিভিন্ন জায়গায় ঘাটতির পরিমাণ এবং তার কারণ আলাদা হতে পারে।
দাম বাড়ায় কতটা প্রভাব পড়বে সাধারণ মানুষের পকেটে?
উৎসবের মরশুমে ঘি ও মাখনের দাম বৃদ্ধি সাধারণ পরিবারের খরচ আরও বাড়াতে পারে। বিশেষ করে যাঁরা নিয়মিত বেশি পরিমাণে ঘি ও মাখন কেনেন, তাঁদের উপর এই মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব বেশি পড়বে। মিষ্টি, স্ন্যাকস এবং অন্যান্য খাবার তৈরির জন্য বেশি পরিমাণে এই পণ্য কেনা পরিবারগুলিকেও বাড়তি টাকা খরচ করতে হবে।