অন্নপূর্ণা যোজনার ভেরিফিকেশনঅন্নপূর্ণা যোজনার দ্বিতীয় দফার টাকা ইতিমধ্যেই লক্ষ লক্ষ মহিলার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ঢুকে গিয়েছে। আবার আবেদন করেও অনেক মহিলা ৩০০০ টাকা পাননি। এমতাবস্থায় অন্নপূর্ণার টাকা না পাওয়া অনেক মহিলার অ্যাপ্লিকেশন স্ট্যাটাস এখন আন্ডার ইনকোয়ারি রয়েছে। তাঁদের আবার নতুন করে ভেরিফিকেশন শুরু হয়েছে।
সরকারের তরফে জানান হয়েছে, এবার বাড়ি বাড়ি শুরু হয়ে গিয়েছে অন্নপূর্ণা যোজনার ভেরিফিকেশন। যাঁদের আবেদন রিজেক্টেড দেখাচ্ছিল, তাঁদের অ্যাপ্লিকেশন নতুন করে যাচাই করার কাজ চলছে।
মাথায় রাখতে হবে, অন্নপূর্ণা যোজনার ক্ষেত্রে প্রায় ২৮ লক্ষ মহিলার আবেদন রিজেক্ট করা হয়েছিল। আর সেই সকল মহিলাদের ফর্ম আবার নতুন করে যাচাই করা হচ্ছে। সেখানে যদি কারও আবেদন ঠিক ঠাক হয়, তাহলে তিনি টাকা পাবেন। নইলে রিজেক্ট হয়ে যাবে।
কী কী নথি লাগছে?
আগেই বলেছি, অন্নপূর্ণা যোজনার বাড়ি বাড়ি ভেরিফিকেশন শুরু হয়ে গিয়েছে। আর সেক্ষেত্রে সরকারি কর্মীরা নির্দিষ্ট কিছু নথি দেখতে চাইছেন আবেদনকারীর কাছ থেকে। তাই সেই সব নথি হাতের কাছে রেখে দেওয়াটাই সব থেকে বুদ্ধিমানের কাজ।
এক্ষেত্রে সরকারি কর্মীরা আবেদনকারী ও তাঁর পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের আধার কার্ড, ভোটার কার্ড ও রেশন কার্ড দেখতে চাইতে পারেন। তাই এই সব কার্ডগুলি অবশ্যই সঙ্গে রাখুন।
কী কী যাচাই করা হচ্ছে?
সরকারি কর্মীরা আবেদনকারীর বাড়ি বা ঘর দেখতে পারেন। সেই সঙ্গে বাড়ির কারও চার চাকা গাড়ি আছে কি না, এসআইআর তালিকায় নাম রয়েছে কি না, ট্রাইব্যুনালে আবেদন করা হয়েছে কি না, এই সব বিষয়গুলিও দেখতে পারেন।
এসবের পাশাপাশি বাড়িতে শিশু থাকলে তার টিকাকরণ কোথায় হয়েছে, সে কোন স্কুলে পড়ে, এই সব বিষয়গুলিও জানতে চাইতে পারেন সরকারি প্রতিনিধিরা। এছাড়া আবেদনকারী নিজে আয়কর দেন কি না, সেটা নিয়েও প্রশ্ন করতে পারেন। তাই এই সব বিষয়গুলি অবশ্যই মাথায় রাখুন। এই সব প্রশ্নের ঠিক ঠাক উত্তর দিন। তাহলেই টাকা পেয়ে যাবেন।
আবেদনে ভুল থাকলে করা যাবে সংশোধন
অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্মে ভুল হলে রিজেক্ট হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। যদিও এখন থেকেই সেই ভুল অনায়াসে সংশোধন করে ফেলা সম্ভব হবে। তাই আরও একবার নিজের ফর্মটা ডাউনলোড করুন। দেখুন কোনও ভুল করেছেন কি না। কোনও ভুল থাকলে সেটা নিজে ঠিক করুন বা সরকারি কর্মীকে জানান। তাহলেই অন্নপূর্ণা যোজনার ৩০০০ টাকা পেয়ে যাবেন।