নতুন Pulsar N160 S এবং Pulsar N160 SS আনল Bajaj, দেড় লাখের মধ্যে Best Bike?

নতুন Pulsar N160 S এবং Pulsar N160 SS আনল Bajaj। শুধু লুকস নয়। ইঞ্জিন থেকে শুরু করে ইলেকট্রনিক্স, সাসপেনশন এবং সেফটিতেও এসেছে বড়সড় আপডেট। দিল্লিতে এক্স-শোরুম দাম শুরু যথাক্রমে ১,৩৩,৫১১ টাকা এবং ১,৪২,৫৮৫ টাকা থেকে।

Advertisement
নতুন Pulsar N160 S এবং Pulsar N160 SS আনল Bajaj, দেড় লাখের মধ্যে Best Bike?নতুন Pulsar N160 S এবং Pulsar N160 SS আনল Bajaj।
হাইলাইটস
  • নতুন Pulsar N160 S এবং Pulsar N160 SS আনল Bajaj।
  • দিল্লিতে এক্স-শোরুম দাম শুরু যথাক্রমে ১,৩৩,৫১১ টাকা এবং ১,৪২,৫৮৫ টাকা থেকে।
  • আগের ভার্সানের তুলনায় পিকআপ অনেকটাই বেড়েছে।

নতুন Pulsar N160 S এবং Pulsar N160 SS আনল Bajaj। শুধু লুকস নয়। ইঞ্জিন থেকে শুরু করে ইলেকট্রনিক্স, সাসপেনশন এবং সেফটিতেও এসেছে বড়সড় আপডেট। দিল্লিতে এক্স-শোরুম দাম শুরু যথাক্রমে ১,৩৩,৫১১ টাকা এবং ১,৪২,৫৮৫ টাকা থেকে। সবচেয়ে বড় পরিবর্তন ইঞ্জিনে। পুরনো ১৬৪.৯ সিসি টু-ভালভ ইউনিটের পরিবর্তে নতুন Pulsar N160 S ও SS-এ ১৬৪.৫ সিসির সিঙ্গল-সিলিন্ডার ফোর-ভালভ ইঞ্জিন পাবেন। এই ইঞ্জিন সর্বোচ্চ ১৮ বিএইচপি পাওয়ার এবং ১৪.৪ এনএম টর্ক জেনারেট করে। আগের ভার্সানের তুলনায় পিকআপ অনেকটাই বেড়েছে। সংস্থার দাবি, নতুন বাইক মাত্র ৪.৫ সেকেন্ডে ০ থেকে ৬০ কিমি স্পিড তুলতে পারবে।

নতুন ইঞ্জিন, নতুন থ্রটল টেকনোলজি
আগের N160-এ ছিল এয়ার-কুলড ইঞ্জিন ও মেকানিক্যাল থ্রটল। নতুন ভার্সানে অয়েল-কুলড ইঞ্জিন এবং ইলেকট্রনিক থ্রটল (Intelligent Throttle)। তবে আগের মতোই ৫-স্পিড গিয়ারবক্স রাখা হয়েছে।

এই ইলেকট্রনিক থ্রটলের কারণেই একাধিক আধুনিক ফিচার পাবেন। চারটি রাইডিং মোড দেওয়া হয়েছে; Road, Rain, Sport এবং Off-Road। রাস্তার পরিস্থিতি অনুযায়ী থ্রটল রিঅ্যাকশন বদলে যাবে। ফলে বিভিন্ন কন্ডিশনে বাইক চালানো আরও সহজ ও নিরাপদ হবে।

নতুন Pulsar N160 S এবং SS Atlantic Blue, Pearl Metallic White এবং Brooklyn Black, এই তিনটি রঙে পাবেন। 
নতুন Pulsar N160 S এবং SS Atlantic Blue, Pearl Metallic White এবং Brooklyn Black, এই তিনটি রঙে পাবেন। 

শহরের যানজটেও দিব্যি চালাতে পারবেন
নতুন Pulsar N160-এ Crawl Technology রয়েছে। এই প্রযুক্তির সাহায্যে কম গতিতে, এমনকি উঁচু গিয়ারেও, বারবার ক্লাচ ব্যবহার না করেই বাইক ধীরে ধীরে এগিয়ে নেওয়া যাবে। বিশেষ করে শহরের যানজটে এই ফিচার বেশ ভালই কাজে লাগবে। মফস্বলের অলি-গলি, ঘিঞ্জি রাস্তায় বাইক চালানোর জন্য এটা বেস্ট। 

টপ ভ্যারিয়েন্টে ট্র্যাকশন কন্ট্রোল ও Google Maps
Pulsar N160 SS-এ রয়েছে আরও নানারকম টুকটাক টেকনোলজি আছে। এই ভ্যারিয়েন্টে  Traction Control System পাবেন। রাস্তার গ্রিপ কমে গেলে চাকা হুট করে স্লিপ খাবে না।

এ ছাড়াও SS ভ্যারিয়েন্টে ৫ ইঞ্চির TFT ডিসপ্লে রয়েছে। তাতে ডাইরেক্ট Google Maps মিরর করতে পারবেন। আলাদা করে ফোন লাগিয়ে রাখতে হবে না। এই সেগমেন্টে এই প্রথম কোনও বাইকে এমন মডার্ন ফিচার দেওয়া হল। 

অন্যদিকে N160 S-এ LCD ডিসপ্লে রয়েছে। পাশাপাশি ব্লুটুথ কানেক্টিভিটি এবং টার্ন-বাই-টার্ন নেভিগেশন পাবেন।

Advertisement

ব্রেকিং ও সাসপেনশনেও বড় আপগ্রেড
দুই নতুন মডেলেই আগের তুলনায় বেটার সাসপেনশন। আগের ৩৩ মিমি USD ফর্কের জায়গায় এবার দেওয়া হয়েছে ৩৭ মিমি Upside Down (USD) ফ্রন্ট ফর্ক। পিছনে আগের মতোই রয়েছে মনোশক সাসপেনশন।

ব্রেকিং সিস্টেমও আপগ্রেড করেছে বাজাজ। সামনে রয়েছে ৩০০ মিমি ডিস্ক ব্রেক, পিছনে ২৩০ মিমি ডিস্ক। N160 S-এ মিলবে সিঙ্গল-চ্যানেল ABS, আর N160 SS-এ রয়েছে ডুয়াল-চ্যানেল ABS। ট্র্যাকশন কন্ট্রোলও শুধুমাত্র SS ভ্যারিয়েন্টেই পাওয়া যাবে। এছাড়া SS-এ রয়েছে অ্যাডজাস্টেবল ব্রেক ও ক্লাচ লিভার, যেখানে S ভ্যারিয়েন্টে ফিক্সড লিভার রয়েছে।

ডিজাইনে ছোটখাটো পরিবর্তন
নতুন Pulsar N160-র স্ট্রিটফাইটার ডিজাইন আগের মতোই রাখা হলেও নতুন গ্রাফিক্স এবং রঙিন অ্যালয় হুইল পাবেন। SS ভ্যারিয়েন্টে হ্যান্ডেলবারের অ্যাঙ্গেল এবং সিট হাইটেও কিছু বদল করা হয়েছে। লং রাইডেও খুব বেশি অসুবিধা হবে না। 

নতুন Pulsar N160 S এবং SS Atlantic Blue, Pearl Metallic White এবং Brooklyn Black, এই তিনটি রঙে পাবেন। 

POST A COMMENT
Advertisement