কলকাতা সহ সারাদেশে ব্য়াঙ্ক ধর্মঘট১২ ফেব্রুয়ারি দেশজুড়ে ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে দেশের একাধিক ব্যাঙ্কিং কর্মী সংগঠন। INTUC, AITUC, HMS, CITU, AIUTUC, TUCC, SEWA, AICCTU, LPF, UTUC-সহ আরও বেশ কয়েকটি ট্রেড ইউনিয়নের তরফে সর্বসম্মতি ক্রমে ধর্মঘটের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই ধর্মঘটের উদ্দেশ্য হল, নতুন শ্রম কোডে (যেখানে বিদ্যমান ২৯টি শ্রম আইন বাতিল করা হয়েছে) থাকা শ্রমিক-বিরোধী ও জনবিরোধী ধারা এবং কেন্দ্র সরকারের বিভিন্ন নীতি, প্রস্তাব ও সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানো। পাশাপাশি রয়েছে সপ্তাহে ২ দিন ব্যাঙ্কিং ছুটির দাবিও।
কী কী দাবি তুলে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি এই ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়েছে?
উল্লেখ্য বিষয় হল, এখন ব্যাঙ্কগুলি প্রতি মাসের দ্বিতীয় এবং চতুর্থ শনিবারে অফিসিয়াল ছুটি থাকছে। এই নিয়ম চালু করা হয়েছিল ২০১৫ সাল থেকে। এই ছুটি দেশের সকল সরকারি ও বেসরকারি ব্যাঙ্কের ক্ষেত্রে বাধ্যতামূলক ভাবে প্রযোজ্য রয়েছে। তবে, মাসের প্রথম, তৃতীয় এবং পঞ্চম শনিবার পুরো দস্তুর কাজ হয়। তবে এই নিয়ম নিয়েই গত কয়েক বছরে আন্দোলন তীব্র করেছেন ব্যাঙ্ক কর্মীরা। তাঁরা শনি-রবিবার দু'দিনই ছুটি চাইছেন।
অন্যদিকে, বৃহস্পতিবার কিন্তু শুধুমাত্র ব্যাঙ্ক ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়নি। দেশের একাধিক কেন্দ্রীয় শ্রমিক সংগঠনগুলিও এই একই দিনে ভারত বনধের ডাক দিয়েছে। ফলে শুধুমাত্র যে ব্যাঙ্ক বন্ধ থাকবে তাই নয়, একাধিক জায়গায় রেল ও বাস চলাচলেও প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
ATM-এ প্রভাব পড়তে পারে?
বিশেষ বিষয় হল, একদিন বা দু'দিনের ধর্মঘটে সাধারণত ATM-এর উপর কোনও প্রভাব পড়ে না। কিন্তু যখন পরপর দীর্ঘদিন ব্যাঙ্ক বন্ধ থাকে তখন ATM-এর টাকার আকাল দেখা যায়। কারণ, সেই সময়ে ব্যাঙ্ক থেকে ATM-এ টাকা ভরা হয় না। তবে বৃহস্পতিবারের ধর্মঘটে ATM-এর উপর খুব বেশি প্রভাব পড়বে না বলেই মনে করছেন ব্যাঙ্কিং খাতের বিশেষজ্ঞরা।