Bikes under 1.5 lakh: Royal Enfield থেকে Pulsar, দেড় লাখের মধ্যে এই বাইকগুলি দারুণ

স্টাইলিশ লুক, ভাল পারফরম্যান্স এবং সাধ্যের মধ্যে দাম। অনেকেই আজকাল মিড রেঞ্জের কমিউটার বাইকের দিকে ঝুঁকছেন। দেড় লক্ষ টাকার মধ্যে বাজারে এমন কিছু মোটরসাইকেল রয়েছে, যেগুলি দৈনন্দিন যাতায়াতের পাশাপাশি উইকএন্ড রাইডেও দারুণ।

Advertisement
Royal Enfield থেকে Pulsar, দেড় লাখের মধ্যে এই বাইকগুলি দারুণRoyal Enfield Hunter 350 ও পাবেন এই বাজেটের মধ্যেই।
হাইলাইটস
  • স্টাইলিশ লুক, ভাল পারফরম্যান্স এবং সাধ্যের মধ্যে দাম। 
  • অনেকেই আজকাল মিড রেঞ্জের কমিউটার বাইকের দিকে ঝুঁকছেন।
  • এই দামের মধ্যে মূলত শহুরে ক্রুজার এবং স্ট্রিটফাইটার বাইক পাবেন।

স্টাইলিশ লুক, ভাল পারফরম্যান্স এবং সাধ্যের মধ্যে দাম। অনেকেই আজকাল মিড রেঞ্জের কমিউটার বাইকের দিকে ঝুঁকছেন। দেড় লক্ষ টাকার মধ্যে বাজারে এমন কিছু মোটরসাইকেল রয়েছে, যেগুলি দৈনন্দিন যাতায়াতের পাশাপাশি উইকএন্ড রাইডেও দারুণ। এই দামের মধ্যে মূলত শহুরে ক্রুজার এবং স্ট্রিটফাইটার বাইক পাবেন। সেই তালিকাতেই নজর দেওয়া যাক।

এই ক্যাটেগরিতে প্রথমেই আসে হিরো এক্সট্রিম ১৬০আর ৪ভি। আধুনিক ডিজাইন এবং আক্রমণাত্মক পারফরম্যান্সের জন্য এই বাইকটি আলাদা করে নজর কেড়েছে। ১৬৩.২২ সিসি, এয়ার-কুলড, চার ভালভ ইঞ্জিন থেকে ৮,৫০০ আরপিএম-এ ১৬.৭ বিএইচপি পাওয়ার এবং ৬,৫০০ আরপিএম-এ ১৪.৬ এনএম টর্ক পাবেন। সামনে কেওয়াইবি ইউএসডি ফর্ক, পিছনে সাত ধাপ অ্যাডজাস্টেবল মনোশক এবং ডুয়াল-চ্যানেল এবিএস রয়েছে। সেগমেন্টে প্রথমবারের মতো প্যানিক ব্রেকিং অ্যালার্ট এই বাইকের অন্যতম নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য। দাম শুরু ১.২৯ লক্ষ টাকা থেকে।

ক্লাসিক লুকের সঙ্গে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স চাইলে রয়্যাল এনফিল্ড হান্টার ৩৫০ অন্যতম সেরা অপশন। ৩৪৯ সিসি, এয়ার-কুলড, সিঙ্গল সিলিন্ডার ইঞ্জিন থেকে ৬,১০০ আরপিএম-এ ২০.২ বিএইচপি শক্তি এবং ৪,০০০ আরপিএম-এ ২৭ এনএম টর্ক পাওয়া যায়। পাঁচ গতির গিয়ারবক্স রয়েছে এই বাইকে। সামনে টেলিস্কোপিক ফর্ক এবং পিছনে টুইন শক অ্যাবজর্বর ব্যবহার করা হয়েছে। ৭৯০ মিমি সিট হাইট এবং ১৮১ কেজি কার্ব ওয়েট শহরের রাস্তায় এই বাইককে তুলনামূলক ভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখে।

পারফরম্যান্সের দিক থেকে তালিকার অন্যতম শক্তিশালী নাম বাজাজ পালসার এন২৫০। ২৪৯ সিসি, অয়েল-কুলড ফুয়েল ইনজেকশন ইঞ্জিন থেকে ৮,৭৫০ আরপিএম-এ ২৪.১ বিএইচপি শক্তি এবং ৬,৫০০ আরপিএম-এ ২১.৫ এনএম টর্ক পাওয়া যায়। সামনে ইউএসডি ফর্ক, পিছনে মনোশক এবং ডুয়াল-চ্যানেল এবিএসের সঙ্গে ট্র্যাকশন কন্ট্রোল রয়েছে। বাই-ফাংশনাল এলইডি প্রোজেক্টর হেডল্যাম্প, ব্লুটুথ কানেক্টেড কনসোল এবং রাইড মোড দৈনন্দিন ব্যবহারে বাড়তি সুবিধা দেয়। ১৪ লিটারের ফুয়েল ট্যাঙ্ক এবং ১৬৪ কেজি কার্ব ওয়েট এই বাইককে লং রাইডের জন্যও উপযুক্ত করে তোলে।

Advertisement

তালিকায় আর এক গুরুত্বপূর্ণ নাম টিভিএস অ্যাপাচি আরটিআর ২০০ ৪ভি। ১৯৭.৭৫ সিসি, অয়েল-কুলড ইঞ্জিনে স্পোর্ট মোডে ২০.৫ বিএইচপি এবং আরবান বা রেন মোডে ১৭ বিএইচপি শক্তি পাওয়া যায়। টর্ক যথাক্রমে ১৭.২৫ এনএম এবং ১৫.১ এনএম। রাইড মোড, স্লিপার ক্লাচ, ডুয়াল-চ্যানেল এবিএস এবং অ্যাডজাস্টেবল লিভার এই বাইকের বৈশিষ্ট্য।

সব মিলিয়ে, দেড় লক্ষ টাকার মধ্যে এই বাইকগুলি স্টাইল, পারফরম্যান্স এবং ব্যবহারিক দিক থেকে কমিউটার সেগমেন্টে শক্ত জায়গা করে নিয়েছে। শহরের রোজকার যাতায়াত হোক বা মাঝেমধ্যে লং রাইড; প্রয়োজন অনুযায়ী পছন্দ করার সুযোগ রয়েছে ক্রেতাদের সামনে।

POST A COMMENT
Advertisement