Motorcycle-এর পেট্রোল খরচ কমাতে চান? মাইলেজ বাড়ানোর 'নিনজা টেকনিক' শিখে নিন

Bike Mileage Tips: পেট্রোলের বাড়তি দামে নাজেহাল সাধারণ মানুষ। প্রতিদিন বাইক ব্যবহার করতে গেলে খরচ বেড়েই চলেছে। তবে কিছু সহজ কৌশল মেনে চললে একই বাইকে অনেক বেশি মাইলেজ পাওয়া সম্ভব।

Advertisement
Motorcycle-এর পেট্রোল খরচ কমাতে চান? মাইলেজ বাড়ানোর 'নিনজা টেকনিক' শিখে নিনবাইকের মাইলেজ বাড়ানোর নিনজা টেকনিক শিখে নিন।
হাইলাইটস
  • পেট্রোলের বাড়তি দামে নাজেহাল সাধারণ মানুষ।
  • প্রতিদিন বাইক ব্যবহার করতে গেলে খরচ বেড়েই চলেছে।
  • কিছু সহজ কৌশল মেনে চললে একই বাইকে অনেক বেশি মাইলেজ পাওয়া সম্ভব।

Bike Mileage Tips: পেট্রোলের বাড়তি দামে নাজেহাল সাধারণ মানুষ। প্রতিদিন বাইক ব্যবহার করতে গেলে খরচ বেড়েই চলেছে। তবে কিছু সহজ কৌশল মেনে চললে একই বাইকে অনেক বেশি মাইলেজ পাওয়া সম্ভব। শুধু তাই নয়, বাইকের পারফরম্যান্সও দীর্ঘদিন ভালো রাখা যায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, চালানোর অভ্যাস ও নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ; এই দুইয়ের সমন্বয়েই লুকিয়ে রয়েছে পেট্রোল বাঁচানোর আসল ‘নিনজা’ টেকনিক।

প্রথমেই নজর দিতে হবে বাইকের গতি ও গিয়ার ব্যবহারের উপর। হঠাৎ করে জোরে অ্যাক্সিলারেট করা বা বারবার ব্রেক কষা; এই অভ্যাস পেট্রোল খরচ বাড়িয়ে দেয়। মসৃণভাবে গতি বাড়ানো এবং সঠিক সময়ে গিয়ার বদল করলে ইঞ্জিনের উপর চাপ কম পড়ে। ফলে মাইলেজও বাড়ে।

টায়ারের হাওয়ার চাপ ঠিক রাখা অত্যন্ত জরুরি। অনেক সময় টায়ারে কম হাওয়া থাকলে বাইক চালাতে বেশি শক্তি লাগে। এতে ইঞ্জিন বেশি জ্বালানি খরচ করে। তাই সপ্তাহে অন্তত একবার টায়ারের প্রেসার চেক করা দরকার। এতে শুধু পেট্রোলই বাঁচে না, দুর্ঘটনার ঝুঁকিও কমে।

নিয়মিত সার্ভিসিংও মাইলেজ বাড়ানোর অন্যতম চাবিকাঠি। ইঞ্জিন অয়েল সময়মতো বদলানো, এয়ার ফিল্টার পরিষ্কার রাখা; এই ছোটখাটো বিষয়গুলি বাইকের পারফরম্যান্সে বড় প্রভাব ফেলে। নোংরা ফিল্টার বা পুরনো তেল ইঞ্জিনের কার্যক্ষমতা কমিয়ে দেয়, যার ফলে জ্বালানি বেশি খরচ হয়।

অনেকেই ট্রাফিক সিগনালে দাঁড়িয়ে ইঞ্জিন চালু রাখেন। এই অভ্যাসও পেট্রোল নষ্ট করে। যদি ২০-৩০ সেকেন্ডের বেশি সময় দাঁড়াতে হয়, তাহলে ইঞ্জিন বন্ধ রাখাই ভালো। এতে অপ্রয়োজনীয় জ্বালানি খরচ কমে।

বাইক চালানোর সময় অতিরিক্ত ওজন বহন করাও মাইলেজ কমার একটি কারণ। বাইকের উপর যত বেশি চাপ পড়বে, তত বেশি পেট্রোল লাগবে। তাই অপ্রয়োজনীয় জিনিস বহন না করাই বুদ্ধিমানের কাজ।

সবশেষে, গাড়ির স্পিড ৪০-৬০ কিমি প্রতি ঘণ্টার মধ্যে রাখলে সাধারণত সবচেয়ে ভালো মাইলেজ পাওয়া যায়। খুব বেশি গতিতে বাইক চালালে ইঞ্জিন দ্রুত জ্বালানি খরচ করে ফেলে।

Advertisement

সব মিলিয়ে, এই সহজ টেকনিকগুলি মেনে চললে পেট্রোলের খরচ অনেকটাই কমানো সম্ভব। একই সঙ্গে বাইকও দীর্ঘদিন ভালো থাকবে। দৈনন্দিন জীবনে একটু সচেতন হলেই সাশ্রয় হবে খরচ, আর বাড়বে বাইকের আয়ু; এই বার্তাই দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। 

POST A COMMENT
Advertisement