বাজেট ২০২৬ স্টক মার্কেটবাজেটের আগেই চাঙ্গা শেয়ারবাজার। সেনসেক্স উঠে গিয়েছে ২৪০ পয়েন্ট। ওদিকে লাফিয়েছে নিফটিও। এটি ৫৪ পয়েন্ট বেড়েছে। তবে বেদান্ত, হিন্দুস্তান জিঙ্ক এবং হিন্দুস্তান কপারের দামেও বড় পতন দেখা গিয়েছে।
এ দিন বাজার খোলার পরই নীচের দিকে নামতে থাকে দুই সূচক। সেনসেক্সের প্রথম ৩০টি স্টকের মধ্যে ১৮টির দাম রয়েছে পজিটিভ। ১২টির দাম আবার পড়েছে। নিফটি ট্রেড করছে ২৫৩০০ পয়েন্টে। আর সেনসেক্স রয়েছে ৮২২০০ পয়েন্টে।
টাটা স্টিল থেকে শুরু করে ইনফোসিস, এইচসিএল টেক এবং বাজাজ ফিনান্স সবথেকে বেশি নেমেছে। ব্যাঙ্কিং সেক্টরেও নেমেছে ধস। সরকারের অধীনস্ত ব্যাঙ্কগুলির শেয়ারে ১ শতাংশের বেশি পতন এসেছে।
আসলে মার্কেট শুক্রবার থেকেই লাল হয়ে যায়। নিফটি পড়ে যায় ১০০ পয়েন্টের বেশি। এটি ২৫৩০০ পয়েন্টের খানিকটা উপরে শেষ করে। আর আজ সকালে সেনসেক্স ২০০ পয়েন্ট নেমে পৌঁছে যায় ৮২২৭০ পয়েন্টে। তারপর আবার উঠতে শুরু করেছে বাজার।
কোন কোন স্টকের অবস্থা খারাপ?
এ দিন মার্কেট খোলার পরই খারাপ অবস্থা হয়েছে হিন্দুস্তান জিঙ্কের। এটি ১০ শতাংশের বেশি পড়েছে। হিন্দুস্তান কপার ১৮ শতাংশ নেমেছে। এছাড়া হিন্দুস্তান অ্যালমুনিয়াম ৫ শতাংশ ক্র্যাশ করেছে। হিন্দালকো পড়েছে ৭ শতাংশ।
কোন কোন স্টক বাড়ছে?
এই খারাপ বাজারেও কিছু স্টকের দাম ঊর্ধ্বমুখী। আর সেই তালিকায় বিশেষ করে নাম করতে হয় ডিফেন্স স্টকগুলির। বিইএল এবং ডেটা প্যাটার্নের মতো স্টকের দাম আজ ২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। যার ফলে অনেকেই আশা করছেন ডিফেন্সে ভাল পরিমাণ টাকা বিনিয়োগ হওয়ার একটা সম্ভাবনা রয়েছে।
কী করবেন?
এই পরিস্থিতিতে চুপচাপ চোখ রাখতে হবে বাজেটের দিকে। স্টক মার্কেট এখন থাকবে অস্থিরতা। তাই নতুন বিনিয়োগকারীরা সাবধানে ট্রেড করুন। নইলে বিপদ হতে পারে। টাকা উড়ে যেতে পারে হাত থেকে।
আর যাঁরা অনেক দিন ধরে বিনিয়োগ করছেন, তাঁরাও সাবধান হন। ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নিন। কখন যে বাজারে কোন পরিবর্তন আসবে, সেটা কারও পক্ষেই বোঝা সম্ভব নয়। যেই কারণে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন।
বিদ্র: এই নিবন্ধটি পড়ে আবার স্টক কিনবেন না বা বিনিয়োগ করবেন না। এটি খবর দেওয়ার এবং শিক্ষার উদ্দেশ্যে লেখা হয়েছে। কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। এছাড়া নিজেও করুন রিসার্চ। তারপরই স্টকে করুন ইনভেস্ট।