Mobile Phone in Polling Booth: মোবাইল নিয়ে ভোট দেওয়া যাবে? বড় আপডেট জেনে নিন

মোবাইল এখন আমাদের সর্বক্ষণের সঙ্গী। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত এই গ্যাজেট ছাড়া আমাদের চলেই না। কিন্তু প্রশ্ন হল, মোবাইল নিয়ে কি ভোট দিতে যাওয়া যাবে? আর সেই প্রশ্নের উত্তর দিয়ে দিয়েছে কমিশন।

Advertisement
মোবাইল নিয়ে ভোট দেওয়া যাবে? বড় আপডেট জেনে নিনমোবাইল ফোন নিয়ে ভোট দিতে পারবেন?
হাইলাইটস
  • মোবাইল এখন আমাদের সর্বক্ষণের সঙ্গী
  • কিন্তু প্রশ্ন হল, মোবাইল নিয়ে কি ভোট দিতে যাওয়া যাবে?
  • আর সেই প্রশ্নের উত্তর দিয়ে দিয়েছে কমিশন

মোবাইল এখন আমাদের সর্বক্ষণের সঙ্গী। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত এই গ্যাজেট ছাড়া আমাদের চলেই না। কিন্তু প্রশ্ন হল, মোবাইল নিয়ে কি ভোট দিতে যাওয়া যাবে? আর সেই প্রশ্নের উত্তর দিয়ে দিয়েছে কমিশন। তাদের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, মোবাইল নিয়ে কোনওভাবেই ভোট দিতে দেওয়া যাবে না। এই গ্যাজেটটা রেখেই ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করতে হবে। 

আর সত্যি বলতে, এই নিয়মটা জেনে অবাক হবেন না। কারণ, এটা নতুন কোনও নিয়ম নয়। বরং বছরের পর বছর ধরে এই নিয়মটা চলছে। মোবাইল নিয়ে ভোটকেন্দ্রে যাওয়াই যায় না। ওটা রেখেই যেতে হয়। 

কমিশনের মতে, মোবাইল নিয়ে ভোটকেন্দ্রে ঢুকলে নিরাপত্তার সমস্যা হতে পারে। সেটা চায় না কমিশন। তাই মোবাইল রেখেই পোলিং বুথে যেতে হয়। এটাই নিয়ম। 

কী করবেন? 
এতদিন মোবাইল ফোন বাড়িতে রেখে এসে ভোট দিতে হতো। এটাই ছিল নিয়ম। তবে এবার এই সমস্যার সহজ সমাধান করে দিয়েছে কমিশন। তাদের তরফে থেকে মোবাইল ফোন জমা রাখার জন্য একটা বিশেষ কাউন্টার তৈরি করা হয়েছে। সেই কাউন্টারে ফোন রেখে আপনি ভোট দিতে যেতে পারেন। আবার বেরিয়ে এসে নিয়ে নিতে পারেন ফোন। তাই ফোন বাড়িতে রেখে যাওয়ার ঝক্কি আর এবার থাকছে না। বরং কমিশন এই সমস্যার সমাধান করে দিয়েছে। 

আর কী কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে? 
এবার ভোটারদের সুবিধার্থে একাধিক ব্যবস্থা নিয়েছে কমিশন। তাদের পক্ষ থেকে জানান হয়েছে, এবার বয়স্ক ভোটারদের সুবিধার্থে সব বুথ একতলায় করার চেষ্টা হচ্ছে। এখানেই শেষ নয়, প্রতিটি বুথে যেন টয়লেট থাকে, সেটাও নিশ্চিত করতে চাইছে তারা। এছাড়া প্রতিটা বুথে জলের বন্দোবস্ত করা হচ্ছে।

নিরাপত্তা থাকবে জোরদাহ
এবার ভোট নিয়ে প্রথম থেকেই কড়া কমিশন। তাদের পক্ষ থেকে শান্তিপূর্ণ ভোট করার উদ্দেশ্যে একাধিক বড় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

এই যেমন সিভিক ভলান্টিয়র থেকে শুরু করে গ্রিন পুলিশ এবং ভিলেজ পুলিশদের ভোটের কাজে ব্যবহার না করার দেওয়া হয়েছে নির্দেশ। পাশাপাশি প্রত্যেকটা বুথে রিয়েল টাইম ওয়েবকাস্ট করছে কমিশন। এমনকী বুথের ১০০ মিটার চক দিয়ে দাগ কেটে দেওয়া হবে বলেও জানান হয়েছে। এভাবেই সুষ্ঠু নির্বাচন করতে চাইছে কমিশন। এখন দেখার তারা নিজেদের লক্ষ্যে কতটা সফল হয়।

Advertisement

 

POST A COMMENT
Advertisement