অন্নপূর্ণা যোজনা১ জুলাই থেকে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ঢুকবে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের টাকা। এই যোজনায় ১ কোটি ৫১ লক্ষ আবেদন করেছিলেন। স্কুটিনি করে প্রায় ১ কোটি ২০ লক্ষের বেশি মহিলার নাম নথিভুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে ৫ লক্ষ আদিবাসী রয়েছেন। এই সব মহিলারা মাসে ৩০০০ টাকা পাবেন। আজ হুল দিবসের মুকুটমণিপুর থেকে এমনটাই জানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
মাথায় রাখতে হবে, ভোটের আগে মহিলাদের মাসে ৩ হাজার টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল বিজেপি। আর বিপুল জনমত নিয়ে সরকারে আসার পরই সেই প্রকল্প চালু করে দিয়েছে শুভেন্দু সরকার। বাংলায় স্থায়ীভাবে বসবাসকারী মহিলারা অনলাইনে এবং অফলাইনে করে ফেলেছেন আবেদন। তাঁদের মধ্যে অনেকের আবেদেনের স্ক্রুটিনি হয়ে টাকাও পেয়ে গিয়েছেন। কিন্তু এখনও অনেকের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা ঢোকা বাকি। আর মুখ্যমন্ত্রী আজ ঘোষণা করে দিলেন যে ১ জুলাই টাকা পেয়ে যাবেন অনেক মহিলা।
আর কী বললেন তিনি?
আজ হুল দিবসে প্রথম থেকেই আদিবাসী সমাজের উন্নতির পক্ষে সওয়াল করেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, 'আদিবাসীদের জল, জমি, জঙ্গলের অধিকারের লড়াই প্রতিষ্ঠিত হোক।'
তিনি জানান, বিজেপি সরকার সবসময় আদিবাসীদের পাশে থেকেছে। আদিবাসীদের উন্নয়নের নেপথ্যে কাজ করেছে। বিজেপি সরকারের আমলে রাষ্ট্রপতি হয়েছেন দ্রৌপদী মুর্মু। পাশাপাশি একাধিক বিজেপি শাসিত রাজ্যে আদিবাসীদের মুখ্যমন্ত্রী করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, এই রাজ্যের বর্তমান মন্ত্রিসভাতেও যে একাধিক আদিবাসী রয়েছেন, সেটাও জানালেন তিনি।
এছাড়া তিনি আজকের সভা থেকেই বিকশিত ভারত তৈরির জন্য আদিবাসীদের সহযোগিতার আবেদন করলেন। পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গের নয়া বিজেপি সরকার যে আদিবাসী উন্নয়নে কাজ করে যাবে, সেটাও জানালেন। তিনি বললেন, 'জঙ্গলমহলের ৭৫টা ব্লকে ব্যাপক উন্নতি হবে।' পাশাপাশি আদিবাসীদের ক্রিড়াক্ষেত্রে উন্নয়নেও এই সরকার কাজ করবে বলে দাবি করলেন তিনি।
এখানেই শেষ না করে শুভেন্দুর আরও অভিযোগ, তৃণমূল সরকার আদিবাসীদের সংরক্ষণ দেয়নি। কারণ, আগের সরকার স্থায়ী চাকরি দিত না। তাই চাকরিতে সংরক্ষণ নীতি দেওয়া হয়নি। পাশাপাশি এই এই রাজ্যে ভুয়ো এসসি এবং এসটি সার্টিফিকেট দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করলেন তিনি। এই প্রসঙ্গে তিনি জানালেন, এই নিয়ে তদন্ত চলছে। দুর্নীতি প্রমাণ হলে যিনি সার্টিফিকেট দিয়েছেন আর যিনি নিয়েছেন, দুইজনকেই জেলে পাঠানো হবে।