Suvendu Adhikari Janatar Darbar: মুখ্যমন্ত্রীর জনতার দরবারে আপনি কীভাবে যেতে পারবেন? আবেদনের পদ্ধতি রইল

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর জনতার দরবারে যেতে চান? কোথায় যেতে হবে? কীভাবে লেখাবেন নাম? কী কী ডকুমেন্ট লাগবে? সব তথ্য জানুন।

Advertisement
মুখ্যমন্ত্রীর জনতার দরবারে আপনি কীভাবে যেতে পারবেন? আবেদনের পদ্ধতি রইলশুভেন্দু অধিকারীর জনতার দরবার
হাইলাইটস
  • শুভেন্দু অধিকারীর জনতার দরবারে যেতে চান?
  • কোথায় যেতে হবে?
  • কীভাবে লেখাবেন নাম?

বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে বসেই একাধিক নতুন সরকারি প্রকল্প শুরু করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। পাশাপাশি রাজ্যের সাধারণ মানুষের অভিযোগ জানতেও উদ্যোগী হয়েছে তিনি। সেই মতো দলীয় উদ্যোগে চালু হয়েছে জনতার দরবার। সল্টলেকের বিজেপির পার্টি অফিসে বসছে এই দরবার। সেখানে অনেক মানুষ উপস্থিত হচ্ছেন। তাঁরা নিজেদের অভাব, অভিযোগ ও গত সরকারের আমলের নানা দুর্নীতির কথা জানাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে। আর তাতেই নাকি হচ্ছে কাজ। ঝটপট সমাধান পেয়েছেন অনেকেই বলে শোনা যাচ্ছে।

তাই চটজলদি সুরহা পেতে অনেকেই মুখ্যমন্ত্রীর জনতার দরবারে যেতে চাইছেন। এখন প্রশ্ন হল, ঠিক কীভাবে জনতার দরবারে যেতে পারেন? কোথায় নাম লেখাতে হবে? জেনে নিন গোটা প্রক্রিয়া। 

অনলাইন ব্যবস্থা রয়েছে? 
এখন অধিকাংশ কাজই অনলাইনে হয়। তাই অনেকেই মনে করতে পারেন, ইন্টারনেটের মাধ্যমেই হয়তো নাম লেখান যেতে পারে জনতার দরবারে। যদিও বিষয়টা একবারেই তেমন নয়। এখানে অনলাইনে নাম লেখানোর কোনও ব্যবস্থা নেই। 

বিজেপি পার্টি অফিসে গিয়ে লেখাতে হবে নাম
যদি জনতার দরবারে নাম লেখাতে চান, তাহলে প্রথমে যেতে হবে বিজেপির সল্টলেকের পার্টি অফিসে। সেখানে সোমবার থেকে শুক্রবারের মধ্যে অফিস টাইমে যেতে হবে।

এবার সেই অফিসে ঢুকেই জনতার দরবারের নির্দিষ্ট কাউন্টারে যেতে হবে। সেখানে জানাতে হবে নিজের অভাব এবং অভিযোগের কথা। পাশাপাশি নিজের অভাব, অভিযোগের সপক্ষে থাকা থাকা সমস্ত প্রমাণ নিয়ে যেতে হবে। এরপর সেই কাউন্টারে উপস্থিত দায়িত্বপ্রাপ্তরা প্রথমেই এই সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করবেন। যদি তাঁরাই সমস্যা মিটিয়ে দিতে পারেন, তাহলে তখনই কাজ হয়ে যাবে। তাহলে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার প্রয়োজন নেই। 

কিন্তু যদি সেখানে উপস্থিত ব্যক্তিরা মনে করেন, বিষয়টি জনতার দরবারে তোলা দরকার, তাহলে সঙ্গে সঙ্গে আবেদনকারীর নাম, মোবাইল নম্বর এবং সমস্যার কথা নোট করে নেওয়া হবে। পাশাপাশি আবেদনকারীকে দেওয়া হবে একটি টোকেন। পাশাপাশি ব্য়ক্তির আধার কার্ড, ভোটার কার্ড বা যে কোনও পরিচয়পত্রও দলীয় কর্তৃপক্ষ রেখে দিতে পারেন। 

Advertisement

এবার আবেদনকারীর কাজ আপাতত শেষ। তারপর আবেদনকারীর কাছে ফোন যাবে বিজেপির পক্ষ থেকে। যেদিন এই দরবার বসে, তার ২ থেকে ৩ দিন আগেই সাধারণত ফোন করা হয়। এরপর নির্দিষ্ট দিনে নিজের প্রমাণপত্র এবং টোকেন নিয়ে হাজির হতে হয়। 

মাথায় রাখবেন, জনতার দরবারে যাওয়ার এটাই একমাত্র পদ্ধতি। আর কোনওভাবেই এখানে যাওয়া যায় না। ভোর থেকে লাইন দিয়েও এখানে যেতে পারবেন না। 


 

POST A COMMENT
Advertisement