ডিজিটাল বার্থ সার্টিফিকেটবার্থ সার্টিফিকেট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ডকুমেন্ট। এই ডকুমেন্ট বিভিন্ন কাজে লাগে। এমনকী ভারতের নাগরিকত্ব প্রমাণ করার কাজেও অনেক সময় ঢাল হয়ে ওঠে বার্থ সার্টিফিকেট। তবে মুশকিল হল, এখনও অনেকেরই বার্থ সার্টিফিকেট হাতে লেখা। আর বর্তমান ডিজিটাল যুগে সেই সার্টিফিকেট নিয়ে যে কোনও সময় সমস্যায় পড়তে পারেন। তাই আর সময় নষ্ট না করে বার্থ সার্টিফিকেটকে ডিজিটাল করে নিন। আর এই কাজটা করতে আপনাকে আলাদা করে টাকা খরচা করতেও হবে না। পুরোটা হবে ফ্রিতে।
কেন জরুরি?
আসলে যুগটা ডিজিটালের। তাই বার্থ সার্টিফিকেট ডিজিটাল করে নেওয়াই ভাল। এছাড়া হাতে লেখা জন্ম শংসাপত্র যাচাই করা খুব সহজ কাজ নয়। তাই এই ধরনের সার্টিফিকেট এখন অনেক সময়ই গ্রহণ করতে চায় না একাধিক সংস্থা। তখন বিপদ বাড়ে।
আসলে কম্পিউটারাইজড ডিজিটাল বার্থ সার্টিফিকেটে থাকে কিউআর কোড। শুধু তাই নয়, এতে ডিজিটাল সিগনেচারও থাকে। যার ফলে যে কোনও সরকারি দফতরে সেটা সহজেই স্ক্যান করে সব তথ্য পাওয়া যায়। তাই এখন ডিজিটাল বার্থ সার্টিফিকেটের চল অনেক বেশি।
এছাড়া হাতে লেখা বার্থ সার্টিফিকেট হারিয়ে গেলেও ঝামেলা। সেক্ষেত্রে বারবার সরকারি দফতরে ছুটতে হবে ডুপ্লিকেট কপি পেতে। তবে বার্থ সার্টিফিকেট যদি ডিজিটাল হয়, সেক্ষেত্রে মাত্র কয়েকটা ক্লিকেই আবার সেটা ডাউনলোড করে ফেলতে পারবেন। এত ঝক্কি পোহাতে হবে না।
প্রথমে কয়েকটা তথ্য লিখে নিন
এই কাজটা করা খুবই সহজ। সবার প্রথমে যাঁর নামে বার্থ সার্টিফিকেট এবং তাঁর বাবা-মায়ের নাম পরিষ্কার করে লিখে নিন। এই কাজটা করলেই ফর্ম পূরণ করতে সুবিধা হবে।
কীভাবে ডিজিটাল বার্থ সার্টিফিকেট বানাবেন?