পিএফ ইন্টারেস্টচাকরি ছাড়লেই কি এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড (ইপিএফ) অ্যাকাউন্টে সুদ জমা সঙ্গে সঙ্গে বন্ধ হয়ে যাবে? এমন প্রশ্ন অনেকের মনেই রয়েছে। আর তার উত্তর দিয়েছে এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড অর্গানাইজেশন বা ইপিএফও। তারা স্পষ্ট করে জানিয়েছে, কোনও কর্মী চাকরি ছাড়ার বা অবসর নেওয়ার পর ইপিএফ অ্যাকাউন্টে কতদিন পর্যন্ত সুদ জমবে।
সম্প্রতি এস্ক-এ একটি পোস্টে ইপিএফও জানিয়েছে, কোনও কর্মী যদি ৫৫ বছর বয়সের আগে চাকরি ছেড়ে দেন এবং ইপিএফ-এর টাকা তুলে না নেন, তাহলে নিয়ম অনুযায়ী তিনি ৫৮ বছর বয়স পর্যন্ত অ্যাকাউন্টে সুদ পেতে পারেন।
চাকরি ছাড়ার পর কতদিন কতদিন সুদ পাওয়া যাবে?
এই বিষয়টাও পরিষ্কার করেছে ইপিএফও। তারা জানিয়েছে, ধরুন কোনও কর্মী ৪০ বছর বয়সে চাকরি ছেড়ে দিলেন। তিনি যদি ইপিএফ-এর টাকা তুলে না নিয়ে অ্যাকাউন্টেই রেখে দেন, তাহলে বর্তমান ইপিএফও নিয়ম অনুযায়ী, তাঁর বয়স ৫৮ বছর হওয়া পর্যন্ত ওই টাকার উপর সুদ জমতে পারে।
ইপিএফ-এর এফএকিউ অনুযায়ী, একটি সচল বা অপারেটিভ ইপিএফ অ্যাকাউন্টে ৫৮ বছর বয়স পর্যন্ত সুদ দেওয়া হয়। এরপর নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী অ্যাকাউন্টটি নিষ্ক্রিয় হয়ে যায়।
কখন ইপিএফ অ্যাকাউন্ট নিষ্ক্রিয় হয়?
এক্ষেত্রে অবসর নেওয়ার পর অ্যাকাউন্ট নিষ্ক্রিয় হয়ে যায়। এছাড়া স্থায়ীভাবে বিদেশে চলে যাওয়ার পর এটি বন্ধ হতে পারে। এছাড়া কোনও সদস্যের মৃত্যু হলে বা তিন বছর ধরে ইপিএফ অ্যাকাউন্টে কোনও টাকা জমা না পড়লে সেটি নিষ্ক্রিয় হয়ে যেতে পারে।
যে কর্মীরা ৫৫ বছর বা তার বেশি বয়সে অবসর নেন, তাঁদের ক্ষেত্রে অবসরের তারিখ থেকে ৩৬ মাস পর ইপিএফ অ্যাকাউন্ট নিষ্ক্রিয় হয়ে যায় ইপিএফও-এর নিয়ম অনুযায়ী।
আর মাথায় রাখতে হবে, একবার অ্যাকাউন্ট নিষ্ক্রিয় হয়ে যাওয়ার পর সেখানে সুদ জমা পড়ে না।
৫০ বছর বয়সে অবসর নিলে কী হবে?
এমনটা হতেই পারে, কোনও কর্মী ৫০ বছর বয়সে স্বেচ্ছায় অবসর নিলেন। সেক্ষেত্রে ইপিএফও-এর এফএকিউ অনুযায়ী, তিনি ৫৮ বছর বয়স পর্যন্ত ইপিএফ-এর উপর সুদ পেতে পারেন। কারণ, ওই বয়স পর্যন্ত অ্যাকাউন্টটি নিষ্ক্রিয় হওয়ার কোনও কারণ নেই।
অন্যদিকে কোনও কর্মী যদি ৫৮ বছর বয়সে অবসর নেন, তাহলে ৫৮ বছর পর্যন্তই ইপিএফও-এর উপর সুদ পেয়ে যাবেন। তাই পিএফ-এর সুদ নিয়ে অহেতুক টেনশন করবেন না।