One Station One Product Scheme: স্টেশনে দোকান খুলে মোটা কামাই, রেলের অফারটা জেনে নিন

One Station One Product Scheme: রেলের সেই ঘোষণা অনুযায়ী শিয়ালদা ডিভিশনের অন্তর্গত মোট ৮৪টি স্টেশনে স্টল বসানোর জন্য যোগ্য ব্যক্তিদের কাছ থেকে আবেদনপত্র চাওয়া হয়েছে। আপনিও যদি রেলের এই পরিকাঠামো ব্যবহার করে নিজের একটি স্টল খুলতে চান তবে এই প্রতিবেদনটি আপনার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

Advertisement
স্টেশনে দোকান খুলে মোটা কামাই, রেলের অফারটা জেনে নিনOne Station One Product Scheme: স্টেশনে দোকান খুলে মোটা কামাই, রেলের অফারটা জেনে নিন

One Station One Product Scheme: রাজ্যজুড়ে হকার উচ্ছেদ নিয়ে যখন তুমুল শোরগোল চলছে ঠিক তখনই বেকার যুবক এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য বিরাট সুখবর শোনাল পূর্ব রেল। সাধারণ মানুষকে রেল স্টেশনে স্বাধীনভাবে ব্যবসা করার এক দারুণ সুযোগ করে দিচ্ছে তারা। এই মর্মে পূর্ব রেলের তরফে ইতিমধ্যেই একটি বিশেষ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।

রেলের সেই ঘোষণা অনুযায়ী শিয়ালদা ডিভিশনের অন্তর্গত মোট ৮৪টি স্টেশনে স্টল বসানোর জন্য যোগ্য ব্যক্তিদের কাছ থেকে আবেদনপত্র চাওয়া হয়েছে। আপনিও যদি রেলের এই পরিকাঠামো ব্যবহার করে নিজের একটি স্টল খুলতে চান তবে এই প্রতিবেদনটি আপনার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে।

রেল সূত্রের খবর শিয়ালদহ ডিভিশনের উদ্যোগে এই বিশেষ সুযোগ আনা হয়েছে এক স্টেশন এক পণ্য বা ওয়ান স্টেশন ওয়ান প্রোডাক্ট প্রকল্পের অধীনে। মূলত সমাজের প্রান্তিক ও পিছিয়ে পড়া শ্রেণির মানুষ স্বনির্ভর গোষ্ঠী বা এসএইচজি এমএসএমই কারিগর এবং শিল্পীদের স্বাবলম্বী করে তুলতেই এই স্টল বা আউটলেটগুলি বরাদ্দ করা হবে। এই জনকল্যাণমুখী প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হল স্থানীয় স্তরে উৎপাদিত পণ্যকে রেলের বিশাল নেটওয়ার্কের মাধ্যমে দেশের একটি বৃহত্তর বাজারের সঙ্গে যুক্ত করে দেওয়া।

One Station One Product Scheme:

আগ্রহী ব্যবসায়ীদের জন্য এই স্টল বা দোকান বরাদ্দের ক্ষেত্রে একটি নির্দিষ্ট আবেদন ফি বেঁধে দিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে ৩০ দিনের জন্য স্টল নিতে চাইলে নিবন্ধন ফি লাগবে ২,০০০ টাকা এবং ৯০ দিনের মেয়াদের স্টলের জন্য দিতে হবে ৬,০০০ টাকা। আগামী ২৮ জুলাই ২০২৬ তারিখ দুপুর ৩টের মধ্যে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। সমস্ত প্রয়োজনীয় নথিপত্র সহ শিয়ালদহ ডিভিশনের ডিভিশনাল কমার্শিয়াল ম্যানেজারের অফিস অথবা সংশ্লিষ্ট স্টেশন ম্যানেজারের কাছে গিয়ে এই আবেদনপত্র জমা দিতে পারবেন আগ্রহীরা।

এই প্রকল্পের সবচেয়ে বড় সুবিধা হল নির্বাচিত আবেদনকারীদের জন্য স্টল এবং ব্যবসার প্রাথমিক পরিকাঠামোর সমস্ত ব্যবস্থা রেল কর্তৃপক্ষ নিজেই করবে। এর পাশাপাশি ব্যবসায়ীদের সুবিধার্থে একটি নির্দিষ্ট সীমা পর্যন্ত বিনামূল্যে বিদ্যুৎ ব্যবহারের ছাড়ও দেওয়া হবে। রেলের তরফে জানানো হয়েছে কোনো স্টেশনের জন্য যদি নির্দিষ্ট সংখ্যার চেয়ে বেশি আবেদন জমা পড়ে তবে সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা বজায় রেখে লটারির মাধ্যমে স্টল বরাদ্দ করা হবে। স্থানীয় অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে এবং প্রান্তিক মানুষের হাতে আয়ের উৎস তুলে দিতে পূর্ব রেলের এই অভিনব উদ্যোগ ইতিমধ্যেই বাণিজ্য মহলে বেশ সাড়া ফেলে দিয়েছে।

Advertisement

 

POST A COMMENT
Advertisement