EPFOPF-র টাকা ATM এবং UPI থেকে কবে তুলতে পারবেন? প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, EPFO-র গ্রাহকেরা শীঘ্রই সরাসরি ATM এবং UPI-এর মাধ্যমে তাদের প্রভিডেন্ট ফান্ডের টাকা তুলতে পারবেন। ATM থেকে PF ২০২৬ সালের মে মাসের শেষ নাগাদ চালু হবে বলে আশা করা হচ্ছে। ET NOW-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই সুবিধাটি EPFO 3.0 আপগ্রেডের একটি অংশ, যার লক্ষ্য হল এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড অর্গানাইজেশনের ডিজিটাল পরিকাঠামো উন্নত করা, PF-এ প্রবেশাধিকার ত্বরান্বিত করা এবং কর্মচারীদের জন্য পরিষেবা সহজ করা।
নতুন ব্যবস্থার অধীনে, EPFO নতুন ATM কার্ড ইস্যু করতে পারে, যার মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা কোনও কাগজপত্র বা অফিসে না গিয়েই টাকা তুলতে পারবেন। EPFO 3.0 ২০২৬ সালের মাঝামাঝি নাগাদ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এতে আরও অন্তর্ভুক্ত থাকবে দ্রুততর দাবি নিষ্পত্তি, সহজতর অ্যাকাউন্ট স্থানান্তর এবং উন্নত ডিজিটাল পরিষেবা।
UPI এবং ATM থেকে টাকা তোলার সীমা কত হবে?
প্রতিবেদন অনুসারে, ATM বা UPI-এর মাধ্যমে টাকা তোলার সীমা একজন গ্রাহকের মোট পিএফ ব্যালেন্সের ৫০% পর্যন্ত সীমিত হতে পারে। এই সুবিধাটি পেতে সদস্যদের একটি সক্রিয় UAN প্রয়োজন হবে, যা তাদের আধার, প্যান কার্ড, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের বিবরণ এবং IFSC কোডের সঙ্গে সংযুক্ত থাকবে।
রেকর্ড সংখ্যক PF সেটেলমেন্ট
EPFO ২০২৬ অর্থবর্ষে রেকর্ড সংখ্যক দাবি নিষ্পত্তি করেছে। শ্রমমন্ত্রী মনসুখ মান্ডভিয়া সম্প্রতি জানিয়েছেন, ইপিএফও ২০২৫-২৬ সালে ৮৩.১ মিলিয়ন ক্লেইম সেটেল হয়েছে, যা ২০২৫ অর্থবর্ষে নথিভুক্ত ৬০.১ মিলিয়ন দাবির চেয়ে উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। এটি পিএফ-সম্পর্কিত পরিষেবাগুলির ক্রমবর্ধমান ডিজিটাইজেশন এবং দ্রুত প্রক্রিয়াকরণকে প্রতিফলিত করে।
EPFO 3.0 টাকা তোলার নিয়মাবলীর বিস্তারিত বিবরণ
EPFO 3.0 পরিকাঠামোর অধীনে প্রস্তাবিত অন্যতম বড় একটি উন্নতি হল ইউপিআই-ভিত্তিক পিএফ-র টাকা তোলা, যার মাধ্যমে EPF সদস্যরা ডিজিটাল পেমেন্ট প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের প্রভিডেন্ট ফান্ডের টাকা তুলতে পারবেন।
একবার চালু হলে, টাকা তোলার জন্য গ্রাহকদের আর ইপিএফও অফিসে যেতে বা দীর্ঘ কাগজপত্র পূরণ করতে হবে না। যদিও সরকার EPFO 3.0 সংক্রান্ত বেশ কিছু আপডেট ঘোষণা করেছে, তবে এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের তারিখ এবং বিস্তারিত নির্দেশিকা এখনও জানানো হয়নি।
কখন PF-এর সম্পূর্ণ টাকা তুলতে পারবেন?
৫৫ বছর বয়সে অবসর গ্রহণের পর সম্পূর্ণ PF ব্যালেন্স তুলে নিতে পারবেন। এছাড়াও অক্ষমতা, ছাঁটাই, স্বেচ্ছায় অবসর গ্রহণ, বিদেশে স্থায়ী বদলি, অবসর তহবিল সুরক্ষা ইত্যাদির মতো ক্ষেত্রেও সম্পূর্ণ পিএফ তোলা সম্ভব।