
সম্প্রতি প্রভিডেন্ট ফান্ড অর্গানাইজেশন বা EPFO বেতন সীমা বৃদ্ধি করার প্রস্তাব দিয়েছে। এই বেতন সীমা বৃদ্ধি আপনার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হতে পারে। ফলে যে ব্যক্তিদের স্যালারি ১৫ থেকে ২৫ হাজারের মধ্যে, তাঁদের এই নতুন আপডেট সম্পর্কে অবগত থাকা জরুরি।
ঠিক কী নিয়ম করা হয়েছে?
কেন্দ্রীয় সরকার বাধ্যতামূলক সামাজিক সুরক্ষা সুবিধার জন্য মাসিক বেতন সীমা ১৫,০০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২৫,০০০ টাকা করেছে। সরকারের অনুমান অনুযায়ী, ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হওয়া এই সিদ্ধান্তের ফলে প্রায় ৫১ লক্ষ নতুন কর্মচারী উপকৃত হবেন এবং প্রথমবারের মতো তাঁরা পিএফ, পেনশন এবং ইপিএফও বিমার আওতায় আসবেন। তাই, আপনি যদি নতুন বেতন সীমার অধীনে এই বাধ্যতামূলক সুরক্ষার জন্য যোগ্য হন, তবে এই তালিকায় আসার জন্য কোম্পানির সঙ্গে কথা বলা জরুরি।
সরকারের নতুন নিয়মে বেসরকারি খাতের যে সব কর্মচারী ₹২৫,০০০ (বেসিক + ডিএ) বেতন পান, তাঁদের এখন থেকে বাধ্যতামূলক পিএফ-এর পাশাপাশি ইপিএস পিএফ পেনশন)-এও অর্থ দিতে হবে। কর্মচারীদের জন্য বাধ্যতামূলক পিএফ-এর বেতন সীমা এর আগে ছিল ১৫ হাজার। ২০১৪ সালের ১ সেপ্টেম্বরের আগে এই পরিমাণ ছিল ৬৫০০ টাকা।
নতুন নিয়ম থেকে কারা লাভবান হবেন?
এই পরিবর্তনটি সেইসব কর্মীদের জন্য বিশেষভাবে লাভজনক, যাদের মূল বেতন এবং ডিএ ১৫,০০০ টাকার বেশি। আগে তারা বাধ্যতামূলক ইপিএফ-এর আওতা থেকে বাদ পড়তেন। এখন, ১৫,০০০ থেকে ২৫,০০০ টাকার মধ্যে উপার্জনকারী কর্মচারীরা প্রাসঙ্গিক শর্তাবলী পূরণ সাপেক্ষে এই প্রকল্পে যোগদান করতে পারবেন। তবে, শুধুমাত্র বেতনের এই সীমার মধ্যে থাকলেই যোগ্যতার নিশ্চয়তা পাওয়া যায় না।
যাঁরা ২৫,০০০ টাকা আয় করেন, তাঁদের কি PF কাটা হবে?
নতুন বেতনসীমার আওতায় যোগ্য কর্মচারীরা EPFO-এর আওতায় আসতে পারেন। তবে, প্রত্যেক কর্মচারীর ক্ষেত্রে পরিস্থিতি একই হবে না। এটি নির্ভর করবে কর্মচারী আগে থেকেই ইপিএফ সদস্য কিনা এবং সেই প্রকল্পের কোন নিয়ম প্রযোজ্য তার উপর। তাই যোগ্যতা যাচাই করার জন্য আপনার কোম্পানির এইচআর বা পে-রোল টিমের সাথে যোগাযোগ করা জরুরি।