Cost Prediction: আজ যে সংসার ১৫ হাজার টাকায় চলে, ১০ বছর পর তাদের কত লাগবে?

Future Household Expenses: আজ যে সংসার মাসে ১৫ হাজার টাকায় কোনও রকমে চলছে, আগামী দশ বছরে সেই একই সংসার চালাতে আরও অনেক বেশি অর্থের প্রয়োজন হতে পারে। ধারাবাহিক মুদ্রাস্ফীতির জেরেই নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়তে পারে বলে মত অর্থনীতিবিদদের।

Advertisement
আজ যে সংসার ১৫ হাজার টাকায় চলে, ১০ বছর পর তাদের কত লাগবে?ধারাবাহিক মুদ্রাস্ফীতির জেরেই নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়তে পারে বলে মত অর্থনীতিবিদদের।
হাইলাইটস
  • আগামী দশ বছরে সেই একই সংসার চালাতে আরও অনেক বেশি অর্থের প্রয়োজন হতে পারে।
  • ধারাবাহিক মুদ্রাস্ফীতির জেরেই নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়তে পারে বলে মত অর্থনীতিবিদদের।
  • যদি মুদ্রাস্ফীতির হার আরও বাড়ে, তা হলে এই অঙ্কও আরও বৃদ্ধি পেতে পারে।

Future Household Expenses: আজ যে সংসার মাসে ১৫ হাজার টাকায় কোনও রকমে চলছে, আগামী দশ বছরে সেই একই সংসার চালাতে আরও অনেক বেশি অর্থের প্রয়োজন হতে পারে। ধারাবাহিক মুদ্রাস্ফীতির জেরেই নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়তে পারে বলে মত অর্থনীতিবিদদের। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভবিষ্যতে আর্থিক সুরক্ষা বজায় রাখতে এখন থেকেই সঞ্চয় ও খরচের পরিকল্পনা করা অত্যন্ত জরুরি। বর্তমানে একটি ছোট বা মধ্যবিত্ত পরিবারের মাসিক খরচ যদি ১৫ হাজার টাকা হয়, তবে তার বড় অংশই খাবার, বাড়িভাড়া, বিদ্যুৎ, চিকিৎসা, পড়াশোনা এবং যাতায়াতের মতো প্রয়োজনীয় খাতে খরচ হয়ে যায়। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই সমস্ত ক্ষেত্রেই খরচ বাড়ার প্রবণতা দেখা যায়। বিশেষ করে শিক্ষা এবং চিকিৎসার ব্যয় তুলনামূলক দ্রুত হারে বৃদ্ধি পায়। এমনই মত বিশেষজ্ঞদের।

ধরা যাক, আগামী দশ বছরে গড় মুদ্রাস্ফীতির হার বছরে প্রায় ৬ শতাংশ থাকবে। সে ক্ষেত্রে হিসাব বলছে, আজকের ১৫ হাজার টাকার মাসিক খরচ দশ বছর পরে বেড়ে প্রায় ২৭ হাজার টাকায় পৌঁছতে পারে। অর্থাৎ একই জীবনযাত্রা বজায় রাখতে প্রায় ৮০ শতাংশ বেশি টাকার প্রয়োজন হতে পারে। যদি মুদ্রাস্ফীতির হার আরও বাড়ে, তা হলে এই অঙ্কও আরও বৃদ্ধি পেতে পারে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, মুদ্রাস্ফীতি ধীরে ধীরে টাকার ক্রয়ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। ফলে আয় একই থাকলেও খরচের চাপ বাড়তে থাকে। সেই কারণেই যে কোনও বিনিয়োগ করার আগে মুদ্রাস্ফীতির প্রভাব গুরুত্ব দিয়ে দেখা প্রয়োজন। শুধু বর্তমান আয়ের উপর নির্ভর করলে ভবিষ্যতে আর্থিক সমস্যার মুখে পড়তে হতে পারে। এভাবেই সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞেরা।

আর্থিক পরামর্শদাতাদের মতে, নিয়মিত সঞ্চয়ের পাশাপাশি বিনিয়োগের দিকেও নজর দেওয়া জরুরি। এমন জায়গায় বিনিয়োগ করা প্রয়োজন, যেখানে সম্ভাব্য রিটার্ন মুদ্রাস্ফীতির হারের চেয়ে বেশি হতে পারে। দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য; যেমন সন্তানের উচ্চশিক্ষা, বাড়ি কেনা বা অবসর জীবনের জন্য অর্থ সঞ্চয়; পূরণ করতে পরিকল্পিত বিনিয়োগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে। সেই সঙ্গে প্রতিবছর অল্প করে হলেও আয় বৃদ্ধির চেষ্টা চালাতে হবে।

Advertisement

বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, পারিবারিক বাজেট তৈরির সময় আয়ের একটি নির্দিষ্ট অংশ সঞ্চয়ের জন্য আলাদা করে রাখা উচিত। পাশাপাশি জরুরি তহবিল তৈরি করাও প্রয়োজন। এতে হঠাৎ কোনও আর্থিক সমস্যার সময় অতিরিক্ত চাপ তৈরি হবে না। নিয়মিত সঞ্চয়ের পরিমাণ বাড়াতে হবে। অপ্রয়োজনীয় খরচ কমিয়ে রাখলে ভবিষ্যতের আর্থিক পরিস্থিতি ধরে রাখা অনেকটাই সহজ হতে পারে।

অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়বেই। তাই আজ যে সংসার ১৫ হাজার টাকায় চলছে, আগামী দশ বছরে সেই একই সংসার চালাতে কত টাকা প্রয়োজন হতে পারে, তার হিসাব এখন থেকেই কষে নেওয়া দরকার। বিশেষজ্ঞদের মতে, সচেতনভাবে সঞ্চয় এবং পরিকল্পিত বিনিয়োগই ভবিষ্যতের আর্থিক নিরাপত্তার সেরা উপায়।

POST A COMMENT
Advertisement