সোনা ও রুপোর দামে ক্র্যাশসোনা এবং রুপোর দামে বড় ক্র্যাশ। একদিনে রুপোর দাম পড়েছে ১৬,৬০০ টাকা। এমনকী পড়েছে সোনার দামও।
শুক্রবার রাত ১১টা ৩০ মিনিটে কমোডিটি মার্কেট বন্ধ হওয়ার সময় ১৬,০০০ টাকার থেকে বেশি দাম পড়েছে রুপোর। ও দিকে আবার সোনার দামও ৪০০০ টাকা পর্যন্ত ক্র্যাশ করেছে।
বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, সোনা এবং রুপোর দামে এহেন পতনের কারণ আমেরিকা। আর এমসিএক্স-এ দাম দ্রুত কমার পর বুলিয়ান মার্কেটেও সোনা এবং রুপোর দাম কমেছে। দিল্লি থেকে মুম্বই, সর্বত্রই অনেকটা দাম পড়েছে এই দুই রাশির।
সোনা এবং রুপোর দাম এমসিএক্স-এ কী রয়েছে?
মাল্টি কমোডিটি মার্কেটে ১০ গ্রাম সোনার দাম কমেছে ৩,৯৪৭ টাকা। এর দাম দাঁড়িয়েছে ১,৫৫,৬০০ টাকা। ও দিকে রুপোর দাম পড়েছে ১৬,৫৯৫ টাকা। এর দাম দাঁড়িয়েছে ২,৪৮,২০১ টাকা প্রতি কেজি। এই দুই ধাতুর দাম তখন পড়েছে, যখন আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে সঙ্কট বাড়ছে। দুই দেশ আবার নতুন করে যুদ্ধে জড়াতে পারে বলে আশঙ্কা। পাশাপাশি ফেডারেল রিজার্ভ আবার রেট বাড়াতে পারে বলে জল্পনা চলছে। এই পরিস্থিতিতে দাম কমছে সোনা এবং রুপোর।
কেন সোনা এবং রুপোর দাম পড়ছে?
আন্তর্জাতিক বাজারে ৩.৪ শতাংশ পড়েছে সোনার দাম। ও দিকে আবার আমেরিকার 'জব ডেটা' ভাল এসেছে। যার ফলে বন্ড ইয়েল্ড এবং ডলারের উপর প্রভাব বাড়ছে। এই দুইয়ের দাম বাড়ছে। যার ফলে সোনা এবং রুপোর দাম কমেছে।
এমন পরিস্থিতিতে ফেডারেল রিজার্ভ আবার ইন্টারেস্ট রেটও বাড়াতে পারে। অপরিশোধিত তেল বাড়ার জন্যই তারা এই কাজটা করতে পারে। আর সেই কারণেও সোনা এবং রুপোর দামে বিরাট পতন হচ্ছে।
সোনার দাম কম?
কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?
বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, ফেডারেল রিজার্ভ ২৫ বেসিস পয়েন্ট পর্যন্ত বাড়তে পারে এই ডিসেম্বরের মধ্যে। তাই এর ফলে সোনা এবং রুপোর দাম কমার আশঙ্কা রয়েছে।
বিদ্র: এই নিবন্ধটি পড়ে বিনিয়োগ করবেন না। তাঁর আগে নিজে রিসার্চ করুন। পারলে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। তাহলেই সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন।